চরচা ডেস্ক

কারিতাস বাংলাদেশের উদ্যোগে জলবায়ু অভিবাসীদের জন্য সঠিক নীতিমালা এগিয়ে নিতে গণমাধ্যমের ভূমিকা বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) অডিটোরিয়ামে জাতীয় পর্যায়ের এই পরামর্শমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই আলোচনায় অংশ নেন দেশের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকেরা।
এতে অতিথি আলোচক হিসেবে মতামত তুলে ধরেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও চরচা ডটকম-এর সম্পাদক সোহরাব হাসান, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রাক্তন সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাহী সদস্য শাহীন হাসনাত।
চরচা ডটকম-এর সম্পাদক সোহরাব হাসান বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাস্তুচ্যুতদের নিয়ে সংকট দিনদিন আরো বাড়ছে। সংকটটি এখন বহুমুখী এবং অনেক সময় চোখে পড়ে না। ফলে এর সমাধানে পৃথক মন্ত্রণালয় গঠন করা যেতে পারে।” পাশাপাশি তিনি জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সরকারি প্রকল্পগুলোর অপচয় কমানোর উপরও মনযোগ দেবার জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী জলবায়ু উদ্বাস্তুদের ঠিকানা গ্রামে হওয়ায় শহরে তারা সামাজিক সুরক্ষার কোন সুবিধা পায় না বলেও মন্তব্য করেন সোহরাব হোসেন।
কারিতাস বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান আলেকজান্ডার ত্রিপুরা সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ কার্বন নিঃসরণ করে খুবই কম কিন্তু ক্ষতির শিকার হয় অনেক বেশি। উন্নত অনেক দেশ অধিক পরিমাণ কার্বন নিঃসরণ করছে এবং ক্ষতিপূরণ হিসেবে তারা সরকারকে পর্যাপ্ত না হলেও অনুদান ও সহযোগিতা করছে।”
আলেকজান্ডার ত্রিপুরা ওই অনুদানের ব্যবহার যথাযথভাবে হবার উপর জোর দেন। অবকাঠামো উন্নত করার পাশাপাশি তিনি জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সংকট সমাধানের মত একটি জটিল বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেন।
সভায় কারিতাস বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শহরাঞ্চলের জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিবাসীদের মর্যাদাপূর্ণ অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে বর্তমানে বাংলাদেশের খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলায় জার্মান সরকারের বিএমজেড এবং কারিতাস জার্মানির যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত ডিআরআর ও সিসিএ প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ করছে কারিতাস।

কারিতাস বাংলাদেশের উদ্যোগে জলবায়ু অভিবাসীদের জন্য সঠিক নীতিমালা এগিয়ে নিতে গণমাধ্যমের ভূমিকা বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) অডিটোরিয়ামে জাতীয় পর্যায়ের এই পরামর্শমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই আলোচনায় অংশ নেন দেশের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকেরা।
এতে অতিথি আলোচক হিসেবে মতামত তুলে ধরেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও চরচা ডটকম-এর সম্পাদক সোহরাব হাসান, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রাক্তন সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাহী সদস্য শাহীন হাসনাত।
চরচা ডটকম-এর সম্পাদক সোহরাব হাসান বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাস্তুচ্যুতদের নিয়ে সংকট দিনদিন আরো বাড়ছে। সংকটটি এখন বহুমুখী এবং অনেক সময় চোখে পড়ে না। ফলে এর সমাধানে পৃথক মন্ত্রণালয় গঠন করা যেতে পারে।” পাশাপাশি তিনি জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সরকারি প্রকল্পগুলোর অপচয় কমানোর উপরও মনযোগ দেবার জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী জলবায়ু উদ্বাস্তুদের ঠিকানা গ্রামে হওয়ায় শহরে তারা সামাজিক সুরক্ষার কোন সুবিধা পায় না বলেও মন্তব্য করেন সোহরাব হোসেন।
কারিতাস বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান আলেকজান্ডার ত্রিপুরা সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ কার্বন নিঃসরণ করে খুবই কম কিন্তু ক্ষতির শিকার হয় অনেক বেশি। উন্নত অনেক দেশ অধিক পরিমাণ কার্বন নিঃসরণ করছে এবং ক্ষতিপূরণ হিসেবে তারা সরকারকে পর্যাপ্ত না হলেও অনুদান ও সহযোগিতা করছে।”
আলেকজান্ডার ত্রিপুরা ওই অনুদানের ব্যবহার যথাযথভাবে হবার উপর জোর দেন। অবকাঠামো উন্নত করার পাশাপাশি তিনি জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সংকট সমাধানের মত একটি জটিল বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেন।
সভায় কারিতাস বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শহরাঞ্চলের জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিবাসীদের মর্যাদাপূর্ণ অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে বর্তমানে বাংলাদেশের খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলায় জার্মান সরকারের বিএমজেড এবং কারিতাস জার্মানির যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত ডিআরআর ও সিসিএ প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ করছে কারিতাস।