
এআই প্রযুক্তি এবার ব্যবহার হবে দৈনন্দিন জীবনে। এবারের কনজিউমার ইলেকট্রনিক শোতে এমন সব এআই প্রযুক্তি উঠে এসেছে, যা স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চুলের স্টাইলসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা যাবে। প্রদর্শনীতে এআই প্রযুক্তি নির্ভর একধরনের মানবসাদৃশ রোবটও ছিল, যা ভবিষ্যতে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করা যাবে।

অনেক সময় মনে হতে পারে, একটি পাকা চুল তোলার পর হঠাৎ আরও পাকা চুল দেখা যাচ্ছে। আসলে এটি চুল তোলার কারণে নয়, বরং বয়সজনিত স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ।

বাস্তবতা হলো, অনেক জনপ্রিয় পণ্যের ভেতরে থাকা কিছু উপাদান দীর্ঘমেয়াদে ত্বক, চুল এমনকি পুরো শরীরের জন্য ভয়ানক ক্ষতির কারণ হতে পারে। দীর্ঘদিন ব্যবহারে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট, ত্বকের অ্যালার্জি, এমনকি প্রজনন স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা আছে।

পুষ্টিহীনতার এসব লক্ষণ যদি নিয়মিত দেখা দেয়, তবে খাদ্যাভ্যাসে নজর দেওয়া জরুরি। প্রতিদিন ফল, শাকসবজি, আমিষ, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও যথেষ্ট পানি রাখলে ধীরে ধীরে শরীর তার ভারসাম্য ফিরে পায়।

রোজ খালি পেটে মাত্র দুটি খেজুর অতি সাধারণ একটি অভ্যাস, কিন্তু উপকার অনেক। নিয়মিত এই ছোট্ট অভ্যাসটি শরীরকে ভেতর থেকে এমনভাবে সক্রিয় করে, যা সারাদিনের কর্মক্ষমতা, হজম, ত্বক ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যকে ভালোভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

বিশেষ করে সকালের নাস্তায় কিছু নির্দিষ্ট বীজ যোগ করলে চুলের প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ভালো ফ্যাট, ভিটামিন ও খনিজ সহজেই পাওয়া যায়। এই বীজগুলো পুষ্টিতে ভরপুর। ছোট ছোট বীজ হলেও এগুলো চুলের ভেতরের পুষ্টি ঘাটতি পূরণ করে চুলকে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করে।

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মাথার চুলেও পাক ধরে। তবে অনেকের কম বয়সেও চুল পাকতে দেখা যায়। মূলত ফলিকলের রঞ্জক কোষের কারণে চুলের নির্দিষ্ট রঙ (কালো, বাদামি, লালচে, সোনালি ইত্যাদি) হয়। সেই কোষ মারা গেলে চুলের রঙ ধূসর বা সাদা হয়ে যায়।