
জেদ্দায় প্রবাসীদের সঙ্গে পুলিশের ডিআইজি ইকবালের মতবিনিময়
মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া রাজ্যের মিলডুরা শহরে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির উদ্যোগে আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
স্থানীয় জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ Andy’s Kitchen-এ সম্প্রতি আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে মিলডুরায় বসবাসরত বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই একসঙ্গে ইফতার করেন এবং পবিত্র রমজানের শিক্ষা ও তাৎপর্য নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। এই ইফতার মাহফিল মিলডুরায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
আয়োজকেরা জানান, প্রবাসের মাটিতে থেকেও বাংলাদেশের সংস্কৃতি, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সামাজিক বন্ধন অটুট রাখার লক্ষ্যেই এ ধরনের আয়োজন করা হয়ে থাকে। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও মিলডুরায় বাংলাদেশি কমিউনিটির উদ্যোগে এ ধরনের সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান নিয়মিতভাবে আয়োজন করা হবে।
ইফতার মাহফিলে অংশগ্রহণকারী প্রবাসী বাংলাদেশিরা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান। তাদের মতে, এমন আয়োজন কমিউনিটির সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ও ঐক্যকে আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

জেদ্দায় প্রবাসীদের সঙ্গে পুলিশের ডিআইজি ইকবালের মতবিনিময়
মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ওআইসির নারীবিষয়ক সম্মেলনে যোগ দিতে ইসলামাবাদে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান পাকিস্তান সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার আকিল মালিক এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।

ডালাসে হুমায়ূন আহমেদের ‘জ্বীন কফিল’ মঞ্চায়ন, দর্শকদের ব্যাপক সাড়া
ফরহাদ হোসেনের নির্দেশনায় দুই দিনব্যাপী হাউসফুল দর্শকের সামনে মঞ্চস্থ হলো হুমায়ূন আহমেদের জ্বীন কফিল! উপস্থিত ছিলেন বিপাশা আহমেদ এবং নূহাশ হুমায়ূন।

আঙ্কারায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে পরামর্শমূলক বৈঠক
পরামর্শ সভায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) জোরদার।