চরচা ডেস্ক

আঞ্চলিক যোগাযোগ, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনকে যুক্ত করে একটি ইকোনমিক করিডোর গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছে চীন।
চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠকে এ প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।
স্থানীয় সময় আজ শুক্রবার সকালে বেইজিংয়ের ঐতিহ্যবাহী ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপলে’ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর বেইজিং সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন বলেন, “বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার এবং চীন হয়ে একটি ইকোনোমিক করিডোর তৈরির প্রস্তাব এসেছে। এই ইকোনোমিক করিডোরের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতির ব্যাপ্তি বাড়ানো, ট্রানজেকশন বাড়ানো এবং মাল্টি-মডারেল ট্রান্সপোর্টকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।”
মাহদী আমিন জানান, তারেক রহমানের বেইজিং সফরে মোট ১৭টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে।
এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই হয়। এছাড়া বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও চীনের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের মধ্যে তিনটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।
এ ছাড়া চীনের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি) ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।

আঞ্চলিক যোগাযোগ, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনকে যুক্ত করে একটি ইকোনমিক করিডোর গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছে চীন।
চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠকে এ প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।
স্থানীয় সময় আজ শুক্রবার সকালে বেইজিংয়ের ঐতিহ্যবাহী ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপলে’ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর বেইজিং সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন বলেন, “বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার এবং চীন হয়ে একটি ইকোনোমিক করিডোর তৈরির প্রস্তাব এসেছে। এই ইকোনোমিক করিডোরের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতির ব্যাপ্তি বাড়ানো, ট্রানজেকশন বাড়ানো এবং মাল্টি-মডারেল ট্রান্সপোর্টকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।”
মাহদী আমিন জানান, তারেক রহমানের বেইজিং সফরে মোট ১৭টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে।
এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই হয়। এছাড়া বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও চীনের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের মধ্যে তিনটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।
এ ছাড়া চীনের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি) ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।