Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ | স্বত্ব © চরচা
> ভাবনা

‘পদত্যাগী’ শিক্ষকদের পদ ও মর্যাদা ফিরিয়ে দিন

সোহরাব হাসান

সোহরাব হাসান

প্রকাশ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১: ০৫
‘পদত্যাগী’ শিক্ষকদের পদ ও মর্যাদা ফিরিয়ে দিন
ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

কয়েক দিন আগে উত্তরবঙ্গে অবস্থিত একটি বিশেষায়িত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ‘পদত্যাগী’ শিক্ষকের সঙ্গে কথা হয়। তিনি ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে সুনামের সঙ্গে এক যুগ কাজ করে আসছিলেন।

Advertisement

কিন্তু চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে পদত্যাগে বাধ্য করেন। ইংরেজি বিভাগের এই শিক্ষক একসময় সাংবাদিকতাও করতেন। সাংবাদিকতা পেশার অনিশ্চয়তার কারণে তিনি শিক্ষকতায় যোগ দিলেও স্থিত হতে পারলেন না।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

শিক্ষার্থীদের কাছে তিনি প্রিয় শিক্ষক হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। কিন্তু তার লেখালেখি ও রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে কর্তৃপক্ষের আপত্তি ছিল। একজন শিক্ষককে তার লেখালেখি বা সৃজনশীল কাজ নিয়ে পদত্যাগে বাধ্য করা যায় না। তারপরও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সময়ের সুযোগ নিয়ে তাকে পদত্যাগে বাধ্য করেছেন। তিনি এখনো বেকার।

চব্বিশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর যেখানে অনেক পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও কলেজের অধ্যক্ষকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে, অনেকে শিক্ষাঙ্গনেই অপদস্ত হয়েছেন, সেখানে একজন শিক্ষকের কাছ থেকে জোর করে পদত্যাগপত্র নেওয়া তো কোনো বিষয় নয়। এ রকম কত শিক্ষক যে সে সময়ে তাদের প্রিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন, তার হিসেব নেই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেসব ছবি এসেছে, তা আমাদের উদ্বিগ্ন ও লজ্জিত করে। যে জাতি শিক্ষককে মর্যাদা দিতে জানে না, সে জাতি কখনো উন্নতি করতে পারে না।

তবে এই দুঃসময়েও কেউ কেউ সাহসের প্রদীপ জ্বালিয়ে অন্যদের পথ দেখান। এ রকমই একজন শিক্ষক হলেন গাজীপুরের কালিয়াকৈরের গোলাম নবী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলকাছ উদ্দিন আহমেদ।

ডাকসুর শিক্ষক মূল্যায়ন: কীভাবে দেখছেন শিক্ষক - শিক্ষার্থীরা?DUCSU teachers evalution

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট তাকে বলপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা হয়। এর বিরুদ্ধে তিনি উচ্চ আদালতে মামলা করলে বিচারপতি মো. ইকবাল কবির ও বিচারপতি এস এম সাইফুল ইসলাম সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সম্প্রতি রুল নিষ্পত্তি করে রায় দেন যে, শিক্ষকের কাছ থেকে জোর করে পদত্যাগপত্র নেওয়া অবৈধ।

একই সঙ্গে আদালত জোরপূর্বক পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর নেওয়া শিক্ষককে অবিলম্বে স্বপদে পুনর্বহালের নির্দেশনা দিয়েছেন। আদালতের নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়া, পর্ষদের সভাপতিকে অপসারণ এবং প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের এমপিও বন্ধের মতো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছেন হাইকোর্ট।

এই আদেশের ফলে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দেশের বিভিন্ন জায়গায় অনেক শিক্ষক যাদের জোর করে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল তাদেরও পুনর্বহালের পথ খুলে গেল। আর শুধু শিক্ষক কেন, সাংবাদিকসহ অনেক পেশার মানুষই সে সময় চাকরি হারিয়েছেন।

রায়ে আদালত বলেছেন, রিটকারীর (শিক্ষকের) পদত্যাগপত্র স্বেচ্ছায় বা নিজের ইচ্ছায় দেওয়া হয়নি; বরং তার স্বাক্ষর জোরপূর্বক নেওয়া হয়েছিল এবং এ ধরনের পদত্যাগের কোনো আইনগত বৈধতা নেই। আইন বা বিধি জোরপূর্বক বা চাপের মুখে প্রাপ্ত পদত্যাগ সমর্থন করে না।

মামলার বিবরণ থেকে আরও জানা যায়, মো. আলকাছ উদ্দিন আহমেদ গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার গোলাম নবী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট একদল দুষ্কৃতকারী আলকাছ উদ্দিন আহমেদের অনিচ্ছা সত্ত্বেও জোরপূর্বক একটি পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর নেয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। পর দিন এ বিষয়ে তিনি কালিয়াকৈর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে ২০ আগস্ট জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এবং ২৪ আগস্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসকে ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে তিনি লিখিতভাবে আবেদন করেন। এরপর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকেও বিষয়টি অবহিত করে আইনি প্রতিকার ও হস্তক্ষেপ কামনা করে আবেদন করেন তিনি। পরে এ বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের আলোকে আলকাছ উদ্দিন আহমেদকে স্বপদে বহাল করতে নির্দেশ দেয় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।

জুলাই আন্দোলন নিয়ে বিতর্কিত পোস্ট, চবি শিক্ষক বরখাস্তCU teacher

কিন্তু সেই আদেশ যথাযথ বাস্তবায়ন না হওয়ায় উপযুক্ত প্রতিকার চেয়ে ২০২৪ সালে হাইকোর্টে রিট করেন আলকাছ উদ্দিন আহমেদ। ওই রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে একই বছরে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি জোর করে নেওয়া ওই পদত্যাগপত্রের কার্যকারিতা তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়।

রায়ের পর্যবেক্ষণে হাইকোর্ট আরও বলেন, প্রকৃতপক্ষে রিট আবেদনকারীর পদত্যাগের আইনি কোনো বৈধতা ছিল না; রিট আবেদনকারী ২০২৫ সালের জুলাই পর্যন্ত তার এমপিও অংশ (বেতন-ভাতা) পাচ্ছিলেন। এই অবস্থায় বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ (ম্যানেজিং কমিটি) আলকাছ উদ্দিনকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনে বা চাকরিতে বহাল করতে আইনিভাবে বাধ্য এবং তিনি অবিলম্বে পুনর্বহাল হওয়ার অধিকারী ছিলেন।

পর্যবেক্ষণ বলা হয়েছে, আদালত মনে করেন, একটি নির্দেশনাসহ রুলটি নিষ্পত্তি করা হলে ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্য পূরণ হবে। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে রিট আবেদনকারীকে স্বপদে পুনর্বহাল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের প্রতি নির্দেশনা দেওয়া হলো। সংশ্লিষ্ট বিবাদীরা রিটকারীকে পুনর্বহাল করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। এই নির্দেশনা পালনে ব্যর্থ হলে, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) নির্দেশনা অমান্যকারী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এর মধ্যে ম্যানেজিং কমিটি বাতিল, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিকে অপসারণ এবং প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের (যিনি ম্যানেজিং কমিটির সদস্য সচিব) এমপিও বন্ধের মতো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

উল্লেখ্য, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। এই সুযোগে একশ্রেণির লোক ব্যক্তি ও গোষ্ঠীস্বার্থ চারিতার্থ করতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মব সন্ত্রাস করে শিক্ষকদের পদত্যাগে বাধ্য করে। কোনো কোনো শিক্ষক তাদের হাতে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত হয়েছেন। এমনকি নারী শিক্ষকেরাও এর থেকে রেহাই পাননি।

সংশ্লিষ্ট শিক্ষকেরা অন্যায় করলে আইনানুগভাবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যেত। তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া যেত। কিন্তু সেসব না করে মব সহিংসতা করা হয়েছে। এই মবের শিকার হয়ে অনেক শিক্ষক পরিবার-পরিজন নিয়ে দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন।

গাজীপুরের ওই শিক্ষকের মতো বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আরও যাদের জোর করে পদত্যাগ করানো হয়েছে, তাদের জন্য আদালতের এই রায় একটি সুখবর হতে পারে। পরিস্থিতির চাপে যারা সে সময় আইনের আশ্রয় নিতে পারেননি, তারা এখন সুযোগটি নিতে পারেন।

তারপরও কথা থাকে। ভুক্তভোগী শিক্ষকদের কেউ কেউ হয়তো আইনের আশ্রয় নিয়ে ছিনতাই হওয়া পদ ফিরে পাবেন। কিন্তু যাদের জন্য তারা পদ ও মর্যাদা হারালেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি?

ন্যায়বিচার ও আইনের শাসনের স্বার্থেই আইনকে নিজস্ব গতিতে চলতে দিতে হবে। যে দেশে জবরদস্তি করে শিক্ষকদের পদত্যাগে বাধ্য করা হয়, সে দেশের আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না। অন্তর্বর্তী সরকার ভুক্তভোগী শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ায়নি, যদিও ওই সরকারের দুজন শিক্ষা উপদেষ্টাই ছিলেন শিক্ষক। আশা করি নির্বাচিত সরকার শিক্ষকদের হতাশ করবে না; তাদের ওপর ঘটে যাওয়া অন্যায়ের বিচার করবে।

সোহরাব হাসান: সম্পাদক, চরচা

বিষয়: শিক্ষকঅভ্যুত্থানআদালতমব
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাফিজকে ৭ দিনের রিমান্ডে চায় ডিবি

  • ২

    ইহুদি-আরব সরকারের দাবিতে ইসরায়েলের রাস্তায় বিক্ষোভ

  • ৩

    তাহসিফের সঙ্গে থাকা সেই তরুণী ৪ দিনের রিমান্ডে

  • ৪

    সাজেক সড়কে এক পক্ষের অবরোধ শিথিল, অন্য পক্ষের পাল্টা অবরোধ

  • ৫

    বুলগেরিয়ায় চলছে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোট

সম্পর্কিত
  • রাষ্ট্র যখন আত্মসংযম দেখাচ্ছে, তখন কেন সংখ্যালঘু নির্যাতন বাড়ছে?

    রাষ্ট্র যখন আত্মসংযম দেখাচ্ছে, তখন কেন সংখ্যালঘু নির্যাতন বাড়ছে?

    মানবাধিকার সংগঠন এমএসএফের (মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন) অক্টোবর ২০২৬-এর প্রতিবেদনে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা ও মানবাধিকার পরিস্থিতির একটি পরস্পরবিরোধী চিত্র তুলে ধরেছে। একদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে মৃত্যু ও নির্যাতনে আহতের ঘটনা শূন্যে নেমেছে, কারা হেফাজতে মৃত্যুর সংখ্যাও কমেছে।

  • প্রবাসী শ্রমিকেরা কি কেবলই লাশ, কেবলই গিনিপিগ?

    প্রবাসী শ্রমিকেরা কি কেবলই লাশ, কেবলই গিনিপিগ?

    চলতি বছর জানুয়ারি থেকে গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত (মোট ২৭৩ দিন) ৯ মাসে দেশে এসেছে চার হাজার ৬০টি মরদেহ। এ হিসাবে দিনে মরদেহ এসেছে গড়ে ১৪টির বেশি। সবচেয়ে বেশি কর্মী মারা যান সৌদি আরবে, দুই হাজারের মতো। সরকার প্রবাসী কার্ড দেবে, ভালো কথা। কিন্তু বিদেশে গিয়ে যারা লাশ বা পঙ্গু হয়ে ফিরে আসেন, তাদের তো

  • স্লোগান ও গ্রেপ্তার: শব্দ নয়, অপরাধের বিচার হোক

    স্লোগান ও গ্রেপ্তার: শব্দ নয়, অপরাধের বিচার হোক

    স্লোগান ঘিরে রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা ও গ্রেপ্তারের ঘটনায় একটি প্রশ্ন সামনে আসে। আর তা হলো, সমস্যা স্লোগানের উচ্চারণে, নাকি অপব্যবহারে? কারণ, রাজনীতির মাঠ-ময়দানে উচ্চারিত একটি স্লোগান কখনো কেবল কয়েকটি শব্দের সমষ্টি নয়: ইতিহাস, আবেগ, পরিচয়, রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা এবং কখনো কখনো মানুষের আত্মত্যাগের স্মৃতি। দৃষ্

  • আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা: দুধের বোতল থেকে বিশ্বরাজনীতির শিক্ষা

    আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা: দুধের বোতল থেকে বিশ্বরাজনীতির শিক্ষা

    সুপারমার্কেট থেকে দুই শতাংশ চর্বিযুক্ত দুধের একটি বোতল কেনার সময় সাধারণত কেউ আন্তর্জাতিক রাজনীতির কথা ভাবেন না। ক্রেতার প্রত্যাশা থাকে, বোতলের গায়ে যা লেখা আছে, ভেতরের পণ্যও ঠিক তা-ই হবে। কিন্তু এই সাধারণ আস্থার পেছনেও রয়েছে আন্তর্জাতিক নিয়ম, মান নির্ধারণ এবং পারস্পরিক বিশ্বাসের একটি বিস্তৃত