চরচা ডেস্ক

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন সরকারের চলমান উন্নয়নমূলক কর্মসূচির অগ্রগতি তুলে ধরে বলেছেন, সামাজিক সুরক্ষা, অর্থনীতি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ প্রতিটি খাতে সরকার সমন্বয়মুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
বুধবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য জানান।
মন্ত্রী জানান, দেশের চার কোটি ১০ লাখ পরিবারের নারী প্রধানদের ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাইলট প্রকল্পের আওতায় ইতিমধ্যে ৩৭ হাজার পরিবারকে মাসে ২৫০০ টাকা করে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ইমাম, পুরোহিত, যাজকসহ বিভিন্ন ধর্মের সেবকদের জন্য মাসিক সম্মানী ভাতা চালু করা হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে সারা দেশে বিস্তৃত হবে।
আগামী পহেলা বৈশাখ থেকে ৮টি বিভাগের ১১টি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে কৃষক কার্ড বিতরণ শুরু হবে। কৃষিখাতে সেচ সুবিধা বাড়াতে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের মহাপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যার কাজ ইতিমধ্যে ৫৪টি জেলায় শুরু হয়েছে।
সরকারের মিতব্যয়িতার উদাহরণ দিয়ে মন্ত্রী জানান, সংসদ সদস্যরা ট্যাক্স-ফ্রি গাড়ি ও প্লট সুবিধা না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পাশাপাশি ভিআইপি প্রোটোকল কমিয়ে সরকারি ব্যয়ে সাশ্রয় নিশ্চিত করা হচ্ছে। এছাড়া বিদেশি বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ প্রত্যাবাসনে পূর্ব অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্যখাতে ই-হেলথ কার্ড এবং এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ৮০ শতাংশই হবেন নারী। শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা ও জাপানে যেতে ইচ্ছুকদের জন্য প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা সহজ করা হয়েছে। শ্রম খাতে অস্থিরতা রোধে ঈদের আগে বকেয়া বেতন ও বোনাস মেটাতে ২,৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
নারীদের যাতায়াত সহজ করতে পিঙ্ক বাস, উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগ এবং বিমানবন্দরে ফ্রি ওয়াইফাই চালুর মতো উদ্যোগগুলোও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানোর ঘোষণা দিয়ে মন্ত্রী জনগণকে গুজব ও প্যানিক বায়িং থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান এবং সচিব মাহবুবা ফারজানা উপস্থিত ছিলেন।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন সরকারের চলমান উন্নয়নমূলক কর্মসূচির অগ্রগতি তুলে ধরে বলেছেন, সামাজিক সুরক্ষা, অর্থনীতি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ প্রতিটি খাতে সরকার সমন্বয়মুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
বুধবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য জানান।
মন্ত্রী জানান, দেশের চার কোটি ১০ লাখ পরিবারের নারী প্রধানদের ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাইলট প্রকল্পের আওতায় ইতিমধ্যে ৩৭ হাজার পরিবারকে মাসে ২৫০০ টাকা করে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ইমাম, পুরোহিত, যাজকসহ বিভিন্ন ধর্মের সেবকদের জন্য মাসিক সম্মানী ভাতা চালু করা হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে সারা দেশে বিস্তৃত হবে।
আগামী পহেলা বৈশাখ থেকে ৮টি বিভাগের ১১টি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে কৃষক কার্ড বিতরণ শুরু হবে। কৃষিখাতে সেচ সুবিধা বাড়াতে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের মহাপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যার কাজ ইতিমধ্যে ৫৪টি জেলায় শুরু হয়েছে।
সরকারের মিতব্যয়িতার উদাহরণ দিয়ে মন্ত্রী জানান, সংসদ সদস্যরা ট্যাক্স-ফ্রি গাড়ি ও প্লট সুবিধা না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পাশাপাশি ভিআইপি প্রোটোকল কমিয়ে সরকারি ব্যয়ে সাশ্রয় নিশ্চিত করা হচ্ছে। এছাড়া বিদেশি বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ প্রত্যাবাসনে পূর্ব অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্যখাতে ই-হেলথ কার্ড এবং এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ৮০ শতাংশই হবেন নারী। শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা ও জাপানে যেতে ইচ্ছুকদের জন্য প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা সহজ করা হয়েছে। শ্রম খাতে অস্থিরতা রোধে ঈদের আগে বকেয়া বেতন ও বোনাস মেটাতে ২,৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
নারীদের যাতায়াত সহজ করতে পিঙ্ক বাস, উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগ এবং বিমানবন্দরে ফ্রি ওয়াইফাই চালুর মতো উদ্যোগগুলোও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানোর ঘোষণা দিয়ে মন্ত্রী জনগণকে গুজব ও প্যানিক বায়িং থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান এবং সচিব মাহবুবা ফারজানা উপস্থিত ছিলেন।

চিঠিতে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ও বাংলাদেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়ে দ্রৌপদী মুর্মু লিখেছেন, ভারত দ্বিপাক্ষিক অংশীদারত্বকে আরও সুদৃঢ় করার জন্য এবং আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধিকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য আগ্রহী।