চরচা প্রতিবেদক

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের প্রতিক্রিয়ায় রাজধানীতে আজ বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ পৃথক পৃথকভাবে বিক্ষোভ করেছে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রস্তুাবিত বাজেট ঘোষণার পরে রাজধানীর বাড্ডায় তা প্রত্যাখ্যান করে বাড্ডায় বিক্ষোভ করে জামায়াতের ঢাকা উত্তর শাখা। এ সময় বাজেটকে গণবিরোধী ও শোষণের হাতিয়ার বলে উল্লেখ করেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর নাজিম উদ্দীন মোল্লা।
উত্তর বাড্ডার ওভার ব্রিজের নিচে অনুষ্ঠিত ওই বিক্ষোভের আগের সমাবেশে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ইয়াসিন আরাফাতসহ দলের ঢাকা মহানগরী উত্তরের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
অপর দিকে বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেইট থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল করে জামায়াতর ঢাকা দক্ষিণ শাখা। পরে পল্টন মোড় হয়ে বিজয়নগর প্রদক্ষিণ করে মিছিলটি শেষ হয়।
মিছিলের আগে এক সমাবেশে প্রস্তাবিত বাজেটকে গনবিরোধী ও লুটপাটের বাজেট বলে উল্লেখ করেন জামায়াত নেতারা। দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, “সরকার জনগণের ওপর করের বোঝা চাপিয়ে দিয়ে দলীয় কর্মী পালনের বাজেট উপস্থাপন করেছে।”
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, “জুলাই বিপ্লব পরবর্তী নতুন বাংলাদেশের প্রথম সরকারের অর্থমন্ত্রী যে–ই বাজেট উপস্থাপন করেছে, সেই বাজেট গণবিরোধী ও লুটপাটের বাজেট। এই বাজেটে জুলাই আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হয়নি। পুরোনো ব্যবস্থার বাজেটের চিত্র অঙ্কন করা হয়েছে। এই বাজেট বিশাল ঋণনির্ভর বাজেট। এই বাজেটে ঋণ ও করের বোঝা জনগণের ওপর চাপিয়ে দিয়ে সরকার গণবিরোধী বাজেট উপস্থাপন করেছে।”
দলীয় কর্মীদের লুটপাটের জন্য বাজেটের আকার বৃদ্ধি করা হয়েছে উল্লেখ করে জামায়াতের এই নেতা বলেন, "উন্নয়ন বরাদ্দের তহবিল যাবে সরকার দলীয় নেতা-কর্মীদের পকেটে। যারা বাজেট প্রণয়ন করেছে, তারা ধনী শ্রেণীর বলে তারা ধনীবান্ধব বাজেট প্রণয়ন করেছে। তারা গরিবের দুঃখ-কষ্ট বুঝে না–এজন্য তারা গরিববান্ধব বাজেট প্রণয়ন করতে পারেনি। বাজেট প্রণয়নে রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হলে জনবান্ধন বাজেট উপস্থাপন করা সম্ভব।”
হামিদুর রহমান আযাদ আরও বলেন, “সরকারের উপস্থাপিত বাজেট থেকে ১ লাখ কোটি টাকার কম বাজেট প্রস্তাব করেছে জামায়াতে ইসলামী। কারণ জামায়াতে ইসলামীর প্রস্তাবিত বাজেটে দলীয় কর্মীদের পালন করা হবে না, লুটপাটের সুযোগ থাকবে না, দুর্নীতি হবে না। জামায়াতে ইসলামীর প্রস্তাবিত বাজেট সরাসরি জনগণের কল্যাণে ব্যবহার হবে। তাই উপস্থাপিত বাজেট সংশোধন করে জামায়াতে ইসলামীর প্রস্তাবিত বাজেট অনুসরণ করতে তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
অন্যদিকে আগামীকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টায় প্রস্তাবিত বাজেটের প্রতিক্রিয়ায় সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জামায়াত। মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিতব্য এই সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন এবং প্রস্তাবিত বাজেট বিষয়ে দলের অবস্থান ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরবেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের প্রতিক্রিয়ায় রাজধানীতে আজ বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ পৃথক পৃথকভাবে বিক্ষোভ করেছে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রস্তুাবিত বাজেট ঘোষণার পরে রাজধানীর বাড্ডায় তা প্রত্যাখ্যান করে বাড্ডায় বিক্ষোভ করে জামায়াতের ঢাকা উত্তর শাখা। এ সময় বাজেটকে গণবিরোধী ও শোষণের হাতিয়ার বলে উল্লেখ করেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর নাজিম উদ্দীন মোল্লা।
উত্তর বাড্ডার ওভার ব্রিজের নিচে অনুষ্ঠিত ওই বিক্ষোভের আগের সমাবেশে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ইয়াসিন আরাফাতসহ দলের ঢাকা মহানগরী উত্তরের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
অপর দিকে বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেইট থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল করে জামায়াতর ঢাকা দক্ষিণ শাখা। পরে পল্টন মোড় হয়ে বিজয়নগর প্রদক্ষিণ করে মিছিলটি শেষ হয়।
মিছিলের আগে এক সমাবেশে প্রস্তাবিত বাজেটকে গনবিরোধী ও লুটপাটের বাজেট বলে উল্লেখ করেন জামায়াত নেতারা। দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, “সরকার জনগণের ওপর করের বোঝা চাপিয়ে দিয়ে দলীয় কর্মী পালনের বাজেট উপস্থাপন করেছে।”
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, “জুলাই বিপ্লব পরবর্তী নতুন বাংলাদেশের প্রথম সরকারের অর্থমন্ত্রী যে–ই বাজেট উপস্থাপন করেছে, সেই বাজেট গণবিরোধী ও লুটপাটের বাজেট। এই বাজেটে জুলাই আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হয়নি। পুরোনো ব্যবস্থার বাজেটের চিত্র অঙ্কন করা হয়েছে। এই বাজেট বিশাল ঋণনির্ভর বাজেট। এই বাজেটে ঋণ ও করের বোঝা জনগণের ওপর চাপিয়ে দিয়ে সরকার গণবিরোধী বাজেট উপস্থাপন করেছে।”
দলীয় কর্মীদের লুটপাটের জন্য বাজেটের আকার বৃদ্ধি করা হয়েছে উল্লেখ করে জামায়াতের এই নেতা বলেন, "উন্নয়ন বরাদ্দের তহবিল যাবে সরকার দলীয় নেতা-কর্মীদের পকেটে। যারা বাজেট প্রণয়ন করেছে, তারা ধনী শ্রেণীর বলে তারা ধনীবান্ধব বাজেট প্রণয়ন করেছে। তারা গরিবের দুঃখ-কষ্ট বুঝে না–এজন্য তারা গরিববান্ধব বাজেট প্রণয়ন করতে পারেনি। বাজেট প্রণয়নে রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হলে জনবান্ধন বাজেট উপস্থাপন করা সম্ভব।”
হামিদুর রহমান আযাদ আরও বলেন, “সরকারের উপস্থাপিত বাজেট থেকে ১ লাখ কোটি টাকার কম বাজেট প্রস্তাব করেছে জামায়াতে ইসলামী। কারণ জামায়াতে ইসলামীর প্রস্তাবিত বাজেটে দলীয় কর্মীদের পালন করা হবে না, লুটপাটের সুযোগ থাকবে না, দুর্নীতি হবে না। জামায়াতে ইসলামীর প্রস্তাবিত বাজেট সরাসরি জনগণের কল্যাণে ব্যবহার হবে। তাই উপস্থাপিত বাজেট সংশোধন করে জামায়াতে ইসলামীর প্রস্তাবিত বাজেট অনুসরণ করতে তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
অন্যদিকে আগামীকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টায় প্রস্তাবিত বাজেটের প্রতিক্রিয়ায় সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জামায়াত। মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিতব্য এই সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন এবং প্রস্তাবিত বাজেট বিষয়ে দলের অবস্থান ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরবেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।