চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর শ্যামলীতে চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের কাছে যুবদল পরিচয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে মো. মঈন উদ্দিনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় একটি সিসিটিভির ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
কামরুল ইসলাম রাজধানীর শ্যামলীতে সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। করোনাকালে বিনা পারিশ্রমিকে দুই হাজারের বেশি কিডনি প্রতিস্থাপন করায় প্রশংসা পেয়েছিলেন।
তিনি অভিযোগ করেন, শ্যামলীর ৪ নম্বর রোডের বাসিন্দা মঈন নিজেকে যুবদলের কর্মী ও কমিশনার প্রার্থী পরিচয় দিয়ে তার কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করেন।
তিনি বলেন, “৫ আগস্টের আগে তার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। হাসপাতাল থেকেও তাকে সহযোগিতা করা হয়েছে। কিন্তু ৫ আগস্টের পর সে নিজেকে বড় নেতা দাবি করতে শুরু করে। হাসপাতালে এসে ফোন করে শতাধিক লোক জড়ো করে এবং বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে পরিস্থিতি অস্থির করার চেষ্টা করে।”
কামরুল ইসলামের দাবি, অভিযুক্ত ব্যক্তি তাকে আওয়ামী লীগের ‘দোসর’ আখ্যা দিয়ে হাসপাতালের সামনে মব তৈরিরও চেষ্টা করে।
হাসপাতালের অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাডমিন আবু বকর সিদ্দিক জানান, ৫ আগস্টের পর মঈন উদ্দিন নিজেকে যুবদলের শেরে বাংলা থানার সাংগঠনিক সম্পাদক পরিচয় দিয়ে হাসপাতালে খাবার সরবরাহ শুরু করেন। তবে রোজার ঈদের আগে ২৫ বস্তা চাল সরবরাহে প্রতি কেজিতে ১১ টাকা বেশি নেওয়ার বিষয়টি ধরা পড়লে তাকে সরবরাহের কাজ থেকে বাদ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই তিনি চাপ ও হুমকি দিতে থাকেন বলে অভিযোগ।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, টাকা না পেয়ে গতকাল শুক্রবার হাসপাতালের সামনে ৬০-৭০ জন লোক জড়ো করে স্লোগান দিতে থাকে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন হাসপাতালে গিয়ে কামরুল ইসলামের সঙ্গে দেখা করেন। তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি যুবদলের কেউ নন এবং সংগঠনের নাম ব্যবহার করে অপকর্ম করছেন।
এ ঘটনায় শেরে বাংলা নগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, অভিযোগ তদন্ত করে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এ বিষয় নিয়ে র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, “বিষয়টি প্রথমে পুলিশের কাছে গেছে এবং যাচাই চলছে। একইসঙ্গে র্যাবও ছায়া তদন্ত শুরু করেছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

রাজধানীর শ্যামলীতে চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের কাছে যুবদল পরিচয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে মো. মঈন উদ্দিনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় একটি সিসিটিভির ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
কামরুল ইসলাম রাজধানীর শ্যামলীতে সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। করোনাকালে বিনা পারিশ্রমিকে দুই হাজারের বেশি কিডনি প্রতিস্থাপন করায় প্রশংসা পেয়েছিলেন।
তিনি অভিযোগ করেন, শ্যামলীর ৪ নম্বর রোডের বাসিন্দা মঈন নিজেকে যুবদলের কর্মী ও কমিশনার প্রার্থী পরিচয় দিয়ে তার কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করেন।
তিনি বলেন, “৫ আগস্টের আগে তার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। হাসপাতাল থেকেও তাকে সহযোগিতা করা হয়েছে। কিন্তু ৫ আগস্টের পর সে নিজেকে বড় নেতা দাবি করতে শুরু করে। হাসপাতালে এসে ফোন করে শতাধিক লোক জড়ো করে এবং বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে পরিস্থিতি অস্থির করার চেষ্টা করে।”
কামরুল ইসলামের দাবি, অভিযুক্ত ব্যক্তি তাকে আওয়ামী লীগের ‘দোসর’ আখ্যা দিয়ে হাসপাতালের সামনে মব তৈরিরও চেষ্টা করে।
হাসপাতালের অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাডমিন আবু বকর সিদ্দিক জানান, ৫ আগস্টের পর মঈন উদ্দিন নিজেকে যুবদলের শেরে বাংলা থানার সাংগঠনিক সম্পাদক পরিচয় দিয়ে হাসপাতালে খাবার সরবরাহ শুরু করেন। তবে রোজার ঈদের আগে ২৫ বস্তা চাল সরবরাহে প্রতি কেজিতে ১১ টাকা বেশি নেওয়ার বিষয়টি ধরা পড়লে তাকে সরবরাহের কাজ থেকে বাদ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই তিনি চাপ ও হুমকি দিতে থাকেন বলে অভিযোগ।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, টাকা না পেয়ে গতকাল শুক্রবার হাসপাতালের সামনে ৬০-৭০ জন লোক জড়ো করে স্লোগান দিতে থাকে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন হাসপাতালে গিয়ে কামরুল ইসলামের সঙ্গে দেখা করেন। তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি যুবদলের কেউ নন এবং সংগঠনের নাম ব্যবহার করে অপকর্ম করছেন।
এ ঘটনায় শেরে বাংলা নগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, অভিযোগ তদন্ত করে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এ বিষয় নিয়ে র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, “বিষয়টি প্রথমে পুলিশের কাছে গেছে এবং যাচাই চলছে। একইসঙ্গে র্যাবও ছায়া তদন্ত শুরু করেছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”