রাজশাহী প্রতিনিধি

বাগমারা উপজেলার বীরকুৎসা এলাকায় অবস্থিত শতবর্ষী বীরকুৎসা হাজার দুয়ারি জমিদার বাড়ি এখন সংস্কারের অভাবে ধ্বংসের পথে। সান্তাহার-নাটোর রেললাইনের পাশের এই স্থাপনাটি একসময় এলাকার ঐতিহ্য ও জমিদারি সংস্কৃতির নিদর্শন হিসেবে পরিচিত ছিল। বর্তমানে জরাজীর্ণ ভবনটি দ্রুত সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা, গবেষক ও শিক্ষাবিদরা।
স্থানীয়দের কাছে ‘বীরকুৎসা হাজার দুয়ারি’ নামে পরিচিত এই জমিদার বাড়ির ইতিহাস অনেক পুরোনো। বীরকুৎসা অবিনাশ স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. জুলফিকার আলী জানান, এই জমিদার বাড়ির মূল প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন অবিনাশ ব্যানার্জী। তার কোনো পুত্রসন্তান না থাকায় কন্যা প্রতিভাময়ী দেবী সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হন। পরে প্রতিভাময়ীর ছেলে বীরেশ্বর ব্যানার্জী জমিদারির দায়িত্ব নেন এবং শিক্ষার প্রসারে প্রতিষ্ঠা করেন বীরকুৎসা অবিনাশ স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
জুলফিকার আলী বলেন, বাড়িটিকে হাজার দুয়ারি বলা হলেও এখানে ঠিক এক হাজার দরজা নেই। অসংখ্য দরজা ও জানালার কারণে এলাকাবাসী এই নাম দিয়েছে। বাড়িটির দরজা-জানালায় কাঠ, কাঁচ ও লোহার কারুকাজ ছিল, যা একসময় স্থাপনাটিকে অনন্য সৌন্দর্য দিয়েছিল।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ইউরোপীয় ধাঁচে নির্মিত দ্বিতল এই ভবনের নির্মাণকাজ অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ দিকে শুরু হয়। ভবনের বড় বড় হলরুম, ভেনিসীয় গ্লাসের জানালা এবং মার্বেল পাথরের মেঝে একসময় এর আভিজাত্যের পরিচয় বহন করত। কিন্তু বর্তমানে জানালার কাঁচ ভাঙা, মার্বেল খুলে নেওয়া হয়েছে এবং ভবনের বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়ছে।
মোস্তাফিজুর রহমান আরও বলেন, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত হলেও এখানে কোনো তদারকি নেই। দ্রুত সংরক্ষণ না করা হলে ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটি একসময় পুরোপুরি হারিয়ে যেতে পারে।
প্রতি বছর পহেলা বৈশাখ, ঈদ ও বিভিন্ন ছুটির দিনে শত শত দর্শনার্থী এখানে ভিড় করেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, সঠিক সংস্কার ও পরিচর্যা হলে বীরকুৎসা হাজার দুয়ারি জমিদার বাড়ি রাজশাহীর আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে।

বাগমারা উপজেলার বীরকুৎসা এলাকায় অবস্থিত শতবর্ষী বীরকুৎসা হাজার দুয়ারি জমিদার বাড়ি এখন সংস্কারের অভাবে ধ্বংসের পথে। সান্তাহার-নাটোর রেললাইনের পাশের এই স্থাপনাটি একসময় এলাকার ঐতিহ্য ও জমিদারি সংস্কৃতির নিদর্শন হিসেবে পরিচিত ছিল। বর্তমানে জরাজীর্ণ ভবনটি দ্রুত সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা, গবেষক ও শিক্ষাবিদরা।
স্থানীয়দের কাছে ‘বীরকুৎসা হাজার দুয়ারি’ নামে পরিচিত এই জমিদার বাড়ির ইতিহাস অনেক পুরোনো। বীরকুৎসা অবিনাশ স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. জুলফিকার আলী জানান, এই জমিদার বাড়ির মূল প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন অবিনাশ ব্যানার্জী। তার কোনো পুত্রসন্তান না থাকায় কন্যা প্রতিভাময়ী দেবী সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হন। পরে প্রতিভাময়ীর ছেলে বীরেশ্বর ব্যানার্জী জমিদারির দায়িত্ব নেন এবং শিক্ষার প্রসারে প্রতিষ্ঠা করেন বীরকুৎসা অবিনাশ স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
জুলফিকার আলী বলেন, বাড়িটিকে হাজার দুয়ারি বলা হলেও এখানে ঠিক এক হাজার দরজা নেই। অসংখ্য দরজা ও জানালার কারণে এলাকাবাসী এই নাম দিয়েছে। বাড়িটির দরজা-জানালায় কাঠ, কাঁচ ও লোহার কারুকাজ ছিল, যা একসময় স্থাপনাটিকে অনন্য সৌন্দর্য দিয়েছিল।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ইউরোপীয় ধাঁচে নির্মিত দ্বিতল এই ভবনের নির্মাণকাজ অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ দিকে শুরু হয়। ভবনের বড় বড় হলরুম, ভেনিসীয় গ্লাসের জানালা এবং মার্বেল পাথরের মেঝে একসময় এর আভিজাত্যের পরিচয় বহন করত। কিন্তু বর্তমানে জানালার কাঁচ ভাঙা, মার্বেল খুলে নেওয়া হয়েছে এবং ভবনের বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়ছে।
মোস্তাফিজুর রহমান আরও বলেন, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত হলেও এখানে কোনো তদারকি নেই। দ্রুত সংরক্ষণ না করা হলে ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটি একসময় পুরোপুরি হারিয়ে যেতে পারে।
প্রতি বছর পহেলা বৈশাখ, ঈদ ও বিভিন্ন ছুটির দিনে শত শত দর্শনার্থী এখানে ভিড় করেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, সঠিক সংস্কার ও পরিচর্যা হলে বীরকুৎসা হাজার দুয়ারি জমিদার বাড়ি রাজশাহীর আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে।