
তামিলনাড়ুর ইরোডের বাসিন্দা এই জ্যোতিষী একসময় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জে জয়ললিতার অন্যতম প্রধান পরামর্শদাতা ছিলেন। তবে, কথিত আছে যে তার একটি বড় ভবিষ্যদ্বাণী না মেলায় তাদের সম্পর্কের অবসান ঘটে।

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ৪ হাজার ৯৭ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৩ হাজার ২৪০ কিলোমিটার এলাকায় ইতোমধ্যে বেড়া দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দূর্গম ভূখণ্ডসহ প্রায় ৮৫০ কিলোমিটার এলাকা এখনও উন্মুক্ত রয়েছে।

থালাপতি বিজয়ের প্রথম নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে, প্রতি মাসে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিনামূল্যে দেওয়া হবে। পাশাপাশি মাদক সমস্যা মোকাবিলায় একটি বিশেষ টাস্ক ফোর্স গঠন করা হবে।

বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের পর এবার তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন থালাপতি বিজয়। তার সঙ্গে আজ রোববার শপথ নিয়েছেন তার দল টিভিকের ৯ নেতাও। শপথ নেওয়ার পরই বিজয় বলেছেন, “আমি জনগণের পকেট থেকে একটা পয়সাও স্পর্শ করব না।”

দীর্ঘ রাজনৈতিক আলোচনার পর অবশেষে তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন থালাপতি বিজয়। আজ রোববার স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে চেন্নাইয়ের নেহরু স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বিজয়ের সঙ্গেই শপথ নেন আরও নয়জন।

বর্তমানে বিজয়ের জোটে তার নিজের দল টিভিকের ১০৭ জন বিধায়ক ছাড়াও রয়েছে কংগ্রেসের ৫ জন, সিপিআইয়ের ২ জন, সিপিআইএমের ২ জন, ভিসিকের ২ জন এবং আইইউএমএলের ২ জন বিধায়ক।

পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকার আগামীকাল কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শপথ গ্রহণ করবেন। এই অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপি সভাপতি নীতিন নবীন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীগণ এবং বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোর মুখ্যমন্ত্রীরা উপস্থিত থাকবেন।

মমতা কি পারবেন আবার সেই আগের মতো রাজপথের লড়াকু নেত্রী হয়ে ফিরে আসতে? নাকি তিনি পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থার এক স্মৃতি হয়ে থেকে যাবেন?

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির অন্যতম বড় কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে মুসলমান ভোট বিভক্ত হয়ে পড়া। ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানরা একচ্ছত্রভাবেই মমতা বন্দোপাধ্যায়ের পেছনে দাঁড়িয়েছিলেন। এবারের বিধানসভা নির্বাচনেও মুসলমানদের তৃণমূলের ভোটব্যাংক মনে করা হলেও সেখানে বড় ধরনের বিভক্তি দেখা দিয়েছে।

বিজেপি দাবি করেছিল, তারা দু শরও বেশি আসন পাবে। কিন্তু তারা থামে ৭৭-এ। প্রাপ্ত ভোটের হার ৩৭.৯৮। পরে অবশ্য দলবদলের হাত ধরে তৃণমূলের সদস্য সংখ্যা বেড়ে হয় ২১৯ এবং বিজেপির কমে ৬৪। আর সিপিআইএম-কংগ্রেসের সম্মিলিত জোট পায় মাত্র ১০ শতাংশ ভোট। আসন বলতে আইএসএফের একটি। কংগ্রেস ০, সিপিএম ০।

২০২৩ সালের মে মাস থেকে মণিপুরে সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দু মেতেই সম্প্রদায় এবং খ্রিস্টান কুকি উপজাতিদের মধ্যে জাতিগত দাঙ্গা শুরু হয়। অর্থনৈতিক সুবিধা এবং সরকারি চাকরির কোটা নিয়ে এই বিরোধের সূত্রপাত।

দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে দুর্নীতি মামলা থেকে দায়মুক্তি দিয়েছেন ভারতের একটি আদালত। দীর্ঘদিন ধরে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম চলছিল।