চরচা ডেস্ক

পাকিস্তানের মাধ্যমে পাঠানো যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখান করেছে ইরান। দেশটি ১০ দফায় প্রস্তাবের জবাব দিয়েছে। এতে যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখান করে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধসহ কিছু শর্ত দিয়েছে তেহরান।
ইরানি বার্তাসংস্থা ইরনা এক প্রতিবেদনে বলেছে, “মার্কিনিদের প্রস্তাবের ব্যাপারে ইরান পাকিস্তানের কাছে তার জবাব দিয়েছে। জবাবটি দেওয়া হয়েছে ১০টি আলাদা পয়েন্টে। এতে ইরান যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে এবং সংঘাত স্থায়ীভাবে বন্ধের ওপর জোর দিয়েছে।”
তেহরান আরও বলেছে, “এই অঞ্চলে যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে জাহাজ চলাচলে একটি প্রটোকল নিশ্চিত করতে হবে, ইরানের পুনর্গঠন এবং আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে দিতে হবে।”
মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস দুই ইরানি কর্মকর্তার বরাতে জানিয়েছে, ভবিষ্যতে তাদের ওপর কোনো ধরনের হামলা হবে না এবং লেবাননে তাদের মিত্র হিজবুল্লাহর ওপর সব ধরনের হামলা বন্ধ করতে হবে-এমন নিশ্চয়তা চেয়েছে ইরান।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত ইরানকে সময় দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, এই সময়ের মধ্যে ইরানকে তাদের সঙ্গে চুক্তি করতে হবে। নয়ত তাদের ব্রিজ ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হবে।
সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ট্রাম্পের ডেডলাইনের মধ্যে চুক্তির সম্ভাবনা নেই। কারণ দুই দেশের মধ্যে যেসব ইস্যু নিয়ে মতপার্থক্য আছে সেগুলো ব্যবধান অনেক বেশি। আর মঙ্গলবার রাতের মধ্যে তারা ইস্যুগুলো নিয়ে একমত হতে পারবে না।
সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, ট্রাম্প তার কাছের লোকদের কাছে বলেছেন চুক্তি হওয়া নিয়ে তিনি খুব বেশি আশাবাদী নন। যদিও আলোচনার মাধ্যমে বর্তমান পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ট্রাম্প হয়ত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইরানের ব্রিজ ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে হামলার নির্দেশ দিতে পারেন।
এর আগে গতকাল ইরানের বিষয়ে জানাতে করা সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, এক রাতেই ইরানকে গুঁড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। তার আলটিমেটাম অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবারই সেই রাত হতে পারে।
তবে ইরানের সেনাবাহিনী বলেছে, ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক ভাষা ও অযৌক্তিক হুমকিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযান ব্যাহত হবে না।

পাকিস্তানের মাধ্যমে পাঠানো যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখান করেছে ইরান। দেশটি ১০ দফায় প্রস্তাবের জবাব দিয়েছে। এতে যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখান করে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধসহ কিছু শর্ত দিয়েছে তেহরান।
ইরানি বার্তাসংস্থা ইরনা এক প্রতিবেদনে বলেছে, “মার্কিনিদের প্রস্তাবের ব্যাপারে ইরান পাকিস্তানের কাছে তার জবাব দিয়েছে। জবাবটি দেওয়া হয়েছে ১০টি আলাদা পয়েন্টে। এতে ইরান যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে এবং সংঘাত স্থায়ীভাবে বন্ধের ওপর জোর দিয়েছে।”
তেহরান আরও বলেছে, “এই অঞ্চলে যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে জাহাজ চলাচলে একটি প্রটোকল নিশ্চিত করতে হবে, ইরানের পুনর্গঠন এবং আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে দিতে হবে।”
মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস দুই ইরানি কর্মকর্তার বরাতে জানিয়েছে, ভবিষ্যতে তাদের ওপর কোনো ধরনের হামলা হবে না এবং লেবাননে তাদের মিত্র হিজবুল্লাহর ওপর সব ধরনের হামলা বন্ধ করতে হবে-এমন নিশ্চয়তা চেয়েছে ইরান।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত ইরানকে সময় দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, এই সময়ের মধ্যে ইরানকে তাদের সঙ্গে চুক্তি করতে হবে। নয়ত তাদের ব্রিজ ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হবে।
সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ট্রাম্পের ডেডলাইনের মধ্যে চুক্তির সম্ভাবনা নেই। কারণ দুই দেশের মধ্যে যেসব ইস্যু নিয়ে মতপার্থক্য আছে সেগুলো ব্যবধান অনেক বেশি। আর মঙ্গলবার রাতের মধ্যে তারা ইস্যুগুলো নিয়ে একমত হতে পারবে না।
সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, ট্রাম্প তার কাছের লোকদের কাছে বলেছেন চুক্তি হওয়া নিয়ে তিনি খুব বেশি আশাবাদী নন। যদিও আলোচনার মাধ্যমে বর্তমান পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ট্রাম্প হয়ত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইরানের ব্রিজ ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে হামলার নির্দেশ দিতে পারেন।
এর আগে গতকাল ইরানের বিষয়ে জানাতে করা সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, এক রাতেই ইরানকে গুঁড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। তার আলটিমেটাম অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবারই সেই রাত হতে পারে।
তবে ইরানের সেনাবাহিনী বলেছে, ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক ভাষা ও অযৌক্তিক হুমকিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযান ব্যাহত হবে না।