Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৮ অক্টোবর, ২০২৬
১৮ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৮ অক্টোবর, ২০২৬
১৮ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> ভাবনা

মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর কি রিপাবলিকানদের জন্য অন্ধকার দিন অপেক্ষা করছে?

বার্নার্ড গোল্ডবার্গ

প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৫: ০৫
মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর কি রিপাবলিকানদের জন্য অন্ধকার দিন অপেক্ষা করছে?
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জর্জিয়ার ডালটনের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে ওয়াশিংটন ডিসিতে হোয়াইট হাউসের সাউথ লনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। ছবি: রয়টার্স

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশংসা করতেই হয়। তিনি ডেমোক্র্যাটদের ক্ষুব্ধ করেছেন, নিরপেক্ষ ভোটারদের দূরে ঠেলে দিয়েছেন, আর এখন—সব মিলিয়ে—রিপাবলিকানদেরও বিরক্ত করে তুলেছেন। মধ্যবর্তী নির্বাচনের আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাকি থাকতে, এটি খুব একটা বুদ্ধিদীপ্ত রাজনৈতিক কৌশল নয়।

Advertisement

নিউইয়র্ক টাইমসের একটি শিরোনামে যেমন বলা হয়েছে: “এমন ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, হতাশ রিপাবলিকান ভোটাররা নভেম্বরের নির্বাচনে ভোট দিতে না-ও যেতে পারেন।” মনে হচ্ছে, কিছু রিপাবলিকানও এখন আর সহ্য করতে পারছেন না। তারা বিশৃঙ্খলা, অবিরাম কলহ আর প্রতিদিনের নাটকীয়তায় ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। এক কথায়—বরং দুই কথায়—তারা ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর বিরক্ত।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

নিউইয়র্ক টাইমস মিশিগান হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের একজন সাবেক রিপাবলিকান সদস্যের মন্তব্য উদ্ধৃত করেছে: “মানুষ ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। তিনি যে সবসময় বিভাজন তৈরি করেন—এই বিষয়টি এখন এতটাই অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, মানুষ পুরোপুরি ক্লান্ত।” আর নিশ্চিতভাবেই বলা যায়, তিনি একা নন।

তাহলে ট্রাম্পের সমাধান কী? তিনি রিপাবলিকানদের বলছেন, এমনভাবে ভোট দিতে যেন তিনিই ব্যালটে প্রার্থী হিসেবে আছেন। তবে সাবধান, যা চাইছেন তা হিতে বিপরীত হতে পারে! কিছু রিপাবলিকান হয়তো তার পরামর্শ মেনে নেবেন—এবং ভোট দিতে না গিয়ে বাড়িতেই বসে থাকবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের কলম্বাসে ২০২২ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে আগাম ভোট দিতে ফ্র্যাঙ্কলিন কাউন্টি নির্বাচন বোর্ডে আসছেন ভোটাররা। ছবি: রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের কলম্বাসে ২০২২ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে আগাম ভোট দিতে ফ্র্যাঙ্কলিন কাউন্টি নির্বাচন বোর্ডে আসছেন ভোটাররা। ছবি: রয়টার্স

ট্রাম্প হয়তো এমনটা চাননি, তবে তাকে নিয়ে তো আর কেউ কখনো এমন অভিযোগ করেনি যে তিনি নিজের জনপ্রিয়তা কম করে দেখেন! ট্রাম্প সবসময়ই নিজের সবচেয়ে বড় ভক্ত। দেখে মনে হয়, তিনি ভাবেন—যেহেতু তিনি নিজেকে খুব ভালোবাসেন, তাই অন্য সবারও তাকে ভালোবাসাই উচিত।

নির্বাচনের দিন হতাশ রিপাবলিকানদের তিনি ভোটকেন্দ্রে আনতে পারেন কি না, তা খুব দ্রুতই জানা যাবে। তার আহ্বানটি সহজ: রিপাবলিকানদের ভোট দিন, নতুবা পস্তাতে হবে। কারণ, তার সতর্কবার্তা অনুযায়ী—ডেমোক্র্যাটরা যদি কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়, তবে সামনে অন্ধকার দিন অপেক্ষা করছে।

হয়তো তাই। তবে একটি বিষয় আমরা আরও নিশ্চিতভাবে বলতে পারি: ডেমোক্র্যাটরা যদি প্রতিনিধি পরিষদ (হাউস)—এবং সম্ভবত সিনেট—দখল করে নেয়, তবে সত্যিই অন্ধকার দিন নেমে আসবে। বিশেষ করে ট্রাম্প এবং রিপাবলিকানদের জন্য। কারণ তখন তারা হঠাৎ করেই বুঝতে পারবেন, প্রতিপক্ষ দলের হাতে ক্ষমতা থাকলে জীবনটা কেমন হয়।

নিউইয়র্ক টাইমস: ট্রাম্পের প্রতি রিপাবলিকানদের হতাশা বাড়ছেTrump 1

তাহলে, প্রেসিডেন্ট যদি এমন পরিস্থিতিতে পড়েন যেখানে তার দল ক্ষমতার বাইরে চলে যায়, তবে তিনি কী আশা করতে পারেন? শুরু করা যাক অভিশংসন দিয়ে। ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে যারা কিছুটা বিচক্ষণ, তারা হয়তো বুঝতে পারবেন যে ট্রাম্পকে তৃতীয়বারের মতো অভিশংসিত করার চেষ্টা করাটা হবে একটি রাজনৈতিক ভুল। এমনকি যেসব আমেরিকান ট্রাম্পকে সহ্যই করতে পারেন না, তারাও হয়তো নতুন করে আরেকটি ‘অভিশংসন-তামাশা’ দেখতে চাইবেন না।

তবে কট্টর বামপন্থীরা রাজনৈতিক প্রজ্ঞার তোয়াক্কা করবে না। তারা যেকোনো মূল্যে ট্রাম্পকে জনসমক্ষে অপমানিত করতে চাইবে। আর এমন একটি জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে যে, হাউস মাইনরিটি লিডার হাকিম জেফ্রিস (ডেমোক্র্যাট-নিউইয়র্ক) যদি স্পিকার হন, তবে তিনি হয়তো নমনীয় হয়ে পড়তে পারেন। তিনি তখন বুঝতে পারবেন যে, নিজের দলের সবচেয়ে উচ্চকণ্ঠ সদস্যদের মোকাবিলা করা তাদের কাছে নতি স্বীকার করার চেয়ে অনেক বেশি কঠিন।

গুরুতর অপরাধ বা অসদাচরণের কথা বললে, ডেমোক্র্যাটরা নিশ্চিতভাবেই এমন কিছু খুঁজে বের করবে যা তাদের সংজ্ঞার সাথে মিলে যায়। উদাহরণ হিসেবে অনেক কিছুই আনা যেতে পারে—যেমন অভিবাসীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো, প্রেসিডেন্টের ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতা, হোয়াইট হাউসের ইস্ট উইং ভেঙে ফেলা, কিংবা ইরানের সাথে যুদ্ধ পরিস্থিতি।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের রাতে স্ত্রী ও পরিবারের সঙ্গে উদ্‌যাপন করছেন ফ্লোরিডার রিপাবলিকান গভর্নর রন ডিস্যান্টিস। ছবি: রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের রাতে স্ত্রী ও পরিবারের সঙ্গে উদ্‌যাপন করছেন ফ্লোরিডার রিপাবলিকান গভর্নর রন ডিস্যান্টিস। ছবি: রয়টার্স

আর শুধু ট্রাম্পের ক্ষেত্রেই বা কেন থেমে থাকবেন তারা? প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ, এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল এবং ট্রাম্পের অন্যান্য অনুগত ব্যক্তিরাও কংগ্রেসের নিশানায় পড়তে পারেন। এরপর আসবে তদন্তের পালা। একের পর এক তদন্ত।

ট্রাম্প পরিবারের ব্যবসা, জেফরি এপস্টেইন, শুল্ক নীতি, হোয়াইট হাউসের বলরুম, সংবাদমাধ্যমে নিজের সমালোচকদের ওপর প্রেসিডেন্টের আক্রমণ—এমনকি করদাতাদের অর্থে পরিচালিত বিজ্ঞাপনগুলোও—যা কাকতালীয়ভাবে ট্রাম্পকে অত্যন্ত চমৎকারভাবে তুলে ধরে—এসবই হতে পারে তদন্তের বিষয়।

ডেমোক্র্যাটরা হয়তো প্রেসিডেন্টকেই তলব করার চেষ্টা করতে পারে। তবে তাতে তাদের সাফল্য পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। ক্যাপিটল হিলে গিয়ে ডেমোক্র্যাটদের—যারা তাকে এবং তার সবকিছুকেই ঘৃণা করে—প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়ার কথা ভাবার আগেই, তিনি হয়তো তাদের জানিয়ে দেবেন যে তাদের এই তলবনামা নিয়ে তারা ঠিক কী করতে পারে!

ব্রাজিলে বলসোনারো জিতলে ট্রাম্পের লাভ কেন?Bolsonaro

তবে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের—যেমন তার চিফ অফ স্টাফ সুসি ওয়াইলসকে—কংগ্রেসনাল কমিটির সামনে হাজির করার ক্ষেত্রে ডেমোক্র্যাটরা হয়তো কিছুটা সফল হতে পারেন। সুসি ওয়াইলস এমন অনেক কিছুই জানেন যা ডেমোক্র্যাটরা তার মুখ থেকে—বিশেষ করে শপথের অধীনে—শুনতে অত্যন্ত আগ্রহী হবেন। যদিও এটি ঘটার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ, এমনকি বলা যায় প্রায় অসম্ভব; তবুও ডেমোক্র্যাটদের তাতে কিছু যায় আসে না—ট্রাম্পের শিবিরকে অস্বস্তিতে ফেলার জন্য তারা যেকোনো কিছুই করতে প্রস্তুত।

সুতরাং, প্রস্তুতি নিন—সামনে আসছে শুনানি, সমন, অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ এবং এমন সব রাজনৈতিক নাটক, যা কেবল টিভিসহ সংবাদমাধ্যমগুলোকে আরও এক দশক সচল রাখার জন্য যথেষ্ট।

অবশ্যই, এসব কিছুই যে ঘটবেই—এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। জনমত জরিপ আগেও ভুল হয়েছে, আবারও হতে পারে। তবে আমি সেটির ওপর বাজি ধরব না। বেশির ভাগ জনমত জরিপই একই ইঙ্গিত দিচ্ছে: ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা অনেকটা ফ্লু-এর মতোই—হয়তো তার চেয়েও কম। আর যেহেতু মধ্যবর্তী নির্বাচনগুলো মূলত প্রেসিডেন্টের কাজের একটি মূল্যায়ন বা ‘রিপোর্ট কার্ড’ হিসেবে কাজ করে, তাই রিপাবলিকানদের চিন্তিত হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে—বিশেষ করে যখন প্রেসিডেন্ট নিজেই এই নির্বাচনকে পুরোপুরি নিজের কেন্দ্রিক করে তোলার সিদ্ধান্তে অটল।

আর যদি ফলাফল রিপাবলিকানদের আশঙ্কার মতোই খারাপ হয়, তবে পরাজয়ের কারণ বিশ্লেষণের জন্য খুব বেশি অপেক্ষা করতে হবে না। সম্ভবত ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার ১০ সেকেন্ডের মধ্যেই সেই বিশ্লেষণ শুরু হয়ে যাবে।

যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিসে প্রাথমিক নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রে যাচ্ছেন ভোটাররা। ছবি: রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিসে প্রাথমিক নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রে যাচ্ছেন ভোটাররা। ছবি: রয়টার্স

ট্রাম্প ‘ভুয়া সংবাদ মাধ্যম’-কে দোষারোপ করবেন। তিনি কারচুপিপূর্ণ নির্বাচনের কথা বলে দায় চাপাবেন। তিনি ‘রাইনো’ (নামমাত্র রিপাবলিকান), অবিশ্বস্ত রিপাবলিকান, অযোগ্য প্রার্থী এবং হাতের কাছে পাওয়া অন্য যেকোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ওপর দোষ চাপাবেন।

তবে একটি বিষয় নিশ্চিত—নির্বাচনের দিন যা-ই ঘটুক না কেন, ট্রাম্প কাউকে না কাউকে দোষারোপ করবেনই। আর আমরা সবাই জানি, তিনি কাকে দোষারোপ করবেন না।

বার্নার্ড গোল্ডবার্গ: একজন লেখক ও সাংবাদিক, যিনি এমি পুরস্কার এবং আলফ্রেড আই. ডুপন্ট-কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

(এই লেখাটি মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য হিল–এর সৌজন্যে প্রকাশিত হলো।)

বিষয়: আমেরিকাডেমোক্র্যাটনির্বাচনডোনাল্ড ট্রাম্পকংগ্রেসরিপাবলিকান
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি ২০৮৮

  • ২

    রোহিঙ্গা ইস্যু: আইসিজেতে বাংলাদেশের পাশে থাকার অঙ্গীকার ওআইসির

  • ৩

    সীতাকুণ্ডে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে খুন হন যুবদল কর্মী বাপ্পি: পুলিশ

  • ৪

    বাংলাদেশে ঝিঁঝিঁ পোকার নতুন প্রজাতি শনাক্ত

  • ৫

    মেধা ও মানসিক কার্যক্ষমতা বজায় রাখার উপায়

সম্পর্কিত
  • জয়তু দেবী দুর্গা

    জয়তু দেবী দুর্গা

    বাংলাদেশে মাতৃপূজার যে বিচিত্র রূপ আছে সেগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বর্তমানে মাতৃদেবীর মধ্যে বহু যুগের বহু ধারা এসে মিশেছে। অনেক প্রাচীন ধারা মূল আমরা বেদের মধ্যেই লক্ষ্য করতে পারি।

  • ফ্রান্স এখন এক চরম সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে

    ফ্রান্স এখন এক চরম সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে

    ফরাসি ভাষায় এর একটি চমৎকার শব্দ আছে: ‘আন অঁগ্রেনাজ’। যার অর্থ এক দুষ্টচক্র বা ক্রমাগত অবনতির ঘূর্ণিপাক। ফ্রান্স ঠিক এমন এক পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই যাচ্ছে। এখানে বেশ কয়েকটি সংকট দীর্ঘ সময় ধরে দানা বাঁধছিল; এখন প্রতিটি সংকট অন্যগুলোকে আরও ত্বরান্বিত করে তোলার হুমকি সৃষ্টি করছে।

  • গোগোলের ওভারকোট বনাম রাজধানীর রাঙা দেয়াল: আকাকিদের গল্প কেন মিলে যায়?

    গোগোলের ওভারকোট বনাম রাজধানীর রাঙা দেয়াল: আকাকিদের গল্প কেন মিলে যায়?

    বেওয়ারিশ কুকুরের মতন ঢাকা শহরের এই সব আকাকিরা তাহলে কোথায় যাবে? তারাও কি ফুটপাথে বা রাস্তায় সিগারেট ফুঁকতে-ফুঁকতে বা মোবাইলে কথা বলতে-বলতে চলতে থাকা মধ্যবিত্তদের পথ রোধ করে পেটে বা গলায় ছুরি ধরে বলবে, ‘দে শালা! যা আছে, দিয়ে যা! নইলে ফুটা করে দেব’?

  • জনগণ কি ‘গৌরী সেন?’, ব্যাংক লুটের দায় কেন তারা নেবে?

    জনগণ কি ‘গৌরী সেন?’, ব্যাংক লুটের দায় কেন তারা নেবে?

    বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের আর্থিক ক্ষতি কাটাতে আগামী পাঁচ থেকে আট বছর পর্যন্ত প্রতি বছর ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান। পাঁচ বছরে এই অর্থের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩ লাখ কোটি টাকা, আট বছরে ৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা। এখন প্রশ্ন হলো, ব্যাংক লুট