চরচা ডেস্ক

তীব্র শীত ও তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে আমেরিকা। রেকর্ড পরিমাণ তুষারপাতে চাপা পড়েছে রাস্তাঘাট ও ঘরবাড়ি। বাতিল করা হয়েছে হাজার হাজার ফ্লাইট। তুষারঝড়ের কারণে বিদ্যুৎ–বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন লাখো মানুষ। এ দুর্যোগে আমেরিকাজুড়ে অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বার্তা সংস্থা এপির বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
আমেরিকার জাতীয় আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, পিটসবার্গের উত্তরের এলাকাগুলোতে প্রায় ২০ ইঞ্চি পর্যন্ত তুষারপাত হয়েছে। স্থানীয় সময় সোমবার গভীর রাত থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত সেখানে তাপমাত্রা মাইনাস মাইনাস ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
এদিকে, এই দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। ম্যাসাচুসেটস ও ওহাইওতে বরফ পরিষ্কারকারী গাড়ির নিচে চাপা পড়ে দুজন নিহত হয়েছেন। আরকানসাস ও টেক্সাসে স্লেজ চালানোর সময় দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে কয়েকজনের। নিউইয়র্ক সিটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রচণ্ড ঠান্ডায় আটজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। টেনেসি ও লুইজিয়ানাস থেকেও মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
তুষারঝড়ের কারণে গত রোববার আমেরিকাজুড়ে ১১ হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছিল। গতকাল সোমবার প্রায় ২০ হাজার ফ্লাইট বাতিল করা হয়। এ ছাড়া গতকাল ভোর চারটা পর্যন্ত বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন হয়ে ছিলেন টেক্সাস থেকে ভার্জিনিয়া পর্যন্ত ৮ লাখ ২০ হাজারের বেশি গ্রাহক।
পরিস্থিতি বিবেচনায় আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে এক ডজনেরও বেশি রাজ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানিও নাগরিকদের নিরাপত্তার স্বার্থে ঘরে থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন।
আমেরিকার মধ্য-পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের মাইনাস ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে গেছে, যা কয়েক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন। শীতের এ তীব্রতা ছড়িয়েছে আমেরিকার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নিউইয়র্ক ও ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্য থেকে দক্ষিণের টেক্সাস ও নর্থ ক্যারোলাইনা পর্যন্ত। এক ফুটের বেশি পুরু বরফের স্তর আরকানসাস থেকে নিউ ইংল্যান্ড পর্যন্ত প্রায় এক হাজার ৩০০ মাইল এলাকাজুড়ে বিস্তৃত হয়ে পড়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বরফ জমার কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং এই পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন স্থায়ী হতে পারে। ফিলাডেলফিয়া ও হিউস্টনসহ অনেক জায়গায় সোমবার স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

তীব্র শীত ও তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে আমেরিকা। রেকর্ড পরিমাণ তুষারপাতে চাপা পড়েছে রাস্তাঘাট ও ঘরবাড়ি। বাতিল করা হয়েছে হাজার হাজার ফ্লাইট। তুষারঝড়ের কারণে বিদ্যুৎ–বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন লাখো মানুষ। এ দুর্যোগে আমেরিকাজুড়ে অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বার্তা সংস্থা এপির বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
আমেরিকার জাতীয় আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, পিটসবার্গের উত্তরের এলাকাগুলোতে প্রায় ২০ ইঞ্চি পর্যন্ত তুষারপাত হয়েছে। স্থানীয় সময় সোমবার গভীর রাত থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত সেখানে তাপমাত্রা মাইনাস মাইনাস ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
এদিকে, এই দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। ম্যাসাচুসেটস ও ওহাইওতে বরফ পরিষ্কারকারী গাড়ির নিচে চাপা পড়ে দুজন নিহত হয়েছেন। আরকানসাস ও টেক্সাসে স্লেজ চালানোর সময় দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে কয়েকজনের। নিউইয়র্ক সিটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রচণ্ড ঠান্ডায় আটজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। টেনেসি ও লুইজিয়ানাস থেকেও মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
তুষারঝড়ের কারণে গত রোববার আমেরিকাজুড়ে ১১ হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছিল। গতকাল সোমবার প্রায় ২০ হাজার ফ্লাইট বাতিল করা হয়। এ ছাড়া গতকাল ভোর চারটা পর্যন্ত বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন হয়ে ছিলেন টেক্সাস থেকে ভার্জিনিয়া পর্যন্ত ৮ লাখ ২০ হাজারের বেশি গ্রাহক।
পরিস্থিতি বিবেচনায় আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে এক ডজনেরও বেশি রাজ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানিও নাগরিকদের নিরাপত্তার স্বার্থে ঘরে থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন।
আমেরিকার মধ্য-পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের মাইনাস ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে গেছে, যা কয়েক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন। শীতের এ তীব্রতা ছড়িয়েছে আমেরিকার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নিউইয়র্ক ও ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্য থেকে দক্ষিণের টেক্সাস ও নর্থ ক্যারোলাইনা পর্যন্ত। এক ফুটের বেশি পুরু বরফের স্তর আরকানসাস থেকে নিউ ইংল্যান্ড পর্যন্ত প্রায় এক হাজার ৩০০ মাইল এলাকাজুড়ে বিস্তৃত হয়ে পড়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বরফ জমার কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং এই পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন স্থায়ী হতে পারে। ফিলাডেলফিয়া ও হিউস্টনসহ অনেক জায়গায় সোমবার স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।