আরমান ভূঁইয়া

২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী-এমপিদের সঙ্গে আত্মগোপনে যান জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। দীর্ঘ ১৯ মাস আড়ালে থাকার পর মঙ্গলবার ভোররাতে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
জুলাই আন্দোলনের ঘটনায় রাজধানীর লালবাগ থানায় দায়ের করা একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এর আগে তার বিরুদ্ধে প্রথম একটি হত্যা মামলায় দায়ের করা হয় রংপুরে। সেখানে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে স্বর্ণশ্রমিক মুসলিম উদ্দিন (৩৮) নিহতের ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। এরপর একে একে তার বিরুদ্ধে আরো ছয়টি মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে চারটি হত্যা ও দুটি হত্যাচেষ্টা মামলা।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বিকেলে আজিমপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আন্দোলন চলাকালে দেশি-বিদেশি অস্ত্র নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে আশরাফুল ওরফে ফাহিমের চোখে গুলি লাগে। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে গত বছরের ২৫ মে শেখ হাসিনা ও শিরীন শারমিনসহ ১৩০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ১১৫-১২০ জনকে আসামি করে মামলা করেন। এ মামলায় মঙ্গলবার ভোরে ধানমন্ডি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শিরীন শারমিনকে দুই দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা রিমান্ড আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
১৯ মাস কোথায় ছিলেন?
সাবেক এ স্পিকার শিরীন শারমিন গ্রেপ্তারের পর থেকেই প্রশ্ন ওঠে-এতদিন তিনি কোথায় ছিলেন?
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি-লালবাগ বিভাগের পরিদর্শক মোহসীন উদ্দিন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় আত্মীয়-স্বজনের বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন। সর্বশেষ গত ২৬ মার্চ থেকে ধানমন্ডি ১৬ নম্বর সড়কের ৫২ নম্বর বাড়ির একটি ফ্ল্যাটে অবস্থান করছিলেন। সেখান থেকেই মঙ্গলবার ভোরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তদন্ত সূত্রে জানা যায়, জুলাই আন্দোলনের পর ৫ আগস্ট থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, এমপি-মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট প্রায় ৬২৬ জন ব্যক্তি ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় আশ্রয় নেন। সাবেক স্পিকারও সেখানে ছিলেন বলে তৎকালীন আইএসপিআর এক বার্তায় জানিয়েছিল। সংস্থাটি আরো জানিয়েছিল, ওই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে আইএসপিআর দাবি করে, আশ্রয় নেওয়া সবাই ক্যান্টনমেন্ট এলাকা ত্যাগ করেছেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পরবর্তীতে শিরীন শারমিন মোহাম্মদপুরের লালমাটিয়া সি-ব্লকে এক আত্মীয়ের বাসায় প্রায় তিন মাস ছিলেন। এরপর নিকেতন ও বনানী এলাকায় একাধিক বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন বলে ডিবি সূত্রে জানা গেছে।
গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগের লাল পাসপোর্টধারীদের পাসপোর্ট বাতিল করে। এরপর ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর শিরীন শারমিন তার স্বামী সৈয়দ ইশতিয়াক হোসাইনের সঙ্গে আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে সাধারণ ই-পাসপোর্টের আবেদন করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি আবার আলোচনায় আসেন। তবে এরপর থেকে তার অবস্থান নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি বলে জানিয়েছে ডিবি।
ডিবির যুগ্ম কমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম বলেন, “তিনি (শিরীন শারমিন) কোথায় কোথায় আত্মগোপনে ছিলেন, সেটি জিজ্ঞাসাবাদ করলে বিস্তারিত জানা যাবে। আমরা রিমান্ড আবেদন করেছিলাম, কিন্তু আদালত তা মঞ্জুর করেননি। ধানমন্ডির এক আত্মীয়ের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”

২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী-এমপিদের সঙ্গে আত্মগোপনে যান জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। দীর্ঘ ১৯ মাস আড়ালে থাকার পর মঙ্গলবার ভোররাতে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
জুলাই আন্দোলনের ঘটনায় রাজধানীর লালবাগ থানায় দায়ের করা একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এর আগে তার বিরুদ্ধে প্রথম একটি হত্যা মামলায় দায়ের করা হয় রংপুরে। সেখানে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে স্বর্ণশ্রমিক মুসলিম উদ্দিন (৩৮) নিহতের ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। এরপর একে একে তার বিরুদ্ধে আরো ছয়টি মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে চারটি হত্যা ও দুটি হত্যাচেষ্টা মামলা।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বিকেলে আজিমপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আন্দোলন চলাকালে দেশি-বিদেশি অস্ত্র নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে আশরাফুল ওরফে ফাহিমের চোখে গুলি লাগে। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে গত বছরের ২৫ মে শেখ হাসিনা ও শিরীন শারমিনসহ ১৩০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ১১৫-১২০ জনকে আসামি করে মামলা করেন। এ মামলায় মঙ্গলবার ভোরে ধানমন্ডি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শিরীন শারমিনকে দুই দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা রিমান্ড আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
১৯ মাস কোথায় ছিলেন?
সাবেক এ স্পিকার শিরীন শারমিন গ্রেপ্তারের পর থেকেই প্রশ্ন ওঠে-এতদিন তিনি কোথায় ছিলেন?
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি-লালবাগ বিভাগের পরিদর্শক মোহসীন উদ্দিন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় আত্মীয়-স্বজনের বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন। সর্বশেষ গত ২৬ মার্চ থেকে ধানমন্ডি ১৬ নম্বর সড়কের ৫২ নম্বর বাড়ির একটি ফ্ল্যাটে অবস্থান করছিলেন। সেখান থেকেই মঙ্গলবার ভোরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তদন্ত সূত্রে জানা যায়, জুলাই আন্দোলনের পর ৫ আগস্ট থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, এমপি-মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট প্রায় ৬২৬ জন ব্যক্তি ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় আশ্রয় নেন। সাবেক স্পিকারও সেখানে ছিলেন বলে তৎকালীন আইএসপিআর এক বার্তায় জানিয়েছিল। সংস্থাটি আরো জানিয়েছিল, ওই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে আইএসপিআর দাবি করে, আশ্রয় নেওয়া সবাই ক্যান্টনমেন্ট এলাকা ত্যাগ করেছেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পরবর্তীতে শিরীন শারমিন মোহাম্মদপুরের লালমাটিয়া সি-ব্লকে এক আত্মীয়ের বাসায় প্রায় তিন মাস ছিলেন। এরপর নিকেতন ও বনানী এলাকায় একাধিক বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন বলে ডিবি সূত্রে জানা গেছে।
গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগের লাল পাসপোর্টধারীদের পাসপোর্ট বাতিল করে। এরপর ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর শিরীন শারমিন তার স্বামী সৈয়দ ইশতিয়াক হোসাইনের সঙ্গে আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে সাধারণ ই-পাসপোর্টের আবেদন করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি আবার আলোচনায় আসেন। তবে এরপর থেকে তার অবস্থান নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি বলে জানিয়েছে ডিবি।
ডিবির যুগ্ম কমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম বলেন, “তিনি (শিরীন শারমিন) কোথায় কোথায় আত্মগোপনে ছিলেন, সেটি জিজ্ঞাসাবাদ করলে বিস্তারিত জানা যাবে। আমরা রিমান্ড আবেদন করেছিলাম, কিন্তু আদালত তা মঞ্জুর করেননি। ধানমন্ডির এক আত্মীয়ের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”

মোহাম্মদ আবদুস সবুর। গত মাসে অবসরে যান শিক্ষা ক্যাডারের এই কর্মকর্তা। সবশেষ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) পরিচালক (প্রশিক্ষণ) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দুর্নীতির অনেক অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও অবসরে যাওয়া এই কর্মকর্তাকেই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মাধ্যমে মাউশির মহাপরিচালক (ডিজি) পদে পদায়ন করতে যাচ্ছে স