সিলেট প্রতিনিধি

হযরত শাহজালাল (রহঃ) মাজারের আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতার লক্ষ্যে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে সিলেটের সার্কিট হাউজে হযরত শাহজালাল (রহঃ) মাজারের ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন নিয়ে বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে প্রধান করে গঠিত কমিটির সদস্যরা হলেন- সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রশাসক রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মশিউর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের শামীম, সিলেটের ডিআইজি, মহানগর পুলিশ কমিশনার, মাজারের মতোয়াল্লি পরিবারের দুজন সদস্য, মাজার মাদরাসা ও মসজিদের দুজন প্রতিনিধি। এই কমিটির সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন জেলা প্রশাসক।
মাজারের দানবাক্সে তালা দেওয়া নিয়ে আলোচনা সমালোচনার মধ্যে এ বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, “হযরত শাহজালাল (রহঃ) মাজার সিলেটের পরিচয় বহন করে অথবা সিলেটের প্রধান পরিচায়ক। আমরা এ মাজারের ব্যবস্থাপনার জন্য, অধিকতর স্বচ্ছতার জন্য মাজারের মোতল্লিসহ সকলে একমত পোষণ করেছে। আমার নেতৃত্বে সিলেট জেলা প্রশাসক, সিটি করপোরেশন প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার, উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি, সিলেট রেঞ্জের ডিইজি, দরগাহ-এর মোতোয়ালি পরিবারে দুজন প্রতিনিধি, মাদরাসা এবং মসজিদের ২ জন প্রতিনিধি, সিলেট এসএমপি কমিশনার সহ আমরা আগামী একমাসের মধ্যে বসে একটি যৌক্তিক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি ঠিক করবো। যেন এই সমস্যার সমাধান হয়।’’
একমাসের মধ্যে এই কমিটি মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনার একটি ‘যৌক্তিক পদ্ধতি’ নির্ধারণ করবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
এ বিষয়ে একটি কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বিষয়টি নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রী জানান, দরগাহ-এর উন্নয়ন, দানের অর্থ ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক কার্যক্রমে যৌক্তিক সমাধানে পৌঁছাতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আর্থিক হিসাবে স্বচ্ছতা আনতে ঐক্যমতে পৌঁছেছেন সকলে৷ মাজার কর্তৃপক্ষও এ ব্যাপারে একমত। সবার মতামতের ভিত্তিতে সবপক্ষের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি আগামী এক মাসের মধ্যে ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণ করবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, “পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখাই মূল লক্ষ্য। আপাতত বিদ্যমান কমিটির নিয়ম অনুযায়ী দানের টাকা গণনা করবে এবং তা চলমান ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা হবে।”
মাজার নিয়ে বিদায়ী জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের উদ্যোগ নিয়ে মন্ত্রী বলেন, “আমরা পেছনের ঘটনা নিয়ে আলোচনা করতে চাই না। সামনে এগিয়ে যেতে চাই। তবে কাজ করার দুটি পদ্ধতি আছে। একটি হলো- কাজ করা, আর আরেকটি হলো- সবাইকে নিয়ে কাজ করা। যাতে সবার অংশগ্রহণ থাকে। কোন বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি না হয়। আমরা সেরকম উদ্যোগ নিয়েছি। যাতে স্বচ্ছতাও আসবে, সবার অংশগ্রহণও থাকবে।”
এর আগে, সার্কিট হাউসে রুদ্ধদ্বার সভায় দরগাহর ঐতিহ্য, ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি এবং উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য করার বিষয়েও আলোচনা হয়। বৈঠকে রাজনীতিবিদ, প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, মাজার কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন।
গত ১২ জুন হজরত শাহজালাল (রহঃ) ও হজরত শাহপরান (রহঃ)-এর মাজার পরিদর্শনে যান সাবেক ডিসি সারওয়ার আলম। এ সময় তিনি মাজারের আয়-ব্যয়ের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এরই অংশ হিসেবে গত ১৮ জুন বিকেলে মাজারে নতুন চারটি দানবাক্স স্থাপন করা হয়। পাশাপাশি মাজারে মানুষের দানের অর্থ রাখার জন্য থাকা ঐতিহাসিক তিনটি দানের ডেগ ও একটি দানবাক্স সিলগালা করা হয়।
ঘটনাটির পর জেলা প্রশাসকের পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়। এ বিতর্কের মধ্যেই গত রোববার বিকেলে জেলা প্রশাসককে প্রত্যাহার করে প্রজ্ঞাপন দেয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এ প্রজ্ঞাপনের পর ডিসিকে স্বপদে পুনর্বহালের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি করে বিভিন্ন সংগঠন।
ডিসির প্রত্যাহার হওয়ার প্রজ্ঞাপন জারির পরদিন সোমবার সারওয়ার আলম মাজারে যান। বেলা দুইটার দিকে তার নির্দেশনায় দানবাক্স ও সিলগালা করা ডেগগুলো খোলা হয়। টাকা গণনা শেষে সন্ধ্যায় জানানো হয়, আটটি ডেগ ও দানবাক্সে মোট ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা নগদ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ৭ আনা স্বর্ণালংকার ও ১০ সৌদি রিয়াল মিলেছে। এসব টাকা হজরত শাহজালাল (রহঃ)-এর মাজারের নামে ব্যাংক হিসাবে রাখা হবে।

হযরত শাহজালাল (রহঃ) মাজারের আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতার লক্ষ্যে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে সিলেটের সার্কিট হাউজে হযরত শাহজালাল (রহঃ) মাজারের ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন নিয়ে বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে প্রধান করে গঠিত কমিটির সদস্যরা হলেন- সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রশাসক রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মশিউর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের শামীম, সিলেটের ডিআইজি, মহানগর পুলিশ কমিশনার, মাজারের মতোয়াল্লি পরিবারের দুজন সদস্য, মাজার মাদরাসা ও মসজিদের দুজন প্রতিনিধি। এই কমিটির সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন জেলা প্রশাসক।
মাজারের দানবাক্সে তালা দেওয়া নিয়ে আলোচনা সমালোচনার মধ্যে এ বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, “হযরত শাহজালাল (রহঃ) মাজার সিলেটের পরিচয় বহন করে অথবা সিলেটের প্রধান পরিচায়ক। আমরা এ মাজারের ব্যবস্থাপনার জন্য, অধিকতর স্বচ্ছতার জন্য মাজারের মোতল্লিসহ সকলে একমত পোষণ করেছে। আমার নেতৃত্বে সিলেট জেলা প্রশাসক, সিটি করপোরেশন প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার, উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি, সিলেট রেঞ্জের ডিইজি, দরগাহ-এর মোতোয়ালি পরিবারে দুজন প্রতিনিধি, মাদরাসা এবং মসজিদের ২ জন প্রতিনিধি, সিলেট এসএমপি কমিশনার সহ আমরা আগামী একমাসের মধ্যে বসে একটি যৌক্তিক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি ঠিক করবো। যেন এই সমস্যার সমাধান হয়।’’
একমাসের মধ্যে এই কমিটি মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনার একটি ‘যৌক্তিক পদ্ধতি’ নির্ধারণ করবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
এ বিষয়ে একটি কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বিষয়টি নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রী জানান, দরগাহ-এর উন্নয়ন, দানের অর্থ ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক কার্যক্রমে যৌক্তিক সমাধানে পৌঁছাতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আর্থিক হিসাবে স্বচ্ছতা আনতে ঐক্যমতে পৌঁছেছেন সকলে৷ মাজার কর্তৃপক্ষও এ ব্যাপারে একমত। সবার মতামতের ভিত্তিতে সবপক্ষের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি আগামী এক মাসের মধ্যে ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণ করবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, “পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখাই মূল লক্ষ্য। আপাতত বিদ্যমান কমিটির নিয়ম অনুযায়ী দানের টাকা গণনা করবে এবং তা চলমান ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা হবে।”
মাজার নিয়ে বিদায়ী জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের উদ্যোগ নিয়ে মন্ত্রী বলেন, “আমরা পেছনের ঘটনা নিয়ে আলোচনা করতে চাই না। সামনে এগিয়ে যেতে চাই। তবে কাজ করার দুটি পদ্ধতি আছে। একটি হলো- কাজ করা, আর আরেকটি হলো- সবাইকে নিয়ে কাজ করা। যাতে সবার অংশগ্রহণ থাকে। কোন বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি না হয়। আমরা সেরকম উদ্যোগ নিয়েছি। যাতে স্বচ্ছতাও আসবে, সবার অংশগ্রহণও থাকবে।”
এর আগে, সার্কিট হাউসে রুদ্ধদ্বার সভায় দরগাহর ঐতিহ্য, ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি এবং উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য করার বিষয়েও আলোচনা হয়। বৈঠকে রাজনীতিবিদ, প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, মাজার কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন।
গত ১২ জুন হজরত শাহজালাল (রহঃ) ও হজরত শাহপরান (রহঃ)-এর মাজার পরিদর্শনে যান সাবেক ডিসি সারওয়ার আলম। এ সময় তিনি মাজারের আয়-ব্যয়ের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এরই অংশ হিসেবে গত ১৮ জুন বিকেলে মাজারে নতুন চারটি দানবাক্স স্থাপন করা হয়। পাশাপাশি মাজারে মানুষের দানের অর্থ রাখার জন্য থাকা ঐতিহাসিক তিনটি দানের ডেগ ও একটি দানবাক্স সিলগালা করা হয়।
ঘটনাটির পর জেলা প্রশাসকের পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়। এ বিতর্কের মধ্যেই গত রোববার বিকেলে জেলা প্রশাসককে প্রত্যাহার করে প্রজ্ঞাপন দেয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এ প্রজ্ঞাপনের পর ডিসিকে স্বপদে পুনর্বহালের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি করে বিভিন্ন সংগঠন।
ডিসির প্রত্যাহার হওয়ার প্রজ্ঞাপন জারির পরদিন সোমবার সারওয়ার আলম মাজারে যান। বেলা দুইটার দিকে তার নির্দেশনায় দানবাক্স ও সিলগালা করা ডেগগুলো খোলা হয়। টাকা গণনা শেষে সন্ধ্যায় জানানো হয়, আটটি ডেগ ও দানবাক্সে মোট ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা নগদ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ৭ আনা স্বর্ণালংকার ও ১০ সৌদি রিয়াল মিলেছে। এসব টাকা হজরত শাহজালাল (রহঃ)-এর মাজারের নামে ব্যাংক হিসাবে রাখা হবে।