চরচা ডেস্ক

ইরানে ঈদ আগামীকাল শনিবার। আবার একই দিনে পড়েছে নওরোজ বা নববর্ষ। এভাবে দুটি উৎসবের দিন একসঙ্গে পড়াটা খুবই বিরল ঘটনা। স্বাভাবিক অবস্থায় থাকলে ইরানিরা কাল কত আনন্দে মেতে উঠতেন। কিন্তু বর্তমানে ইরান তো ইসরায়েল ও আমেরিকার বোমায় বোমায় বিধ্বস্ত। ফলে এটা খুবই স্বাভাবিক যে, দুঃসহ যন্ত্রণা নিয়ে এই দুই উৎসবে হয়তো সামিল হবেন তারা।
ফারসি শব্দ নওরোজ-এর অর্থ নতুন দিন। এটা ইরানের উৎসব, যা বসন্তের আগমন এবং তার সঙ্গে আসা নবজাগরণ উদযাপন করে। এই দিনটি ইরানি সৌর ক্যালেন্ডারের (যা ১০৭৯ সালে শুরু হয়) প্রথম দিন, যা বসন্ত বিষুবের সঠিক মুহূর্তকে নির্দেশ করে। তারিখটি প্রতি বছর ১৯ থেকে ২১ মার্চের মধ্যে পরিবর্তিত হয়। এ বছর এটি ২১ মার্চ।
ইরানের ভেতরে, এ বছরের নওরোজ বিশেষভাবে আবেগঘন হবে। কারণ সারা দেশ ইসরায়েল ও আমেরিকার হামলার মুখে রয়েছে। এই হামলায় ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১,৫০০ মানুষ নিহত হয়েছে। লাখ লাখ মানুষ গৃহহীন। ঈদ ও নববর্ষ উদযাপনের মাধ্যমে ইরানিরা তাদের স্বতন্ত্র পরিচয় ও মাতৃভূমির সঙ্গে গভীর সম্পর্ক পুনরায় দৃঢ় করবে।

মধ্যপ্রাচ্য ও মধ্য এশিয়ায় শিকড় থাকা এই উৎসবটি সেইসব দেশে উদযাপিত হয়, যেগুলো একসময় পারস্য সাম্রাজ্যের অংশ ছিল– যেমন তুরস্ক, ইরান, ইরাক, আফগানিস্তান, ভারত, পাকিস্তান ও ককেশাস অঞ্চল, বিশেষ করে আজারবাইজান। আধুনিক-পূর্ব যুগে ইরানি সংস্কৃতি স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে গিয়েছিল এবং এসব অঞ্চল ধীরে ধীরে হারিয়ে গেলেও সেই প্রভাব অনেক ক্ষেত্রে থেকে যায়। এই বিস্তৃত ইরানি প্রভাবক্ষেত্রকে ‘ইরানজমিন’ বা ‘বৃহত্তর ইরান’ বলা হয়।
নওরোজ প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয় প্রাক-ইসলামিক সাসানীয় সাম্রাজ্যের (খ্রিস্টাব্দ ২২৪–৬৫১) শুরুর দিকে, এবং তখন এটি পুরো পারস্য সাম্রাজ্যজুড়ে উদ্যাপিত হতো। ইরানে নওরোজ উদযাপন চলে দুই সপ্তাহ ধরে, যার মধ্যে চার দিন জাতীয় ছুটি থাকে। শিক্ষার্থীদের জন্য এটি আনন্দের সময়, কারণ স্কুল বন্ধ থাকে। অন্য কিছু দেশেও সরকার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে এবং জনসমাগম ও অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
বর্তমানে নওরোজ ইউনেসকোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত।
সাধারণত নওরোজে পরিবারকেন্দ্রিক আনন্দ, ঘর সাজানো, ‘হাফত-সিন’ টেবিল, আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে দেখা করা হয়। ঈদুল ফিতরে নামাজ, দান-খয়রাত, এবং সামাজিক মিলন হয়।
কিন্তু এই পরিস্থিতিতে উদযাপন হবে সীমিত ও সংযত। বড় আয়োজনের বদলে পরিবারভিত্তিক ছোট পরিসরে পালন বেশি হতে পারে। ধর্মীয় দিক (ঈদের নামাজ, দোয়া) তুলনামূলক বেশি গুরুত্ব পেতে পারে। অনেক জায়গায় নিরাপত্তা ও বাস্তব পরিস্থিতি অনুযায়ী অনুষ্ঠান কমে যাবে।

ইরানে ঈদ আগামীকাল শনিবার। আবার একই দিনে পড়েছে নওরোজ বা নববর্ষ। এভাবে দুটি উৎসবের দিন একসঙ্গে পড়াটা খুবই বিরল ঘটনা। স্বাভাবিক অবস্থায় থাকলে ইরানিরা কাল কত আনন্দে মেতে উঠতেন। কিন্তু বর্তমানে ইরান তো ইসরায়েল ও আমেরিকার বোমায় বোমায় বিধ্বস্ত। ফলে এটা খুবই স্বাভাবিক যে, দুঃসহ যন্ত্রণা নিয়ে এই দুই উৎসবে হয়তো সামিল হবেন তারা।
ফারসি শব্দ নওরোজ-এর অর্থ নতুন দিন। এটা ইরানের উৎসব, যা বসন্তের আগমন এবং তার সঙ্গে আসা নবজাগরণ উদযাপন করে। এই দিনটি ইরানি সৌর ক্যালেন্ডারের (যা ১০৭৯ সালে শুরু হয়) প্রথম দিন, যা বসন্ত বিষুবের সঠিক মুহূর্তকে নির্দেশ করে। তারিখটি প্রতি বছর ১৯ থেকে ২১ মার্চের মধ্যে পরিবর্তিত হয়। এ বছর এটি ২১ মার্চ।
ইরানের ভেতরে, এ বছরের নওরোজ বিশেষভাবে আবেগঘন হবে। কারণ সারা দেশ ইসরায়েল ও আমেরিকার হামলার মুখে রয়েছে। এই হামলায় ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১,৫০০ মানুষ নিহত হয়েছে। লাখ লাখ মানুষ গৃহহীন। ঈদ ও নববর্ষ উদযাপনের মাধ্যমে ইরানিরা তাদের স্বতন্ত্র পরিচয় ও মাতৃভূমির সঙ্গে গভীর সম্পর্ক পুনরায় দৃঢ় করবে।

মধ্যপ্রাচ্য ও মধ্য এশিয়ায় শিকড় থাকা এই উৎসবটি সেইসব দেশে উদযাপিত হয়, যেগুলো একসময় পারস্য সাম্রাজ্যের অংশ ছিল– যেমন তুরস্ক, ইরান, ইরাক, আফগানিস্তান, ভারত, পাকিস্তান ও ককেশাস অঞ্চল, বিশেষ করে আজারবাইজান। আধুনিক-পূর্ব যুগে ইরানি সংস্কৃতি স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে গিয়েছিল এবং এসব অঞ্চল ধীরে ধীরে হারিয়ে গেলেও সেই প্রভাব অনেক ক্ষেত্রে থেকে যায়। এই বিস্তৃত ইরানি প্রভাবক্ষেত্রকে ‘ইরানজমিন’ বা ‘বৃহত্তর ইরান’ বলা হয়।
নওরোজ প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয় প্রাক-ইসলামিক সাসানীয় সাম্রাজ্যের (খ্রিস্টাব্দ ২২৪–৬৫১) শুরুর দিকে, এবং তখন এটি পুরো পারস্য সাম্রাজ্যজুড়ে উদ্যাপিত হতো। ইরানে নওরোজ উদযাপন চলে দুই সপ্তাহ ধরে, যার মধ্যে চার দিন জাতীয় ছুটি থাকে। শিক্ষার্থীদের জন্য এটি আনন্দের সময়, কারণ স্কুল বন্ধ থাকে। অন্য কিছু দেশেও সরকার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে এবং জনসমাগম ও অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
বর্তমানে নওরোজ ইউনেসকোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত।
সাধারণত নওরোজে পরিবারকেন্দ্রিক আনন্দ, ঘর সাজানো, ‘হাফত-সিন’ টেবিল, আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে দেখা করা হয়। ঈদুল ফিতরে নামাজ, দান-খয়রাত, এবং সামাজিক মিলন হয়।
কিন্তু এই পরিস্থিতিতে উদযাপন হবে সীমিত ও সংযত। বড় আয়োজনের বদলে পরিবারভিত্তিক ছোট পরিসরে পালন বেশি হতে পারে। ধর্মীয় দিক (ঈদের নামাজ, দোয়া) তুলনামূলক বেশি গুরুত্ব পেতে পারে। অনেক জায়গায় নিরাপত্তা ও বাস্তব পরিস্থিতি অনুযায়ী অনুষ্ঠান কমে যাবে।