Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশেষ প্রতিবেদন

জ্বালানি সংকট: অনলাইন ক্লাসে কি বৈষম্য বাড়বে?

চরচা প্রতিবেদক

চরচা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ৩১ মার্চ ২০২৬, ২০: ২৮
জ্বালানি সংকট: অনলাইন ক্লাসে কি বৈষম্য বাড়বে?

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় স্কুল পর্যায়ে সশরীরে ক্লাসের পাশাপাশি অনলাইনের সমন্বয়ে পাঠদান চালুর চিন্তাভাবনা করছে সরকার। এমন পদক্ষেপে শিক্ষা ক্ষেত্রে বৈষম্য বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞরা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন সাংবাদিকদের জানান, আগামী বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ সভায় এ-সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, রমজানসহ বিভিন্ন কারণে ক্লাসে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা পুষিয়ে নিতে আগামী শনিবারও স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস চালু রাখতে গিয়ে জ্বালানি সংকট, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং বর্তমানে হামের প্রাদুর্ভাব—সব মিলিয়ে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।

ঢাকাসহ সব মহানগরের স্কুল-কলেজে সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাসnotre dame college_education_campus

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একটি অংশ অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, সবার নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় রেখে সশরীরে উপস্থিতির পাশাপাশি অনলাইনেও পাঠদান চালুর প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সপ্তাহে কতদিন বা কত বেলা অনলাইনে ক্লাস হবে, তা মন্ত্রিসভার বৈঠকেই চূড়ান্ত হবে।

তবে সরকারের এই ভাবনার সমালোচনা করছেন শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ছাড়া অনলাইন ক্লাস চালু হলে শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্য আরও বাড়তে পারে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী চরচাকে বলেন, “বর্তমান প্রেক্ষাপটে অনলাইন ক্লাস আদর্শ কোনো বিকল্প নয়। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, স্থিতিশীল ইন্টারনেট সংযোগ এবং উপযুক্ত ডিভাইস ছাড়া অনলাইন শিক্ষা কার্যকর করা সম্ভব নয়। দেশের কতজন শিক্ষার্থী বাস্তবে এই সুবিধা পাবে—এ প্রশ্নই এখন বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে।”

এই শিক্ষাবিদ স্মরণ করিয়ে দেন, করোনাকালে অনলাইন শিক্ষায় ব্যাপক বৈষম্য তৈরি হয়েছিল। এখন পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও বস্তিবাসী শিশু, চা-বাগানের শ্রমিক পরিবারের সন্তান কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা সমানভাবে সুবিধা পাবে কি না, তা নিশ্চিত নয়। শহরাঞ্চলেও সব পরিবারের আর্থিক সামর্থ্য এক রকম নয়।

রাশেদা কে চৌধুরীর মতে, “সবার জন্য একযোগে অনলাইন ক্লাস বাধ্যতামূলক করলে বৈষম্য প্রকট হতে পারে।” তিনি বিকল্প হিসেবে অভিজাত ও ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোতে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ বা বাধ্যতামূলক স্কুলবাস চালুর প্রস্তাব দেন, যাতে জ্বালানি সাশ্রয় করা যায়।”

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে অনলাইন ক্লাসের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এই শিক্ষাবিদ। তিনি বলেন, “বাসায় অনলাইন ক্লাস করলে প্রকৃতপক্ষে বিদ্যুৎ সাশ্রয় কতটা হবে, সেটিও প্রশ্নসাপেক্ষ। স্কুলে সীমিত বিদ্যুৎ ব্যবহারের তুলনায় বাসায় অনেক ক্ষেত্রে বেশি বিদ্যুৎ খরচ হতে পারে।”

এদিকে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মনজুর আহমেদও বিষয়টি সুপরিকল্পিতভাবে বিবেচনার ওপর জোর দিয়েছেন। চরচাকে তিনি বলেন, “কোভিড-১৯ সময়কার অনলাইন শিক্ষার অভিজ্ঞতা খুব ইতিবাচক ছিল না। অনেক জায়গায় কার্যক্রম সফল হলেও অনেক অঞ্চলে তা ভেঙে পড়ে এবং বৈষম্য বাড়ে।”

তার মতে, “সারা দেশে এক নীতি প্রয়োগের বদলে অঞ্চলভিত্তিক বাস্তবতা বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। শহরাঞ্চলে অনলাইন ক্লাস কিছুটা কার্যকর হতে পারে। কিন্তু প্রত্যন্ত এলাকায় সেই সুযোগ সীমিত।”

এপ্রিলেও বাড়ছে না জ্বালানি তেলের দামoill

ড. মনজুর আহমেদ বলেন, “অনলাইন ও অফলাইন শিক্ষাকে আলাদা না রেখে সমন্বিত মডেল তৈরি করতে হবে। যদি সপ্তাহে কয়েকদিন অনলাইন ক্লাস রাখা হয়, তাহলে শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট অ্যাসাইনমেন্ট দিয়ে, তা পরে সরাসরি ক্লাসে আলোচনা ও মূল্যায়নের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।”

মনজুর আহমেদ সতর্ক করে বলেন, “শুধু অনলাইনে লেসন দেওয়া আর অফলাইনে আলাদা করে ক্লাস নেওয়ার গতানুগতিক পদ্ধতিতে কাজ হবে না। কার্যকর পরিকল্পনা ছাড়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন কঠিন হবে।”

বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি সংকট বাস্তব হলেও শিক্ষা খাতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, সামাজিক বাস্তবতা এবং বৈষম্যের বিষয়টি গভীরভাবে বিবেচনা করা জরুরি। তা না হলে সংকট মোকাবিলার উদ্যোগই নতুন সংকটের জন্ম দিতে পারে।

বিষয়: জ্বালানিসংকটঅনলাইন ক্লাসট্রাফিকশিক্ষামন্ত্রী
সর্বশেষ
  • ১

    বিচারবহির্ভূত হত্যা ও মিথ্যা মামলা বন্ধে পুলিশকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশ

  • ২

    দুই বছর ধরে বন্ধ ‘কল-রেডী’, কালো কালিতে ঢাকা সাইনবোর্ড

  • ৩

    নেপাল: বন্যায় নিহত বেড়ে ১২৫২, নিখোঁজ ৪ হাজারের বেশি

  • ৪

    সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘মঞ্চ উৎসব’ অনুষ্ঠিত

  • ৫

    নিরাপত্তাবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে জরিমানা দিল বোয়িং

সম্পর্কিত
  • দুই বছর ধরে বন্ধ ‘কল-রেডী’, কালো কালিতে ঢাকা সাইনবোর্ড

    দুই বছর ধরে বন্ধ ‘কল-রেডী’, কালো কালিতে ঢাকা সাইনবোর্ড

    বাসার গেটে নক করলে ভেতর থেকে একজন বেরিয়ে আসেন। প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম কতদিন ধরে বন্ধ, জানতে চাইলে বিরক্তির সঙ্গে তিনি জানান, তিনি কিছু জানেন না। নিজের পরিচয় দেন রাজ।

  • কলেজে অনুপস্থিত, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ব্যস্ত থাকেন শিক্ষক ওবায়দুল্লাহ

    কলেজে অনুপস্থিত, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ব্যস্ত থাকেন শিক্ষক ওবায়দুল্লাহ

    বেসরকারি কলেজ শিক্ষকদের সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা রয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের। তবে এই নির্দেশনা অমান্য করে নিয়মিত কলেজে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার পালপুর ধরমপুর মহাবিদ্যালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ

  • জরুরি ওষুধে নানা কৌশল: কোম্পানি বলে খরচের কথা, গ্রাহককে ভোগায় দাম

    জরুরি ওষুধে নানা কৌশল: কোম্পানি বলে খরচের কথা, গ্রাহককে ভোগায় দাম

    ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর (ডিজিডিএ) সূত্রে জানা যায়, প্রায় প্রতিটি কোম্পানিরই এসব জরুরি ওষুধ উৎপাদন ও বাজারজাত করার জন্য লাইসেন্স নেওয়া আছে। কিন্তু বাস্তবে তারা তা উৎপাদন করছে না।

  • খাতায় আছে, উৎপাদনে নেই: জরুরি ওষুধের বেশির ভাগ লাইসেন্স নিষ্ক্রিয়

    খাতায় আছে, উৎপাদনে নেই: জরুরি ওষুধের বেশির ভাগ লাইসেন্স নিষ্ক্রিয়

    খাতা-কলমে তালিকাটা বড় হলেও বাস্তবে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না অনেক জরুরি প্রয়োজনীয় ওষুধ। সরকারের বেঁধে দেওয়া দামের কারণে লাভ কম হওয়ায় অনেক কোম্পানি লাইসেন্স নিলেও এই ওষুধগুলো উৎপাদন করছে না। এতে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হচ্ছে এবং বেশি দামের বিকল্প ওষুধের চাহিদা বাড়ছে, বিপাকে পড়ছে সাধারণ মানুষ