চরচা ডেস্ক

জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সরকারি খরচ বৃদ্ধি, কর কমানো এবং দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার জন্য জনগণের সমর্থন পেতেই তিনি এই আগাম নির্বাচনের ডাক দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই নির্বাচনের ওপর তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। দেশের শাসনভার তার হাতে থাকবে কি না, সে বিষয়ে তিনি সরাসরি জনগণের রায় চেয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, আগামী দুই বছর খাবারের ওপর থাকা ৮% ‘কনজাম্পশন ট্যাক্স’ স্থগিত রাখা হবে। তার মতে, এর ফলে কর্মসংস্থান বাড়বে এবং সাধারণ মানুষের খরচ করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।
কর কমানোর এই সিদ্ধান্তের ফলে সরকারের বছরে প্রায় ৫ ট্রিলিয়ন ইয়েন বা ৩২ বিলিয়ন ডলার রাজস্ব ক্ষতি হতে পারে। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে জাপানের সরকারি বন্ডের সুদের হার গত ২৭ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
গত অক্টোবর মাসে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই হবে তাকাইচির জন্য প্রথম বড় নির্বাচনী পরীক্ষা। এই ভোটের মাধ্যমে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের ৪৬৫টি আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে। বর্তমানে জাপানের প্রধান দুশ্চিন্তা হলো দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি। জাপানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এনএইচকে-এর এক জরিপ অনুযায়ী, ৪৫ শতাংশ মানুষ ক্রমবর্ধমান দাম নিয়ে চিন্তিত এবং ১৬ শতাংশ মানুষের কাছে কূটনীতি ও নিরাপত্তা বড় ইস্যু।

জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সরকারি খরচ বৃদ্ধি, কর কমানো এবং দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার জন্য জনগণের সমর্থন পেতেই তিনি এই আগাম নির্বাচনের ডাক দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই নির্বাচনের ওপর তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। দেশের শাসনভার তার হাতে থাকবে কি না, সে বিষয়ে তিনি সরাসরি জনগণের রায় চেয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, আগামী দুই বছর খাবারের ওপর থাকা ৮% ‘কনজাম্পশন ট্যাক্স’ স্থগিত রাখা হবে। তার মতে, এর ফলে কর্মসংস্থান বাড়বে এবং সাধারণ মানুষের খরচ করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।
কর কমানোর এই সিদ্ধান্তের ফলে সরকারের বছরে প্রায় ৫ ট্রিলিয়ন ইয়েন বা ৩২ বিলিয়ন ডলার রাজস্ব ক্ষতি হতে পারে। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে জাপানের সরকারি বন্ডের সুদের হার গত ২৭ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
গত অক্টোবর মাসে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই হবে তাকাইচির জন্য প্রথম বড় নির্বাচনী পরীক্ষা। এই ভোটের মাধ্যমে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের ৪৬৫টি আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে। বর্তমানে জাপানের প্রধান দুশ্চিন্তা হলো দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি। জাপানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এনএইচকে-এর এক জরিপ অনুযায়ী, ৪৫ শতাংশ মানুষ ক্রমবর্ধমান দাম নিয়ে চিন্তিত এবং ১৬ শতাংশ মানুষের কাছে কূটনীতি ও নিরাপত্তা বড় ইস্যু।