চরচা প্রতিবেদক

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাইফুল আলমের নামে ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির একটি হিসাবে থাকা ৭৭ লাখ ৫৬৯ টাকা অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার স্ত্রী লুবনা আফরোজা, দুই কন্যা সারাহ জুমানা ও জারিফা বিনতে আলমের নামে ট্রাস্ট সিটি প্রকল্পে দুই কোটি ৭৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকার ৫ কাঠা জমি জব্দের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
দুদকের পক্ষে সংস্থার উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ এবং জমি জব্দ চেয়ে আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, সাইফুল আলমের দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণী যাচাই করে অনুসন্ধানপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য একটি অনুসন্ধান টিম গঠন করা হয়েছে।
অনুসন্ধানকালে বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া ভিত্তিতে জানা যায়, সাইফুল আলম ও তার পরিবারের সদস্যরা ব্যাংক হিসাবের অর্থ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। একই সাথে লুবনা আফরোজা, দুই কন্যা সারাহ জুমানা ও জারিফা বিনতে আলমের নামে প্লট ক্রয়ের জন্য জমা করা প্লটের টাকা (রেজিস্ট্রেশন এখনো সম্পন্ন হয়নি) উত্তোলন করে অপরাধলব্ধ সম্পদ গোপন করার চেষ্টা করছেন।
অনুসন্ধান নিষ্পত্তির আগে এসব সম্পদ পুনরায় হস্তান্তর বা স্থানান্তর হয়ে গেলে পরবর্তীতে সেগুলো উদ্ধারকরণ দুরূহ হয়ে পরবে। এজন্য ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ এবং স্থাবর সম্পদ জব্দ করা একান্ত আবশ্যক।

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাইফুল আলমের নামে ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির একটি হিসাবে থাকা ৭৭ লাখ ৫৬৯ টাকা অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার স্ত্রী লুবনা আফরোজা, দুই কন্যা সারাহ জুমানা ও জারিফা বিনতে আলমের নামে ট্রাস্ট সিটি প্রকল্পে দুই কোটি ৭৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকার ৫ কাঠা জমি জব্দের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
দুদকের পক্ষে সংস্থার উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ এবং জমি জব্দ চেয়ে আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, সাইফুল আলমের দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণী যাচাই করে অনুসন্ধানপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য একটি অনুসন্ধান টিম গঠন করা হয়েছে।
অনুসন্ধানকালে বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া ভিত্তিতে জানা যায়, সাইফুল আলম ও তার পরিবারের সদস্যরা ব্যাংক হিসাবের অর্থ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। একই সাথে লুবনা আফরোজা, দুই কন্যা সারাহ জুমানা ও জারিফা বিনতে আলমের নামে প্লট ক্রয়ের জন্য জমা করা প্লটের টাকা (রেজিস্ট্রেশন এখনো সম্পন্ন হয়নি) উত্তোলন করে অপরাধলব্ধ সম্পদ গোপন করার চেষ্টা করছেন।
অনুসন্ধান নিষ্পত্তির আগে এসব সম্পদ পুনরায় হস্তান্তর বা স্থানান্তর হয়ে গেলে পরবর্তীতে সেগুলো উদ্ধারকরণ দুরূহ হয়ে পরবে। এজন্য ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ এবং স্থাবর সম্পদ জব্দ করা একান্ত আবশ্যক।