চরচা ডেস্ক

ফিলিপাইনের ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সিভিল ডিফেন্স দপ্তর। ভূমিকম্পে অন্তত ১২৯ জন আহত হয়েছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।
ফিলিপাইনের সিভিল ডিফেন্স দপ্তর জানিয়েছে, দেশটির সক্সসারজেন অঞ্চলেই অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে ফিলিপাইনের মিন্দানাও দ্বীপে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এ ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৭ দশমিক ৮।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, এই ভূমিকম্পের পর ফিলিপাইনসহ এশিয়ার আরও দুটি দেশে সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়।
প্রশান্ত মহাসাগরীয় সুনামি সতর্কতা কেন্দ্র জানিয়েছে, ফিলিপাইন উপকূলে প্রায় ১০ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাস এবং ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়াতে ৩ ফুটেরও উঁচু জলোচ্ছ্বাস আঘাত হানতে পারে।
ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন ও জাপান সরকার সুনামির সতর্কতা জারি করে বলেছে উপকূলীয় অঞ্চলে বিপজ্জনক বড় ঢেউ আঘাত হানতে পারে।
ফিলিপাইন ও ইন্দোনেশিয়া ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে অবস্থিত। উভয় দেশই ‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার’–এর অন্তর্ভুক্ত। এ কারণে দক্ষিণ আমেরিকা থেকে শুরু করে রাশিয়ার দূরপ্রাচ্য পর্যন্ত বিস্তৃত একটি অত্যন্ত ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল।

ফিলিপাইনের ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সিভিল ডিফেন্স দপ্তর। ভূমিকম্পে অন্তত ১২৯ জন আহত হয়েছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।
ফিলিপাইনের সিভিল ডিফেন্স দপ্তর জানিয়েছে, দেশটির সক্সসারজেন অঞ্চলেই অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে ফিলিপাইনের মিন্দানাও দ্বীপে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এ ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৭ দশমিক ৮।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, এই ভূমিকম্পের পর ফিলিপাইনসহ এশিয়ার আরও দুটি দেশে সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়।
প্রশান্ত মহাসাগরীয় সুনামি সতর্কতা কেন্দ্র জানিয়েছে, ফিলিপাইন উপকূলে প্রায় ১০ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাস এবং ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়াতে ৩ ফুটেরও উঁচু জলোচ্ছ্বাস আঘাত হানতে পারে।
ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন ও জাপান সরকার সুনামির সতর্কতা জারি করে বলেছে উপকূলীয় অঞ্চলে বিপজ্জনক বড় ঢেউ আঘাত হানতে পারে।
ফিলিপাইন ও ইন্দোনেশিয়া ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে অবস্থিত। উভয় দেশই ‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার’–এর অন্তর্ভুক্ত। এ কারণে দক্ষিণ আমেরিকা থেকে শুরু করে রাশিয়ার দূরপ্রাচ্য পর্যন্ত বিস্তৃত একটি অত্যন্ত ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল।