চরচা ডেস্ক

ভারতের দিল্লির একটি হোটেলে আজ সকালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২১ জনের মধ্যে বাংলাদেশিও রয়েছেন। তবে ঠিক কতজন বাংলাদেশি আছেন–তা জানা যায়নি। এ ঘটনায় অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছেন আরও প্রায় ৩৭ জন, যাদের অক্ষত বা আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, শনাক্ত হওয়া ১৬টি মরদেহের মধ্যে নয়জন ভারতীয় এবং সাতজন বিদেশি নাগরিক। নিহত বিদেশিদের মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও লাইবেরিয়া, মোজাম্বিক ও নাইজেরিয়ার নাগরিক রয়েছেন।
আজ বুধবার সকালে দিল্লির মালভিয়া নগরের ফ্লারিস স্টে হোটেলের রেস্টুরেন্টে আগুন লাগে। এনডিটিভি বলছে, ফ্লারিস স্টে হোটেলের ৫ তলা ভবনের বেসমেন্টে ওই রেস্টুরেস্ট রয়েছে। আজ সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে সেখানে আগুন ধরে যায়।
তবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে এখনো জানা যায়নি। এরপর পুরো হোটেলেই আগুন ধরে যায়। এমনকি পাশের মিকাসা ইনেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
এলাকাটি এমনিতেই বেশ জনবসতিপূর্ণ। এখানে থাকা বাসিন্দাদের বেশিরভাগই শিক্ষার্থী। অনেক বিদেশি চিকিৎসা নিতে এসে এই হোটেলে থাকেন।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বেশ কয়েকজন ভবনের বিভিন্ন তলা থেকে লাফ দিয়ে নিচে পড়ছেন। তাদেরকে বাঁচাতে রাস্তায় ম্যাট্রিস বিছানো হয়েছে।
জানা যায়, যখন আগুন লাগে, তখন বেশিরভাগই ঘুমাচ্ছিলেন। ওই ভবনে ৬টি কক্ষ রাখার অনুমতি থাকলেও সেখানে ২৫টি ছিল।

ভারতের দিল্লির একটি হোটেলে আজ সকালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২১ জনের মধ্যে বাংলাদেশিও রয়েছেন। তবে ঠিক কতজন বাংলাদেশি আছেন–তা জানা যায়নি। এ ঘটনায় অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছেন আরও প্রায় ৩৭ জন, যাদের অক্ষত বা আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, শনাক্ত হওয়া ১৬টি মরদেহের মধ্যে নয়জন ভারতীয় এবং সাতজন বিদেশি নাগরিক। নিহত বিদেশিদের মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও লাইবেরিয়া, মোজাম্বিক ও নাইজেরিয়ার নাগরিক রয়েছেন।
আজ বুধবার সকালে দিল্লির মালভিয়া নগরের ফ্লারিস স্টে হোটেলের রেস্টুরেন্টে আগুন লাগে। এনডিটিভি বলছে, ফ্লারিস স্টে হোটেলের ৫ তলা ভবনের বেসমেন্টে ওই রেস্টুরেস্ট রয়েছে। আজ সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে সেখানে আগুন ধরে যায়।
তবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে এখনো জানা যায়নি। এরপর পুরো হোটেলেই আগুন ধরে যায়। এমনকি পাশের মিকাসা ইনেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
এলাকাটি এমনিতেই বেশ জনবসতিপূর্ণ। এখানে থাকা বাসিন্দাদের বেশিরভাগই শিক্ষার্থী। অনেক বিদেশি চিকিৎসা নিতে এসে এই হোটেলে থাকেন।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বেশ কয়েকজন ভবনের বিভিন্ন তলা থেকে লাফ দিয়ে নিচে পড়ছেন। তাদেরকে বাঁচাতে রাস্তায় ম্যাট্রিস বিছানো হয়েছে।
জানা যায়, যখন আগুন লাগে, তখন বেশিরভাগই ঘুমাচ্ছিলেন। ওই ভবনে ৬টি কক্ষ রাখার অনুমতি থাকলেও সেখানে ২৫টি ছিল।