চরচা ডেস্ক

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলি বৈঠক করেছেন। বৈঠকে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা এবং পুলিশ সংস্কারে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আজ বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে সন্ত্রাসবাদ দমন, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ, ডিজিটাল প্রতারণা মোকাবিলা, পুলিশ সংস্কার এবং পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চুক্তিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হচ্ছে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন। আমরা প্রকৃত সংসদীয় গণতন্ত্রের চর্চা করতে চাই।” একই সঙ্গে তিনি অতীতের শাসনামলে রাজনৈতিক দমন-পীড়নে পুলিশের ব্যবহারকে দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন।
রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলি বাংলাদেশে পুলিশ বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কারিগরি ও কৌশলগত সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী করতে সংসদে কার্যকর বিতর্ক ও অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ডিজিটাল প্রতারণা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বর্তমানে বিশ্বে মোট প্রতারণার প্রায় ৪০ শতাংশই অনলাইনভিত্তিক স্ক্যামের মাধ্যমে হচ্ছে, যা একটি বৈশ্বিক সংকটে পরিণত হয়েছে। এ সমস্যা মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা দরকার বলেও জানান তিনি।
বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদ পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশে উগ্রবাদের কিছু উপস্থিতি থাকলেও তা বড় আকারের সন্ত্রাসে রূপ নেয়নি। পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিটগুলো দক্ষতার সঙ্গে এ বিষয়ে কাজ করছে।
অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জনে সংস্কারের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এ ক্ষেত্রে সুইজারল্যান্ডসহ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহযোগিতা প্রয়োজন।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক সংস্থার (ইউএনওডিসি) দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক ক্রিস্টিয়ান হোলজের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলি বৈঠক করেছেন। বৈঠকে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা এবং পুলিশ সংস্কারে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আজ বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে সন্ত্রাসবাদ দমন, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ, ডিজিটাল প্রতারণা মোকাবিলা, পুলিশ সংস্কার এবং পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চুক্তিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হচ্ছে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন। আমরা প্রকৃত সংসদীয় গণতন্ত্রের চর্চা করতে চাই।” একই সঙ্গে তিনি অতীতের শাসনামলে রাজনৈতিক দমন-পীড়নে পুলিশের ব্যবহারকে দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন।
রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলি বাংলাদেশে পুলিশ বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কারিগরি ও কৌশলগত সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী করতে সংসদে কার্যকর বিতর্ক ও অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ডিজিটাল প্রতারণা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বর্তমানে বিশ্বে মোট প্রতারণার প্রায় ৪০ শতাংশই অনলাইনভিত্তিক স্ক্যামের মাধ্যমে হচ্ছে, যা একটি বৈশ্বিক সংকটে পরিণত হয়েছে। এ সমস্যা মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা দরকার বলেও জানান তিনি।
বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদ পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশে উগ্রবাদের কিছু উপস্থিতি থাকলেও তা বড় আকারের সন্ত্রাসে রূপ নেয়নি। পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিটগুলো দক্ষতার সঙ্গে এ বিষয়ে কাজ করছে।
অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জনে সংস্কারের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এ ক্ষেত্রে সুইজারল্যান্ডসহ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহযোগিতা প্রয়োজন।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক সংস্থার (ইউএনওডিসি) দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক ক্রিস্টিয়ান হোলজের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

চিঠিতে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ও বাংলাদেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়ে দ্রৌপদী মুর্মু লিখেছেন, ভারত দ্বিপাক্ষিক অংশীদারত্বকে আরও সুদৃঢ় করার জন্য এবং আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধিকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য আগ্রহী।