চরচা ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে সার সরবরাহে বিঘ্ন হওয়ায় বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তার হুমকি তৈরি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) এক শীর্ষ কর্মকর্তা। বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সংকট ও উচ্চমূল্যের কারণে দুই দিক থেকেই ঝুঁকি বাড়ছে।
বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ সার হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবহন হয়। সারের পরিবহন বিঘ্ন হওয়ায় খাদ্য উৎপাদনের ওপর প্রভাব নিয়ে একাধিক সতর্কতার জন্ম দিয়েছে। ডব্লিউটিওর উপ-মহাপরিচালক জ্যাঁ-মারি পগাম এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “এখন সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হলো সার। সার না থাকলে শুধু উৎপাদনের পরিমাণই নয়, দামেও প্রভাব পড়ে।”
জ্যাঁ-মারি পগাম আরও বলেন, “এর প্রভাব পরের বছর আরও বাড়ে। ফসল কমে যায়, দাম বেড়ে যায়।”
ভারত, থাইল্যান্ড ও ব্রাজিলের মতো বড় খাদ্য রপ্তানিকারক দেশগুলো ইউরিয়া সারের জন্য উপসাগরীয় অঞ্চলের ওপর নির্ভরশীল। পগাম বিষয়টি নিয়ে বলেন, “যুদ্ধ এখনও কয়েক সপ্তাহের হওয়ায় আপাতত সারের ঘাটতি দেখা যায়নি।”
তবে পগাম সতর্ক করে বলেন, “উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে সার চলাচল বন্ধ থাকলে, বড় উৎপাদনকারী দেশগুলোতে সরবরাহে সরাসরি প্রভাব পড়বে। আর ঠিক তখনই পরের বছরের ফসলের জন্য বপন মৌসুম শুরু হবে।”
পগাম আরও বলেন, “হরমুজ প্রণালী তিন মাস বন্ধ থাকলে এর প্রভাব হবে উল্লেখযোগ্য।”

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে সার সরবরাহে বিঘ্ন হওয়ায় বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তার হুমকি তৈরি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) এক শীর্ষ কর্মকর্তা। বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সংকট ও উচ্চমূল্যের কারণে দুই দিক থেকেই ঝুঁকি বাড়ছে।
বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ সার হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবহন হয়। সারের পরিবহন বিঘ্ন হওয়ায় খাদ্য উৎপাদনের ওপর প্রভাব নিয়ে একাধিক সতর্কতার জন্ম দিয়েছে। ডব্লিউটিওর উপ-মহাপরিচালক জ্যাঁ-মারি পগাম এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “এখন সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হলো সার। সার না থাকলে শুধু উৎপাদনের পরিমাণই নয়, দামেও প্রভাব পড়ে।”
জ্যাঁ-মারি পগাম আরও বলেন, “এর প্রভাব পরের বছর আরও বাড়ে। ফসল কমে যায়, দাম বেড়ে যায়।”
ভারত, থাইল্যান্ড ও ব্রাজিলের মতো বড় খাদ্য রপ্তানিকারক দেশগুলো ইউরিয়া সারের জন্য উপসাগরীয় অঞ্চলের ওপর নির্ভরশীল। পগাম বিষয়টি নিয়ে বলেন, “যুদ্ধ এখনও কয়েক সপ্তাহের হওয়ায় আপাতত সারের ঘাটতি দেখা যায়নি।”
তবে পগাম সতর্ক করে বলেন, “উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে সার চলাচল বন্ধ থাকলে, বড় উৎপাদনকারী দেশগুলোতে সরবরাহে সরাসরি প্রভাব পড়বে। আর ঠিক তখনই পরের বছরের ফসলের জন্য বপন মৌসুম শুরু হবে।”
পগাম আরও বলেন, “হরমুজ প্রণালী তিন মাস বন্ধ থাকলে এর প্রভাব হবে উল্লেখযোগ্য।”