চরচা ডেস্ক

ভারতের তামিলনাড়ুতে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর বিনামূল্যে বিদ্যুৎতের নির্দেশ দেন থালাপতি বিজয়। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে জানায়, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে প্রথম বিনামূল্যে বিদ্যুৎ, মাদক বিরোধী অভিযান এবং নারী সুরক্ষার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন তিনি।
থালাপতি বিজয়ের প্রথম নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে–
নিজের সংগ্রামের কথা উল্লেখ করে বিজয় বলেন, “একজন সহকারী পরিচালকের ছেলে আজ মুখ্যমন্ত্রী হয়েছে। আমি দারিদ্র্য ও ক্ষুধা চিনি। আমি কোনো রাজ পরিবার থেকে আসিনি। আমি অনেক প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়েছি, অনেকে আমাকে অপমান করেছে। আমি আপনাদের সন্তান, আপনাদের ভাই এবং ছোট ভাই। আপনারা আমাকে আপনাদের হৃদয়ে জায়গা দিয়েছেন, আমাকে গ্রহণ করেছেন।”
বিজয় প্রতিশ্রুতি দেন যে, তিনি কোনো মিথ্যা আশ্বাস দেবেন না। বিজয় আরও বলেন, “ডিএমকে রাজ্যের কোষাগার খালি করে দিয়েছে এবং আমরা ১০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা নিয়ে ক্ষমতা গ্রহণ করেছি। আমরা জনগণের তহবিল থেকে একটি পয়সাও নেব না এবং কাউকে রাজ্য লুট করতে দেব না।”
বিজয় আরও বলেন, “কৃষক এবং মৎস্যজীবীদের দেখাশোনা করা হবে। সবকিছু ভালো হবে।”

ভারতের তামিলনাড়ুতে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর বিনামূল্যে বিদ্যুৎতের নির্দেশ দেন থালাপতি বিজয়। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে জানায়, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে প্রথম বিনামূল্যে বিদ্যুৎ, মাদক বিরোধী অভিযান এবং নারী সুরক্ষার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন তিনি।
থালাপতি বিজয়ের প্রথম নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে–
নিজের সংগ্রামের কথা উল্লেখ করে বিজয় বলেন, “একজন সহকারী পরিচালকের ছেলে আজ মুখ্যমন্ত্রী হয়েছে। আমি দারিদ্র্য ও ক্ষুধা চিনি। আমি কোনো রাজ পরিবার থেকে আসিনি। আমি অনেক প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়েছি, অনেকে আমাকে অপমান করেছে। আমি আপনাদের সন্তান, আপনাদের ভাই এবং ছোট ভাই। আপনারা আমাকে আপনাদের হৃদয়ে জায়গা দিয়েছেন, আমাকে গ্রহণ করেছেন।”
বিজয় প্রতিশ্রুতি দেন যে, তিনি কোনো মিথ্যা আশ্বাস দেবেন না। বিজয় আরও বলেন, “ডিএমকে রাজ্যের কোষাগার খালি করে দিয়েছে এবং আমরা ১০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা নিয়ে ক্ষমতা গ্রহণ করেছি। আমরা জনগণের তহবিল থেকে একটি পয়সাও নেব না এবং কাউকে রাজ্য লুট করতে দেব না।”
বিজয় আরও বলেন, “কৃষক এবং মৎস্যজীবীদের দেখাশোনা করা হবে। সবকিছু ভালো হবে।”

তদন্তে উঠে এসেছে, হায়দার কবির মিথুন কোম্পানির ডিএমডি হিসেবে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে সরাসরি জড়িত ছিলেন। তিনি বিভিন্ন গ্রাহকের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ ও আত্মসাতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। মামলা হওয়ার পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান এবং ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর বন্ধ রেখে কৌশলে বিদেশে পালিয়ে যান।