চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর ডেমরা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে ডাকাতির প্রস্তুতির সময় সংঘবদ্ধ একটি চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব )। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিদেশি পিস্তল, গুলি, র্যাবের পোশাক, ওয়াকিটকি, হ্যান্ডকাপসহ বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
আজ শনিবার দুপুরে কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে বাহিনীটির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার ইন্তেখাব চৌধুরী এসব তথ্য জানান।
ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, ডেমরা থানার আমান মার্কেট ও মেন্দিপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রথমে মো. আলামিন ওরফে ‘মোটা আলামিনকে’ গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন সকাল ১১টার দিকে মেন্দিপুর বাজারের কাছে হাজী সিএনজি পাম্প এলাকা থেকে তার সহযোগী চালক মো. রায়হানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এই কর্মকর্তা জানান, গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, চার রাউন্ড গুলি, একটি মাইক্রোবাস, দুটি ভুয়া নম্বর প্লেট, র্যাবের ছয়টি পোশাক, দুটি হ্যান্ডকাপ, একটি ওয়াকিটকি, ‘পুলিশ’ লেখা স্টিকার, লেজার লাইট, দুটি পুলিশ বাটন, একটি পকেট ওয়াইফাই রাউটার, ৩১টি সেনাবাহিনীর মাস্ক এবং দুটি স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের সদস্য বলে স্বীকার করেছেন। তারা দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় যাত্রীবাহী বাস ও মাইক্রোবাস থামিয়ে কখনো র্যাব, কখনো পুলিশের পরিচয়ে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ডাকাতি করতেন। অনেক সময় তারা যৌথ বাহিনীর অভিযান চালানোর ভান করে সেনাবাহিনীর মাস্ক ব্যবহার করতেন।
র্যাব আরও জানায়, আলামিন এই চক্রের নেতৃত্ব দিতেন। একসময় সে ইট-বালি ও মুরগির ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও বর্তমানে সেই ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়। অন্যদিকে রায়হান পেশায় চালক হিসেবে ডাকাতির সময় যানবাহন সরবরাহ, রেকি ও পালানোর পরিকল্পনায় ভূমিকা রাখতেন।
উইং কমান্ডার ইন্তেখাব চৌধুরী জানান, আলামিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, চুরি ও অস্ত্র আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

রাজধানীর ডেমরা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে ডাকাতির প্রস্তুতির সময় সংঘবদ্ধ একটি চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব )। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিদেশি পিস্তল, গুলি, র্যাবের পোশাক, ওয়াকিটকি, হ্যান্ডকাপসহ বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
আজ শনিবার দুপুরে কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে বাহিনীটির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার ইন্তেখাব চৌধুরী এসব তথ্য জানান।
ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, ডেমরা থানার আমান মার্কেট ও মেন্দিপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রথমে মো. আলামিন ওরফে ‘মোটা আলামিনকে’ গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন সকাল ১১টার দিকে মেন্দিপুর বাজারের কাছে হাজী সিএনজি পাম্প এলাকা থেকে তার সহযোগী চালক মো. রায়হানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এই কর্মকর্তা জানান, গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, চার রাউন্ড গুলি, একটি মাইক্রোবাস, দুটি ভুয়া নম্বর প্লেট, র্যাবের ছয়টি পোশাক, দুটি হ্যান্ডকাপ, একটি ওয়াকিটকি, ‘পুলিশ’ লেখা স্টিকার, লেজার লাইট, দুটি পুলিশ বাটন, একটি পকেট ওয়াইফাই রাউটার, ৩১টি সেনাবাহিনীর মাস্ক এবং দুটি স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের সদস্য বলে স্বীকার করেছেন। তারা দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় যাত্রীবাহী বাস ও মাইক্রোবাস থামিয়ে কখনো র্যাব, কখনো পুলিশের পরিচয়ে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ডাকাতি করতেন। অনেক সময় তারা যৌথ বাহিনীর অভিযান চালানোর ভান করে সেনাবাহিনীর মাস্ক ব্যবহার করতেন।
র্যাব আরও জানায়, আলামিন এই চক্রের নেতৃত্ব দিতেন। একসময় সে ইট-বালি ও মুরগির ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও বর্তমানে সেই ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়। অন্যদিকে রায়হান পেশায় চালক হিসেবে ডাকাতির সময় যানবাহন সরবরাহ, রেকি ও পালানোর পরিকল্পনায় ভূমিকা রাখতেন।
উইং কমান্ডার ইন্তেখাব চৌধুরী জানান, আলামিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, চুরি ও অস্ত্র আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।