চরচা ডেস্ক

চুলের সৌন্দর্য অনেকটাই নির্ভর করে আমাদের দৈনন্দিন খাবারের ওপর। শুধু দামি শ্যাম্পু বা ট্রিটমেন্ট নয়, শরীরে ভেতর থেকে পুষ্টি দেওয়া চুল মজবুত ও ঘন রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায়। বিশেষ করে সকালের নাস্তায় কিছু নির্দিষ্ট বীজ যোগ করলে চুলের প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ভালো ফ্যাট, ভিটামিন ও খনিজ সহজেই পাওয়া যায়। এই বীজগুলো পুষ্টিতে ভরপুর।
চুলের স্বাস্থ্য রক্ষায় সকালের ব্রেকফাস্টে যে ৫টি বীজ রাখা যেতে পারে, সেগুলো হলো:
ফ্ল্যাক্সসিড (তিসি বীজ)
তিসি বীজ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের অন্যতম সেরা উদ্ভিজ্জ উৎস। ওমেগা-৩ চুলের ফোলিকলে পুষ্টি জোগায়, শুষ্কতা কমায় এবং মাথার ত্বকের ইনফ্ল্যামেশন কমাতে সাহায্য করে। এতে থাকা লিগনানস নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চুল পড়া রোধে ভূমিকা রাখে। সকালে ওটস, দই, স্মুদি বা খিচুড়ির সঙ্গে এক চা-চামচ গুঁড়া তিসি বীজ মিশিয়ে খেতে পারেন।
চিয়া সিড
চিয়া সিডে আছে প্রোটিন, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। চুলের দৈর্ঘ্য বাড়াতে এবং গোড়া শক্তিশালী করতে চিয়া সিড খুব সহায়ক। এটি মাথার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে, ফলে চুল হয় কম ভঙ্গুর। চিয়া সিড পুডিং, দই, মিল্কশেক বা পানিতে মিশিয়ে জেল বানিয়ে খাওয়া যায়।

কুমড়োর বীজ
কুমড়োর বীজে রয়েছে জিঙ্ক, আয়রন, ভিটামিন ই- যেগুলো চুলের বৃদ্ধিতে অপরিহার্য। জিঙ্ক চুলের গঠন শক্ত করে এবং মাথার ত্বকের তেল উৎপাদনকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। পাশাপাশি কুমড়োর বীজে থাকা প্রোটিন চুল ঘন করে। ওটস, সালাদ বা বাদাম মিক্সে মিশিয়ে খান। সকালের দইয়ের উপর ছিটিয়েও খেতে পারেন। খিচুড়ি বা মিক্স সবজির সঙ্গেও মিশিয়ে খাওয়া যায়।
সূর্যমুখীর বীজ
ভিটামিন বি৬, ভিটামিন ই, সেলেনিয়াম ও কপার- সূর্যমুখীর বীজে রয়েছে এসব পুষ্টি উপাদান। ভিটামিন ই রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, যা মাথার ত্বকের গভীরে পুষ্টি পৌঁছাতে সহায়তা করে। এছাড়া সেলেনিয়াম স্ক্যাল্পকে পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যকর রাখতে ভূমিকা রাখে। টোস্ট, স্মুদি বোল, ওটস এক টেবিলচামচ যোগ করলেই যথেষ্ট।

তিল বীজ
তিলের বীজে রয়েছে কপার, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি অ্যাসিড। এটি চুলের প্রাকৃতিক রং বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং পাকা চুল প্রতিরোধে সহায়ক। পাশাপাশি তিলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট চুলকে পরিবেশগত ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। রুটি, পরোটা, ওটস বা দইয়ের সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন। যেকোন তরকারিতে ভাজা তিল ছিটিয়েও খাওয়া যায়।
চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে নিয়মিত এই বীজগুলোকে সকালের নাস্তায় যোগ করা খুবই সহজ এবং কার্যকর একটি উপায়। ছোট ছোট বীজ হলেও এগুলো চুলের ভেতরের পুষ্টি ঘাটতি পূরণ করে চুলকে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করে। প্রতিদিন এক-দু’টি বীজ পালা করে খেলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ফল পাওয়া শুরু হয়।
তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

চুলের সৌন্দর্য অনেকটাই নির্ভর করে আমাদের দৈনন্দিন খাবারের ওপর। শুধু দামি শ্যাম্পু বা ট্রিটমেন্ট নয়, শরীরে ভেতর থেকে পুষ্টি দেওয়া চুল মজবুত ও ঘন রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায়। বিশেষ করে সকালের নাস্তায় কিছু নির্দিষ্ট বীজ যোগ করলে চুলের প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ভালো ফ্যাট, ভিটামিন ও খনিজ সহজেই পাওয়া যায়। এই বীজগুলো পুষ্টিতে ভরপুর।
চুলের স্বাস্থ্য রক্ষায় সকালের ব্রেকফাস্টে যে ৫টি বীজ রাখা যেতে পারে, সেগুলো হলো:
ফ্ল্যাক্সসিড (তিসি বীজ)
তিসি বীজ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের অন্যতম সেরা উদ্ভিজ্জ উৎস। ওমেগা-৩ চুলের ফোলিকলে পুষ্টি জোগায়, শুষ্কতা কমায় এবং মাথার ত্বকের ইনফ্ল্যামেশন কমাতে সাহায্য করে। এতে থাকা লিগনানস নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চুল পড়া রোধে ভূমিকা রাখে। সকালে ওটস, দই, স্মুদি বা খিচুড়ির সঙ্গে এক চা-চামচ গুঁড়া তিসি বীজ মিশিয়ে খেতে পারেন।
চিয়া সিড
চিয়া সিডে আছে প্রোটিন, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। চুলের দৈর্ঘ্য বাড়াতে এবং গোড়া শক্তিশালী করতে চিয়া সিড খুব সহায়ক। এটি মাথার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে, ফলে চুল হয় কম ভঙ্গুর। চিয়া সিড পুডিং, দই, মিল্কশেক বা পানিতে মিশিয়ে জেল বানিয়ে খাওয়া যায়।

কুমড়োর বীজ
কুমড়োর বীজে রয়েছে জিঙ্ক, আয়রন, ভিটামিন ই- যেগুলো চুলের বৃদ্ধিতে অপরিহার্য। জিঙ্ক চুলের গঠন শক্ত করে এবং মাথার ত্বকের তেল উৎপাদনকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। পাশাপাশি কুমড়োর বীজে থাকা প্রোটিন চুল ঘন করে। ওটস, সালাদ বা বাদাম মিক্সে মিশিয়ে খান। সকালের দইয়ের উপর ছিটিয়েও খেতে পারেন। খিচুড়ি বা মিক্স সবজির সঙ্গেও মিশিয়ে খাওয়া যায়।
সূর্যমুখীর বীজ
ভিটামিন বি৬, ভিটামিন ই, সেলেনিয়াম ও কপার- সূর্যমুখীর বীজে রয়েছে এসব পুষ্টি উপাদান। ভিটামিন ই রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, যা মাথার ত্বকের গভীরে পুষ্টি পৌঁছাতে সহায়তা করে। এছাড়া সেলেনিয়াম স্ক্যাল্পকে পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যকর রাখতে ভূমিকা রাখে। টোস্ট, স্মুদি বোল, ওটস এক টেবিলচামচ যোগ করলেই যথেষ্ট।

তিল বীজ
তিলের বীজে রয়েছে কপার, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি অ্যাসিড। এটি চুলের প্রাকৃতিক রং বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং পাকা চুল প্রতিরোধে সহায়ক। পাশাপাশি তিলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট চুলকে পরিবেশগত ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। রুটি, পরোটা, ওটস বা দইয়ের সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন। যেকোন তরকারিতে ভাজা তিল ছিটিয়েও খাওয়া যায়।
চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে নিয়মিত এই বীজগুলোকে সকালের নাস্তায় যোগ করা খুবই সহজ এবং কার্যকর একটি উপায়। ছোট ছোট বীজ হলেও এগুলো চুলের ভেতরের পুষ্টি ঘাটতি পূরণ করে চুলকে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করে। প্রতিদিন এক-দু’টি বীজ পালা করে খেলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ফল পাওয়া শুরু হয়।
তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস