চরচা ডেস্ক

বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের পর এবার তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন থালাপতি বিজয়। তার সঙ্গে আজ রোববার শপথ নিয়েছেন তার দল টিভিকের ৯ নেতাও। শপথ নেওয়ার পরই বিজয় বলেছেন, “আমি জনগণের পকেট থেকে একটা পয়সাও স্পর্শ করব না।”
বিজয় বলেন, “দারিদ্র্য এবং ক্ষুধা কী, তা আমি জানি... আমি কোনো রাজপরিবারে জন্মাইনি। আমি আপনাদেরই একজন। আমি একজন সহকারী পরিচালকের ঘরে জন্মেছি বলে চলচ্চিত্রে সাফল্য পেয়েছি।”
জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বিজয় বলেন, “আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞতা নিয়ে এসেছি। আমি আপনাদের ‘থাম্বি’ (ছোট ভাই)।”
বিজয় বলেন, “আমি কোনো দেবদূত নই, একজন সাধারণ মানুষ। যা পূরণ করতে পারব না, এমন কোনো প্রতিশ্রুতি আমি দেব না। তবে এখন আমার এই আত্মবিশ্বাস আছে যে, আপনারা সঙ্গে থাকলে আমরা যেকোনো কিছু অর্জন করতে পারি।”
জনগণের কাছে সময় চেয়ে এই নেতা বলেন, “আমি আপনাদের সবার কাছে কিছুটা সময় চাইছি। আমি ধীরে ধীরে আমার দেওয়া সমস্ত প্রতিশ্রুতি পূরণ করব এবং সেগুলো বাস্তবায়নে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করব।”
নিজের কাজের ব্যাপারে সবাইকে জানানো হবে উল্লেখ করে থালাপতি বলেন, “সবকিছু পর্যালোচনা করার পর, আমি জনগণের সামনে একটি ‘শ্বেতপত্র’ প্রকাশ করতে চাই। আমি চাই আমার সরকার হোক একটি স্বচ্ছ সরকার। এটাই আমার প্রথম কাজ হবে।”
বিজয় বলেন, “তামিলনাড়ুর স্বার্থে যদি আমাকে কারো সাথে দেখা করতে হয়, তবে তা গোপনে বা বন্ধ দরজার আড়ালে করব না। আমি যা কিছু করব, প্রকাশ্যে এবং স্বচ্ছতার সাথে করব।”
মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দেন বিজয়। তিনি বলেন, “আজ থেকে আমি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করব। আমাদের যুবসমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করা আমাদের পরম কর্তব্য। একইভাবে, আমি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করব এবং প্রত্যেকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করব। কেউ যদি আমাকে অপমানও করে, সে বন্ধু হোক বা শত্রু—এই রাজ্যের আট কোটি মানুষই আমার আপনজন। আমি নারীদের কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করব।”
বিজয় থালাপতি বলেন, “আমি নিজে কোনো ভুল কাজ করব না এবং আমার সাথে থাকা কাউকে ভুল করতে দেব না। কারো মনে যদি কোনো অসৎ চিন্তা থাকে, তবে তা এখনই মুছে ফেলুন।”

বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের পর এবার তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন থালাপতি বিজয়। তার সঙ্গে আজ রোববার শপথ নিয়েছেন তার দল টিভিকের ৯ নেতাও। শপথ নেওয়ার পরই বিজয় বলেছেন, “আমি জনগণের পকেট থেকে একটা পয়সাও স্পর্শ করব না।”
বিজয় বলেন, “দারিদ্র্য এবং ক্ষুধা কী, তা আমি জানি... আমি কোনো রাজপরিবারে জন্মাইনি। আমি আপনাদেরই একজন। আমি একজন সহকারী পরিচালকের ঘরে জন্মেছি বলে চলচ্চিত্রে সাফল্য পেয়েছি।”
জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বিজয় বলেন, “আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞতা নিয়ে এসেছি। আমি আপনাদের ‘থাম্বি’ (ছোট ভাই)।”
বিজয় বলেন, “আমি কোনো দেবদূত নই, একজন সাধারণ মানুষ। যা পূরণ করতে পারব না, এমন কোনো প্রতিশ্রুতি আমি দেব না। তবে এখন আমার এই আত্মবিশ্বাস আছে যে, আপনারা সঙ্গে থাকলে আমরা যেকোনো কিছু অর্জন করতে পারি।”
জনগণের কাছে সময় চেয়ে এই নেতা বলেন, “আমি আপনাদের সবার কাছে কিছুটা সময় চাইছি। আমি ধীরে ধীরে আমার দেওয়া সমস্ত প্রতিশ্রুতি পূরণ করব এবং সেগুলো বাস্তবায়নে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করব।”
নিজের কাজের ব্যাপারে সবাইকে জানানো হবে উল্লেখ করে থালাপতি বলেন, “সবকিছু পর্যালোচনা করার পর, আমি জনগণের সামনে একটি ‘শ্বেতপত্র’ প্রকাশ করতে চাই। আমি চাই আমার সরকার হোক একটি স্বচ্ছ সরকার। এটাই আমার প্রথম কাজ হবে।”
বিজয় বলেন, “তামিলনাড়ুর স্বার্থে যদি আমাকে কারো সাথে দেখা করতে হয়, তবে তা গোপনে বা বন্ধ দরজার আড়ালে করব না। আমি যা কিছু করব, প্রকাশ্যে এবং স্বচ্ছতার সাথে করব।”
মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দেন বিজয়। তিনি বলেন, “আজ থেকে আমি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করব। আমাদের যুবসমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করা আমাদের পরম কর্তব্য। একইভাবে, আমি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করব এবং প্রত্যেকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করব। কেউ যদি আমাকে অপমানও করে, সে বন্ধু হোক বা শত্রু—এই রাজ্যের আট কোটি মানুষই আমার আপনজন। আমি নারীদের কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করব।”
বিজয় থালাপতি বলেন, “আমি নিজে কোনো ভুল কাজ করব না এবং আমার সাথে থাকা কাউকে ভুল করতে দেব না। কারো মনে যদি কোনো অসৎ চিন্তা থাকে, তবে তা এখনই মুছে ফেলুন।”

তেনেফেরি’র ক্যান্ডেলারিয়া হাসপাতালে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) প্রস্তুত রয়েছে। হাসপাতালের আইসিইউ প্রধান মার মার্টিন বলেন, “আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা এর আগে কখনো হান্টাভাইরাস দেখিনি কিন্তু এটি একটি ভাইরাস মাত্র, যা আমরা প্রতিদিন মোকাবিলা করি। আমরা এর জন্য পুরোপুরি প্রশিক্ষিত।”

গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে অর্থমন্ত্রী “ওয়ান ভিলেজ ওয়ান প্রোডাক্ট” ধারণার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, বরিশালের শীতল পাটির মতো দেশীয় পণ্যকে যদি সঠিক সহায়তা ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে অ্যামাজন বা আলিবাবার মতো বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে পৌঁছে দেওয়া যায়, তবে তা জিডিপিতে বড় ভূমিকা রাখবে।