
প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাইফুল আলমের নামে ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির একটি হিসাবে থাকা ৭৭ লাখ ৫৬৯ টাকা অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জেনারেল রেজা তেলাই-নিক হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, আমেরিকা বা ইসরায়েল আক্রমণ করলে তার প্রতিশোধ অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি কঠোর হবে।

আইন আল–আসাদ ঘাঁটিটি দীর্ঘদিন ধরে আঞ্চলিক উত্তেজনার অন্যতম কেন্দ্র ছিল। বিশেষ করে ২০২০ সালে ইরানি জেনারেল কাসেম সোলাইমানি নিহত হওয়ার পর ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর একাধিক হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল ঘাঁটিটি।

মন্ত্রণালয় জানায়, ২০১৯ সাল থেকে সংগঠনটির যেকোনো সম্ভাব্য পুনরুত্থান ঠেকাতে রয়্যাল এয়ার ফোর্স সিরিয়ার আকাশে টহল চালিয়ে আসছে।

বর্তমানে তুরস্ক আবারও দক্ষিণ এশিয়ায় শক্ত অবস্থান তৈরির চেষ্টা করছে, যা মূলত তাদের ‘নব্য-অটোমান’ পররাষ্ট্রনীতির অংশ। প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান অটোমান এবং মুঘল সাম্রাজ্যের পতনকে একটি ট্র্যাজেডি হিসেবে দেখেন, যা সংশোধন করা প্রয়োজন।

একটি দায়িত্বশীল শক্তি এভাবে সামরিক চাপ বাড়াতে পারে না। তবে তিনি আশ্বস্ত করেন, তাইওয়ান সংঘাত উসকে দেবে না। তবে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

চলতি বছরের মে মাসে একটি সংঘর্ষে এক কম্বোডীয় সেনার মৃত্যু হলে থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়ার দীর্ঘদিনের বিরোধটি নতুন করে শুরু হয়। এরপর থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই প্রতিবেশী দেশ দুটি এ বছর বেশ কয়েকবার সশস্ত্র সংঘাতে লিপ্ত হয়েছে, যার ফলে সীমান্তের উভয় পাশের লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

পাকিস্তানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বহরের জন্য ৬৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার মূল্যের উন্নত প্রযুক্তি ও সহায়তা পরিষেবা বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে আমেরিকা।

ভারত সরকার দীর্ঘদিন ধরেই অস্ত্র উৎপাদনে স্বনির্ভরতা চাইছে। যে কারণে সরকারের পরিকল্পনা, প্রতিরক্ষা খাতে ব্যবহৃত অস্ত্র ও তার যন্ত্রাংশের বড় অংশ যেন দেশেই ডিজাইন ও উৎপাদন করা হয়।

রাজনাথ সিং বলেন, “নয়াদিল্লি বাংলাদেশের সঙ্গে উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক চায় না এবং প্রধান উপদেষ্টার ইউনূসের উচিত, তিনি কী বলছেন, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা।”

গত শনিবার সোশ্যাল মিডিয়া এক্স-এ পিট হেগসেথ জানান, আগের রাতে চীনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডং জুন-এর সাথে তার ফোন কলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আমেরিকার যুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এই প্রধান বলেছেন, এই চুক্তিটি ভারত-আমেরিকা প্রতিরক্ষা অংশীদারত্বকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। চুক্তিটিকে ‘আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং প্রতিরোধের জন্য একটি ভিত্তিপ্রস্তর’ হিসাবে বর্ণনা করেন তিনি।