
ঢাকার আমিনবাজার ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মাতুয়াইলে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ লক্ষ্যে প্রকল্প দুটির অগ্রগতি নিয়ে বৈঠক করেছেন তিনি।

সম্প্রতি জুন মাসের বিদ্যুতের অস্বাভাবিক বিলের অভিযোগ করেছেন প্রি-পেইড কিংবা পোস্টপেইডের অনেক গ্রাহক। সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ করছে ‘ক্যাব’। বছরের শেষে সিস্টেম লস কম দেখাতে বাড়তি বিল করার প্রবণতার অভিযোগ করেছে সংস্থাটি। এই বিষয়ে কী বলছে সরকার? যা বলছে- তা কি ভোক্তার কথার সঙ্গে মিলছে?

ডিজিটাল ব্যবধান কমানো এআইয়ের ক্ষেত্রে বৈশ্বিক ভারসাম্য ও নিয়ন্ত্রণের আরেকটি অগ্রাধিকার হওয়া উচিত উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য স্বশিক্ষণক্ষম এই প্রযুক্তিতে নিশ্চিত প্রবেশাধিকার। পাশাপাশি ২০৩০ সালের মধ্যে সব এআই ডেটা সেন্টার নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে পরিচালিত হওয়া উচিত বলে জোর দেন জাতিসংঘ মহাসচিব।

২০২১ সালে উদ্যোগ নেওয়া হলেও এখনো বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে না বাংলাদেশে। এটি বুঝতে পিডিবির ডেটার দিকে তাকাতে হয় না। নগরীর আবর্জনা ব্যবস্থাপনা আর দূষণ দেখেই বোঝা যায় বর্জ্য-বিদ্যুৎ যুগে প্রবেশ করতে পারেনি বাংলাদেশ। অথচ বাংলাদেশে বিদ্যুতের ক্ষুধা আছে। নগরীতে পর্যাপ্ত আবর্জনা আছে।

পিডিবির কর্মকর্তারা জানান, বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় বাধা অর্থ সংকট। পিডিবির কাছে সরকারি-বেসরকারি কোম্পানিগুলোর বিল পাওনা ৪৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে বেসরকারি খাতে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পাবে ১৫ হাজার কোটি টাকার বেশি।

পরিস্থিতির উন্নতির কথা জানিয়ে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, “গতকালকে খারাপ ছিল। আজকে আল্লাহর রহমতে সেখান থেকে আমরা উত্তরণ করতে পেরেছি।”

দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে ঢাকায় লোডশেডিং দিতে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তবে কোন দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়েছে তা জানাননি মন্ত্রী।
জ্বালানী তেল, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে নতুন রাজনৈতিক সংগঠন নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন- এনপিএ। বিকেলে সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশে এনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে বর্তমান সরকারের গৃহীত পদক্ষ

আগামী ১৫ জুন থেকে বাংলাদেশে কেবল ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করবে নেপাল। প্রথমে ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করার কথা থাকলেও ভারত অনুমোদন না দেওয়ায় বাড়তি ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঢাকায় আসছে না।

দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র (আরএনপিপি) চলতি বছরের আগস্টের শেষ নাগাদ জাতীয় গ্রিডে প্রথমবারের মতো বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে সক্ষম হবে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

সংগঠনটির মতে, বিদ্যুৎ খাতের কাঠামোগত অদক্ষতা ও ক্যাপাসিটি চার্জের আর্থিক বোঝা উৎপাদনশীল শিল্পখাতের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে সামগ্রিক জাতীয় উন্নয়ন ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে মূল্য বৃদ্ধির করার প্রসঙ্গ বিরোধী দল যেভাবে সামনে আনছে, সেখানে ভুল তথ্য রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

বিতরণ কোম্পানিগুলোর এই আবেদনের প্রেক্ষিতে পুনরায় শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরী কমিশন আইন, ২০০৩ এবং বাংলাদেশ বিদ্যুৎ বিতরণ ট্যারিফ প্রবিধানমালা, ২০২৬ অনুযায়ী বর্ধিত মূল্যহার কার্যকর না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিদ্যুৎ বিভাগ মনে করে এর ফলে প্রান্তিক গ্রাহকেরা (লাইফলাইন) বিশেষ করে নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর বিদ্যুৎ খাতে ব্যয় অনেক বেড়ে যাবে। ফলে তাদের জীবনযাত্রার ওপর বিরুপ প্রভাব পড়তে পারে।

এর আগে এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ হার ছিল ৮ দশমিক ৫ শতাংশ। সেটা ২০২৪ সালে। এ হিসাবে আগের সর্বোচ্চ হারের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ হারে বাড়ানো হয়েছে বিদ্যুতের দাম।

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি নিয়ে সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, সরকার চালাকি করে সংসদে বাজেট অধিবেশনের ৪ দিন আগে মূল্যবৃদ্ধি করে নিয়েছে।

খুচরা পর্যায়ের ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ সাশ্রয় কার্যক্রম জোরদার করতে দেশের সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকান আবারও সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে সব ধরনের বিলবোর্ডের আলোকসজ্জা সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে। এছাড়া চলমান ও চলছে এমন মেলা, বাণিজ্য মেলা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে শেষ করতে

ঈদের আগে ও পরে কয়েকদিন দেশব্যাপী বিশেষ কন্ট্রোল রুম চালু থাকবে। কোথাও বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিলে দ্রুত সমাধানে মাঠপর্যায়ে প্রকৌশলী, লাইনম্যান ও কারিগরি টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে বিদ্যুৎ খাতের জন্য এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ সাজানো হয়েছিল। বিদ্যুৎ বিতরণ ও সঞ্চালন কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য