Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৮ অক্টোবর, ২০২৬
১৮ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৮ অক্টোবর, ২০২৬
১৮ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশেষ প্রতিবেদন

ডেঙ্গুর টিকা: বাংলাদেশ কী করবে? অন্য দেশের অভিজ্ঞতা কী?

বিশ্বব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে ফরাসি ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান সানোফি পাস্তুর উদ্ভাবিত ডেনগভ্যাক্সিয়া (সিওয়াইডি-টিডিভি) হলো বিশ্বের প্রথম অনুমোদিত ডেঙ্গু ভ্যাকসিন, যা মূলত ইয়োলো ফিভার ভ্যাকসিনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছিল।

ফাইয়াজ আহনাফ সামিন

ফাইয়াজ আহনাফ সামিন

প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯: ১৪
ডেঙ্গুর টিকা: বাংলাদেশ কী করবে? অন্য দেশের অভিজ্ঞতা কী?
দেশে এবার ডেঙ্গুতে মৃত্যু আগের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে। ছবি: ইউএনবি

বাংলাদেশে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ ও ভয়াবহতা এ বছর অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত এডিস মশাবাহিত এই ভাইরাসের দ্রুত বিস্তারে হাসপাতালে রোগীর উপচে পড়া ভিড়। প্রতিদিন মারা যাচ্ছে অনেক রোগী। বিশ্বের কিছু দেশে ডেঙ্গুর টিকা চালু হলেও বাংলাদেশে এখনো এমন কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেই। বিষয়টি এখনো আলাপ-আলোচনা পর্যায়েই আছে।

Advertisement

দেশে এবার ডেঙ্গুতে মৃত্যু আগের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে। ধরনও বদলেছে। চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ১৬ দিনে ডেঙ্গুতে অন্তত ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৮ হাজার ৮২০ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা চলতি অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনে গত কয়েক মাসের রেকর্ড ছাড়িয়েছে। এতে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছেই।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটের তথ্য বলছে, সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুতে ১৪৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৪৩ হাজার ৭৭৪ জন। আগস্টে ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ৪৩ জন। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২০ হাজার ৫৩৬ জন। জুলাইয়ে মৃত্যু হয় ৩৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৯ হাজার ২০৬ জন। জুনে মৃত্যু ছিল ১৩ ও হাসপাতালে ভর্তি হন ২০ হাজার ৯০৭ জন। ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ১ লাখ ৮ হাজার ৪৪০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। মোট ১ লাখ ২ হাজার ২১০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। ২০২৫ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং মৃত্যু হয় ৪১৩ জনের।

প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, অক্টোবর মাসের প্রথম ১৪ দিনেই প্রাণ হারিয়েছে ৮৬ জন। এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে চলতি বছরের সর্বোচ্চ ১৪৮ জনের মৃত্যু ঘটে। এ ছাড়া আগস্টে ৪৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন, মে মাসে একজন এবং জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে দুইজন করে মারা যান। এই মৃত্যু ও সংক্রমণের হার প্রমাণ করে যে ডেঙ্গু এখন আর নির্দিষ্ট কোনো মৌসুমে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি একটি স্থায়ী এবং ক্রমবর্ধমান জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে। ডেঙ্গুর হাত থেকে দেশের মানুষকে রক্ষা করতে নিবিড় হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা, সমন্বিত মশক নিধন এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরক্ষামূলক কৌশল হিসেবে ডেঙ্গু টিকার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

অক্টোবরের ১৬ দিনে ডেঙ্গুতে ৯০ জনের মৃত্যুdengue (3)

বিশ্বব্যাপী ডেঙ্গু টিকার অবস্থা

বিশ্বজুড়ে ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি পৃথক সেরোটাইপ (DENV-1, DENV-2, DENV-3, DENV-4) সক্রিয় রয়েছে। ডেঙ্গুর মূল জটিলতা হলো, একজন ব্যক্তি কোনো একটি সেরোটাইপে আক্রান্ত হলে সেই নির্দিষ্ট সেরোটাইপের বিরুদ্ধে স্থায়ী প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন করে। কিন্তু অন্য সেরোটাইপ দিয়ে পুনরায় সংক্রমিত হলে ‘অ্যান্টিবডি-ডিপেনডেন্ট এনহ্যান্সমেন্ট’ (এডিই) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার (ডিএইচএফ) বা ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোমের (ডিএসএস) মতো মারাত্মক ও প্রাণঘাতী রূপ নিতে পারে। এই কারণে চারটি সেরোটাইপের বিরুদ্ধেই একযোগে সুষম ও টেকসই প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করতে বিশ্বজুড়ে ১৯২০-এর দশক থেকে গবেষণা শুরু হয়। দীর্ঘ কয়েক দশকের জটিল ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ও গবেষণার পর বর্তমানে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাণিজ্যিক ও জনস্বাস্থ্য পর্যায়ে ব্যবহারের জন্য দুটি টেট্রাভেলেন্ট লাইভ-অ্যাটেনুয়েটেড ডেঙ্গু টিকা প্রাধান্য পাচ্ছে।

বিশ্বব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে ফরাসি ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান সানোফি পাস্তুর উদ্ভাবিত ডেনগভ্যাক্সিয়া (সিওয়াইডি-টিডিভি) হলো বিশ্বের প্রথম অনুমোদিত ডেঙ্গু ভ্যাকসিন, যা মূলত ইয়োলো ফিভার ভ্যাকসিনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছিল। এশিয়া ও লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশে ৩০ হাজারের বেশি শিশুর ওপর পরিচালিত ফেজ-৩ ট্রায়ালের ফলাফলের ভিত্তিতে ৯ থেকে ৪৫ বছর বয়সীদের জন্য ০, ৬ এবং ১২ মাসের ব্যবধানে মোট তিনটি ডোজে এই টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়।

বাংলাদেশে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ ও ভয়াবহতা এ বছর অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে। ছবি: ইউএনবি
বাংলাদেশে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ ও ভয়াবহতা এ বছর অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে। ছবি: ইউএনবি

তবে সাড়ে চার বছরের ট্রায়াল পর্যালোচনায় দেখা যায়, যেসব ব্যক্তি আগে কখনো ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়নি (সেরোনেগেটিভ), তারা ডেনগভ্যাক্সিয়া নেওয়ার পর প্রাকৃতিকভাবে ডেঙ্গু ভাইরাসে সংক্রমিত হলে তাদের ক্ষেত্রে রোগের তীব্রতা এবং হাসপাতালে ভর্তির ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। ফিলিপাইনে ৭ লাখের বেশি শিক্ষার্থীকে এই টিকাদানের পর নিরাপত্তা-সংক্রান্ত এই সংকট তীব্র আকার ধারণ করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) নির্দেশিকা জারি করে জানায়, কেবল প্রাক-টিকা সিরাম পরীক্ষার মাধ্যমে আগে ডেঙ্গু সংক্রমণের প্রমাণ পাওয়া ব্যক্তিরাই (সেরোপজিটিভ) এই টিকা গ্রহণ করতে পারবে।

পরে এই জটিল প্রাক-পরীক্ষার বাধ্যবাধকতা এবং বৈশ্বিক চাহিদা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ার কারণে প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান সানোফি পাস্তুর ২০২৬ সালের মধ্যে ডেনগভ্যাক্সিয়ার উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে।

অস্ট্রেলিয়ায় মিলছে ডেঙ্গুর টিকা কিউডেঙ্গা, স্বস্তিতে প্রবাসী বাংলাদেশিরাvaccine

অন্যদিকে, জাপানের তাকেডা ফার্মাসিউটিক্যালস উদ্ভাবিত কিউডেঙ্গা (টিএকে-০০৩) হলো ডিইএনভি-২ ভাইরাসের ওপর ভিত্তি করে তৈরি চার-সেরোটাইপ প্রতিরোধী একটি টিকা, যা ০ এবং ৩ মাসের ব্যবধানে দুই ডোজে ত্বকের নিচে (স্কিন ইনজেকশন) দেওয়া হয়। কিউডেঙ্গার দীর্ঘমেয়াদী কার্যকারিতা মূল্যায়নে এশিয়া ও লাতিন আমেরিকার আটটি ডেঙ্গুপ্রবণ দেশ–ব্রাজিল, কলম্বিয়া, ডোমিনিকান রিপাবলিক, নিকারাগুয়া, পানামা, ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ডের ২৬টি সেন্টারে ২০,০৯৯ জন শিশু ও কিশোরের (৪-১৬ বছর) ওপর ‘টিআইডিইএস’ (TIDES / DEN-301) নামক একটি বিশালাকার ফেজ-৩ ট্রায়াল পরিচালিত হয়।

এই ট্রায়ালের ১৮ মাসের প্রাথমিক উপাত্তে লক্ষণযুক্ত ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৮০ দশমিক ২ শতাংশ এবং হাসপাতালে ভর্তি প্রতিরোধে ৯০ দশমিক ৪ শতাংশ কার্যকারিতা পাওয়া যায়। পরে ৫৪ মাসের দীর্ঘমেয়াদী উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, নিশ্চিত লক্ষণযুক্ত ডেঙ্গু প্রতিরোধে এর সামগ্রিক কার্যকারিতা ৬১ দশমিক ২ শতাংশ এবং হাসপাতালে ভর্তি প্রতিরোধে ৮৪ দশমিক ১ শতাংশ বহাল রয়েছে।

ছবি: চরচা
ছবি: চরচা

এ ছাড়া সাত বছর মেয়াদী ট্রায়াল শেষে দেখা গেছে, সাড়ে চার বছর পর একটি বুস্টার ডোজ দিলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে এর কার্যকারিতা ৭৪ দশমিক ৩ শতাংশ এবং হাসপাতালে ভর্তি প্রতিরোধে ৯০ দশমিক ৬ শতাংশে উন্নীত হয়। টিআইডিইএস ট্রায়ালের তথ্য এও প্রমাণ করে যে, আগে ডেঙ্গু না হওয়া (সেরোনেগেটিভ) ব্যক্তিদের কিউডেঙ্গা দিলে পরে প্রাকৃতিকভাবে আক্রান্ত হলেও রোগের তীব্রতা বৃদ্ধির (এডিই) কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে এই টিকার ক্ষেত্রে প্রাক-টিকা রক্তপরীক্ষার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

২০২২ সালে ইন্দোনেশিয়ার এফডিএ প্রথম এটি অনুমোদন দেয় এবং পরে ইউরোপীয় মেডিসিন এজেন্সি (ইএমএ), যুক্তরাজ্য, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম ও ভারতে টিকাটি নিবন্ধিত হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তাদের ২০২৪ সালের মে মাসে প্রকাশিত পজিশন পেপারে উচ্চ ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাবযুক্ত অঞ্চলে ৬ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশুদের জনস্বাস্থ্য টিকাদান কর্মসূচিতে কিউডেঙ্গা অন্তর্ভুক্ত করার জোর সুপারিশ করেছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে কিউডেঙ্গার প্রতি ডোজের বাণিজ্যিক মূল্য প্রায় ২০ থেকে ৩০ মার্কিন ডলারের মধ্যে ওঠানামা করে। থাইল্যান্ডে পরিচালিত ডাইনামিক মডেলিং গবেষণায় দেখা গেছে, ১১ বছর বয়সীদের রুটিন টিকাদান কর্মসূচিতে কিউডেঙ্গা যুক্ত করলে ২০ বছরে ৪৪ শতাংশ কেস ও ৫৩ শতাংশ হাসপাতালে ভর্তি প্রতিরোধ করা সম্ভব, যা দেশটির প্রায় ১৩৪৭ কোটি ডলার সাশ্রয় করবে। অন্যদিকে ইন্দোনেশিয়ায় দেশব্যাপী স্ক্রিনিংসহ ৩-ডোজের কর্মসূচি চালাতে গেলে মোট রুটিন টিকাদান বাজেটের ৯৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ খরচ হয়ে যাওয়ার হিসাব উঠে এসেছে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীরPrime Minister Tareq

এই প্রধান দুটি টিকার পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে আরও বেশ কিছু উদীয়মান টিকা ও প্ল্যাটফর্ম নিয়ে গবেষণা ও ট্রায়াল চলছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ (এনআইএআইডি) উদ্ভাবিত এক-ডোজের TV003/TV005 টিকাটি ব্রাজিলিয়ান সংস্থা ইনস্টিটিউটো বুটানটান ‘Butantan-DV’ নামে ফেজ-৩ ট্রায়ালে প্রায় ৮০ শতাংশ কার্যকারিতা প্রদর্শন করেছে।

এ ছাড়া ভারতের পানাসিয়া বায়োটেক (DengiAll) এবং যুক্তরাষ্ট্রের এমএসডি (V181) টিকা নিয়ে ফেজ-৩ ট্রায়াল পরিচালনা করছে।

অন্যদিকে, টিকার পাশাপাশি ভেক্টর কন্ট্রোল বা মশা নিয়ন্ত্রণের একটি বিকল্প হিসেবে ‘ওলবাকিয়া’ প্রযুক্তির সফল প্রয়োগ দেখা গেছে। ইন্দোনেশিয়ার ইয়োগিয়াকার্তায় চালিত গোল্ড-স্ট্যান্ডার্ড ট্রায়ালে দেখা গেছে, ওলবাকিয়া ব্যাকটেরিয়াবাহী মশা প্রকৃতিতে ছড়িয়ে দিলে তা লক্ষণযুক্ত ডেঙ্গু ৭৭ শতাংশ এবং ডেঙ্গুর কারণে হাসপাতালে ভর্তি ৮৬ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়।

বাংলাদেশে কবে আসতে পারে

বাংলাদেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব ও প্রাণহানি রোধে টিকা চালুর বিষয়টি নিয়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে জোরালো চিন্তাভাবনা চলছে। সম্প্রতি রাজধানীর হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অডিটরিয়ামে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) আয়োজিত ‘ডেঙ্গু সংকট মোকাবিলায় করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেন। সেমিনারে প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত বলেন, “দীর্ঘমেয়াদে ভ্যাকসিন নিয়ে কথাবার্তা হচ্ছে। পৃথিবীতে এই মুহূর্তে সম্ভবত তিনটি ক্যান্ডিডেট ডেঙ্গু ভ্যাকসিন আছে। আমাদের দেশেও এ নিয়ে চিন্তাভাবনা ও কথা হচ্ছে। তবে সেটা এই মুহূর্তে হচ্ছে না।”

প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশে ডেঙ্গুর চারটি ভ্যারিয়েন্টই সক্রিয়ভাবে দেখা যাচ্ছে, যা একটি ‘ইউনিক সায়েন্টিফিক ফাইন্ডিং’। বিশ্বের অনেক দেশে এক বা দুটি ভ্যারিয়েন্ট বেশি ছড়ালেও বাংলাদেশে সব ভ্যারিয়েন্টের সহাবস্থান রোগটিকে আরও জটিল করে তুলেছে। সম্প্রতি নিজের জাপান সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি জানান, জাপানেও একটি ক্যান্ডিডেট ডেঙ্গু ভ্যাকসিন (কিউডেঙ্গা) রয়েছে এবং এসব বিষয় নিয়ে সরকার আলোচনা করছে। তবে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, দেশে সরাসরি টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এ বিষয়ে আরও বিশদ গবেষণা, স্থানীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও বৈজ্ঞানিক উপাত্ত পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে।

ডেঙ্গু মোকাবিলায় সচেতনতা ও সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীরPrime Minister–Dengue

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা যদি মৃত্যুর হার কমাতে চাই, আক্রান্তের হার কমাতে চাই, প্রথম কাজটি হচ্ছে প্রিভেনশনের (প্রতিরোধ) জন্য কাজ করতে হবে। শুধু সরকার বা কোনো একটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে পুরো দেশ পরিষ্কার রাখা সম্ভব নয়; এ জন্য জনগণের ব্যাপক সম্পৃক্ততা প্রয়োজন।”

পরে বাংলা একাডেমিতে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক এক সেমিনারে প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে ডেঙ্গু টিকার সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, সরকার শিগগিরই ভাইরোলজিস্ট, ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল বিশেষজ্ঞ ও জনস্বাস্থ্যবিদদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের টেকনিক্যাল বৈঠকে বসবে। সেখানে পর্যালোচনা করা হবে যে, বাংলাদেশে নতুন করে কিউডেঙ্গার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল বা পরীক্ষামূলক প্রয়োগ চালানো হবে, নাকি ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইএমএ) ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত বিদ্যমান বৈজ্ঞানিক উপাত্তের ভিত্তিতেই সরাসরি নিবন্ধনের অনুমোদন দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ রায়হান টিকার ভৌগোলিক কার্যকারিতা ও বাস্তবসম্মত বিকল্পের ওপর জোর দিয়ে চরচাকে বলেন, “যেকোনো দেশে নতুন কোনো টিকা প্রবর্তন করতে হলে যাচাই-বাছাইয়ের অনেকগুলো ধাপ পার হতে হয়। অন্য কোনো দেশ ট্রায়ালে সফল হয়েছে বলেই যে বাংলাদেশে সরাসরি ভ্যাক্সিনেশন শুরু করা যাবে, বিষয়টি এমন নয়; কারণ নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য ও ইমিউনোলজিক্যাল ভ্যালুয়েশনের ওপর টিকার কার্যকারিতা অনেকাংশে নির্ভর করে। তাই আমরা শুরু করতে চাইলে আমাদের নিজস্ব ভৌগোলিক প্রেক্ষাপট ও জনগোষ্ঠীর ওপর ভিত্তি করেই ট্রায়াল পরিচালনা করতে হবে।”

হাসপাতাল কিংবা ঘর- সংক্রমণ প্রতিরোধে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকে অবশ্যই মশারি ব্যবহার করতে হবে। ছবি: রয়টার্স
হাসপাতাল কিংবা ঘর- সংক্রমণ প্রতিরোধে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকে অবশ্যই মশারি ব্যবহার করতে হবে। ছবি: রয়টার্স

সম্ভাবনা কী

বাংলাদেশে ডেঙ্গু টিকা আমদানির সম্ভাবনা, এটি কবে নাগাদ আসতে পারে, কীভাবে আসবে এবং সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে এর সম্ভাব্য খরচ কেমন পড়বে–তার একটি চিত্র পাওয়া যায় বিশেষজ্ঞদের সাথে আলোচনায়।

বাংলাদেশে ডেঙ্গু টিকা প্রবর্তনের ক্ষেত্রে দুটি সম্ভাব্য প্রশাসনিক উপায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রথম পথটি হলো লোকাল ফিল্ড ট্রায়াল, যেখানে দেশীয় জনগোষ্ঠীর ওপর টিকার ভৌগোলিক কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা যাচাই করতে আইইডিসিআর বা নির্দিষ্ট গবেষণাকেন্দ্রের মাধ্যমে ৬ থেকে ১৬ বছর বয়সীদের মধ্যে একটি পরীক্ষামূলক পাইলট প্রজেক্ট শুরু করা যেতে পারে। অন্যদিকে দ্বিতীয় পথটি হলো সরাসরি জরুরি ব্যবহার অনুমোদন বা ইমার্জেন্সি ইউজ অথরাইজেশন (ইইউএ)। যেহেতু কিউডেঙ্গা ও ডেনগভ্যাক্সিয়া টিকার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রিকুয়ালিফিকেশন রয়েছে, তাই ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কাছে কোনো নিবন্ধিত আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আবেদন করলে আন্তর্জাতিক গবেষণার উপাত্ত পর্যালোচনা করে সরাসরি আমদানির লাইসেন্স দেওয়া সম্ভব।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে Dengue treatment at a hospital in Dhaka, September 7, 2026–Reuters

জাপানের তাকেডা ফার্মাসিউটিক্যালসের কিউডেঙ্গা ভ্যাকসিনটি যদি বাংলাদেশে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বেসরকারিভাবে আমদানি করা হয়, তবে ২ ডোজ টিকার আনুমানিক দাম পড়বে ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকা। বর্তমানে অত্যন্ত সীমিত পরিসরে কেবল সামর্থ্যবান ব্যক্তিরা নিজ উদ্যোগে ব্যাংকক বা ব্রাজিল থেকে ব্যক্তিগতভাবে এই টিকা এনে ব্যবহার করছেন। তবে সাধারণ বাজারে ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকা দাম নির্ধারিত হলে তা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার পুরোপুরি বাইরে থেকে যাবে। এই অর্থনৈতিক বাধা দূর করতে সরকারকে কাস্টমস ডিউটি বা আমদানি শুল্ক কমানো কিংবা টিকাটিকে ‘অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ তালিকা’র অন্তর্ভুক্ত করার মতো বাণিজ্যনীতি গ্রহণ করতে হবে।

সরকারি টিকাদান কর্মসূচিতে এটি অন্তর্ভুক্তির জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। সরকার যদি গ্যাভি কিংবা অন্যান্য আন্তর্জাতিক সহায়তার মাধ্যমে ভর্তুকিমূল্যে এই টিকা সংগ্রহ করতে পারে, তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতি অনুসরণ করে প্রাথমিক ধাপে দেশের উচ্চ-প্রাদুর্ভাবযুক্ত ডেঙ্গু হটস্পটগুলোতে স্কুলে পাঠরত ৬ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিনামূল্যে সরকারি টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনার একটি বড় সম্ভাবনা তৈরি হবে।

খুলনাতে মশক নিধন কর্মসূচিও কাজে আসছে না। ছবি: চরচা
খুলনাতে মশক নিধন কর্মসূচিও কাজে আসছে না। ছবি: চরচা

বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন

বাংলাদেশে ডেঙ্গুর টিকা চালুর ট্রায়াল, নিরাপত্তা, দেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং কৌশলগত দিক নিয়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞরা ভিন্ন ভিন্ন দিক থেকে তাদের মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেছেন।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসেন ডেঙ্গু টিকার জটিলতা ও ট্রায়ালের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে চরচাকে বলেন, “ডেঙ্গু টিকাটা একটু জটিল, কাজেই এটাকে ট্রায়াল ছাড়া দিতে গেলে বিপদ হতে পারে। এর আগে ডেনগভ্যাক্সিয়া শুরু হওয়ার পর ফিলিপাইন ও যুক্তরাষ্ট্রে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে সমস্যা তৈরি হয়েছিল। বাংলাদেশে টিকাদান কর্মসূচির যে বৈশ্বিক সুনাম রয়েছে এবং মানুষের যে আস্থা আছে, তাড়াহুড়ো করে কোনো ভুল পদক্ষেপে তা নষ্ট করা যাবে না। তাই বাংলাদেশে যেকোনো ডেঙ্গু টিকা প্রয়োগের আগে নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর ওপর ট্রায়াল অবশ্যই করা উচিত এবং ধৈর্য ধরে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার।”

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদের অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে দেশের গবেষকদের প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়ে চরচাকে বলেন, “বাংলাদেশে ফেজ-১ থেকে শুরু করে ফেজ-৩ পর্যন্ত যেকোনো স্তরের ট্রায়াল করার পূর্ণ প্রযুক্তিগত ও বৈজ্ঞানিক সক্ষমতা আমাদের রয়েছে। এর আগে বঙ্গভ্যাক্সসহ একাধিক ড্রাগের ট্রায়াল দেশীয় গবেষকরা সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন।”

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৯৪৮dengue

সীতেশ চন্দ্র বাছার বলেন, “আমাদের মূল সমস্যা সক্ষমতার অভাব নয়, বরং মানসিকতার জায়গাটি। কারণ অনেকেই ভাবেন, আমাদের উপযুক্ত এক্সপার্টাইজ নেই কিংবা ট্রায়ালে অংশ নিয়ে গিনিপিগ হতে চাই না। কিন্তু সরকার যদি তাদের মতো বিশেষজ্ঞদের আহ্বান জানায়, তবে দেশের ও সাধারণ মানুষের স্বার্থে তারা নিজেদের উজাড় করে সহযোগিতা করতে শতভাগ প্রস্তুত।”

কিউডেঙ্গার দাম ও আন্তর্জাতিক পেটেন্ট নিয়ম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “নতুন উদ্ভাবিত যেকোনো ভ্যাকসিন বাজারে আনতে বিপুল অর্থ ও সময় ব্যয় হয় এবং আন্তর্জাতিক নিয়মানুযায়ী পেটেন্ট স্বত্ব বহাল থাকা পর্যন্ত উদ্ভাবক কোম্পানিগুলো সর্বোচ্চ মুনাফা বা খরচের সুবিধা নেবেই। তবে অল্প সময়ের মধ্যে এই ভ্যাকসিনের পেটেন্ট সুবিধা শেষ হয়ে যখন এটি জেনেরিক রূপ নেবে, তখন সবাই এটি তৈরি করতে পারবে এবং দামও সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে চলে আসবে।”

টিকার ব্যয়ভার ও উৎস নির্মূলের তাগিদ দিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ রায়হান বলেন যে, “বেসরকারি খাতে দুই ডোজের দাম যদি ১৫ হাজার টাকা হয়, তবে সাধারণ মানুষের তা কেনার ক্ষমতা নেই। যেখানে আমাদের ৫০ শয্যার উপজেলা হাসপাতালগুলোতে জনবল ও লজিস্টিকসের ৫০ শতাংশ চাহিদা মেটাতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে, সেখানে বিপুল অর্থ ব্যয় করে ডেঙ্গু টিকায় সরকারের পক্ষে ভর্তুকি দেওয়া সম্ভব নয়।”

ড. জাহিদ আরও বলেন, “আমাদের মতো দেশের জন্য লার্ভা ধ্বংস করা সহজ ও সাশ্রয়ী। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ যেভাবে টার্গেটেড লার্ভা ধ্বংস করে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে রেখেছে, আমাদেরও সে পথ ধরতে হবে। কারণ ধোঁয়ায় মশা মরে না, বাসাবাড়িতে অভিযান চালিয়ে বড় অঙ্কের জরিমানা ও লার্ভিসাইড প্রয়োগের মাধ্যমে লার্ভা ধ্বংস করাই ডেঙ্গু মোকাবিলার আসল সমাধান।”

বিষয়: ভ্যাকসিনচিকিৎসাসরকারটিকাডেঙ্গুস্বাস্থ্যঝুঁকিরোগস্বাস্থ্যবাংলাদেশ
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    টুপটুপ রিসোর্টে আগুন: মালিককে প্রধান আসামি করে মামলা

  • ২

    ভারতের মধ্যপ্রদেশে মন্দিরের কাছে ট্রাক চাপায় নিহত ১২

  • ৩

    নেত্রকোণায় সাংবাদিক আলিফ হত্যার অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

  • ৪

    ফ্রান্সে কি অভিবাসীরাই সবচেয়ে বড় সমস্যা?

  • ৫

    প্রচলিত দই খেয়ে কি অকার্যকর হচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক? বিকল্প পদ্ধতির পরামর্শ ঢাবি বিজ্ঞানীরা

সম্পর্কিত
  • মবের শিকার ৪৫০০ শিক্ষক কেমন আছেন?

    মবের শিকার ৪৫০০ শিক্ষক কেমন আছেন?

    বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রমে ঢাকার ধামরাই উপজেলার ৮৫ বছরের পুরনো ও জীর্ণ এক গ্রামীণ বিদ্যালয়ে পড়াতেন তিনি। টানা দুবার নির্বাচিত হয়েছিলেন উপজেলার সেরা প্রধান শিক্ষক। যে প্রতিষ্ঠানে পাসের হার কোনোদিন কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি, সেখানে তিনি ৯৫ শতাংশ পাসের রেকর্ড গড়েছিলেন। কিন্তু ক্লাস ফাঁকি বন্ধ করা

  • সেমিকন্ডাক্টর শিল্প: বিলিয়ন ডলারের সম্ভাবনা, মিলিয়নে আটকে বাংলাদেশ

    সেমিকন্ডাক্টর শিল্প: বিলিয়ন ডলারের সম্ভাবনা, মিলিয়নে আটকে বাংলাদেশ

    হাতের স্মার্টফোন থেকে শুরু করে অটোমোবাইল, কিংবা এই যে মহাকাশে রোবট পাঠাচ্ছে মানুষ, অথবা যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ যুদ্ধের যে সরঞ্জাম–এই সবকিছুর মধ্যে একটি বিষয় কিন্তু এক। আর তা হলো সেমিকন্ডাক্টর, যাকে বলা হয় ‘ডিজিটাল জ্বালানি’। এ ক্ষেত্রে মূল প্রতিযোগিতায় রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, তাইওয়ান, জাপানের মতো

  • সিগারেটের ব্যান্ডরোল: রাজস্ব আদায়ে খাওয়াচ্ছে ঘোল

    সিগারেটের ব্যান্ডরোল: রাজস্ব আদায়ে খাওয়াচ্ছে ঘোল

    সিগারেটের প্রতিটি প্যাকেটে থাকা ছোট্ট ব্যান্ডরোল শুধু একটি কাগজের ফিতা নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সরকারের বিপুল রাজস্ব আদায়ের হিসাব। কোন দামের সিগারেট, কত শলাকা উৎপাদন হচ্ছে এবং সেই উৎপাদনের বিপরীতে কত ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক আদায় হওয়ার কথা, তা নিয়ন্ত্রণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ এই ব্যান্ডরোল ব্যবস্থা।

  • ৭ ইসলামী দলের ঐক্য কি আদৌ হবে?

    ৭ ইসলামী দলের ঐক্য কি আদৌ হবে?

    কওমিপন্থী অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের উদ্যোগে ৭ ইসলামী রাজনৈতিক দলের ঐক্য এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এই জোটের বাইরে অন্য কোনো জোটে থাকা যাবে না–এই শর্তে ঐক্য প্রক্রিয়ায় থাকা সব দল ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি। এর বাইরেও আরো কয়েকটি শর্ত নিয়ে দলগুলোর মধ্যে মতবিরোধ আছে বলে জানা গেছে। তবে আলোচনার পথ এখনও