
বিগত এক বছর ধরে থাইল্যান্ড তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে, যেখানে দুইজন প্রধানমন্ত্রীকে আদালত বরখাস্ত করেছে।

নেপালি ভোটারদের কাছে এখনও দুর্নীতিই প্রধান সমস্যা। এই উদ্বেগের গভীরে রয়েছে তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম উৎকণ্ঠাও। নেপালের জনগণের গড় বয়স ২৬ বছর হলেও, দেশটির অর্থনীতি তরুণদেরকে তেমন কিছুই দিতে পারছে না।

জনসমক্ষে বোরকা নিষিদ্ধের দাবির অংশ হিসেবে পলিন পার্লামেন্টে অসম্মানজনকভাবে বোরকা পরে প্রবেশ করেন, যা দেশজুড়ে ও সংসদে তীব্র সমালোচনার জন্ম দেয়।

নেপালের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী কে.পি. শর্মা অলি সাম্প্রতিক বিক্ষোভ-উত্তাল পরিস্থিতির পর পার্লামেন্ট পুনর্বহালের দাবি তুলেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষেধাজ্ঞা ঘিরে শুরু হওয়া জেন জি আন্দোলন ও তরুণদের ক্রমবর্ধমান ক্ষোভ নেপালের রাজনৈতিক সংকটকে আরও জটিল করে তুলেছে।

ঘটনার সূত্রপাত গত সপ্তাহে জাপানের পার্লামেন্ট থেকে। সেখানে এক বিরোধী আইনপ্রণেতা তাকাইচির কাছে জানতে চান, তাইওয়ান ইস্যুতে জাপানের অস্তিত্বের জন্য হুমকি এলে কী পরিস্থিতি হতে পারে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিলটির খসড়া প্রণয়নে ভূমিকা রাখা রিপাবলিকান সিনেটর সুসান কলিন্স বলেন, “আমরা ফের সরকারকে সচল করতে যাচ্ছি, আমরা নিশ্চিত করব ফেডারেল কর্মীরা এখন তাদের অর্জিত ও প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ পাবেন।”

সূত্রের বরাত দিয়ে সিবিএস জানিয়েছে, দুই দলের চুক্তির আওতায় শাটডাউনের সময় যে সব কর্মীকে ছাঁটাইয়ের নোটিশ দেওয়া হয়েছিল, তা প্রত্যাহার করা হবে। এছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন অর্থায়নের মেয়াদও জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানোর কথা রয়েছে চুক্তিতে।

এ পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে আরও কয়েকদিন লাগবে। ডেমোক্র্যাট পার্টির শীর্ষ নেতৃত্বসহ বেশিরভাগ সিনেটর সমঝোতার বিরোধী হওয়ায় তারা চাইলে বিলটি পাসের প্রক্রিয়াকে আরও ধীরগতির করে দিতে পারেন।

ভোটটি এমন সময় হয়েছে যখন আমেরিকা চাইছে, পশ্চিম তীর ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত না হোক। লিকুদ পার্টি বলেছে, এই ভোট ‘বিরোধী দলের উসকানি’ এবং এটি আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করতে পারে।

মূলত মুসলিম নারীদের বোরকা ও নিকাবের ব্যবহার লক্ষ্য করে বিলটি পার্লামেন্টে তোলা হয়েছিল। গতকাল শুক্রবার পাস হওয়া বিলটিতে জনসমক্ষে নিকাব ও বোরকার পরার জন্য ২০০ থেকে ৪ হাজার ইউরো জরিমানা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সেই সঙ্গে কাউকে তা পরতে বাধ্য করলে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

নেপালে তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে সংসদ ভেঙে দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি, যিনি দেশটির ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার পর নেপালেও সহিংস আন্দোলনের কারণে সরকারের পতন হলো। সামাজিক মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ২০-এর বেশি নিহত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি পদত্যাগ করেন। বিক্ষোভকারীরা সংসদে ঢুকে হামলা চালিয়েছে এবং কয়েকজন রাজনীতিকের বাড়িতে আগুন দিয়েছে।