চরচা ডেস্ক

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেছেন, তার দেশের সশস্ত্র বাহিনী আক্রমণকারীদের গুঁড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে আফগানিস্তানের প্রধান শহরগুলোতে ইসলামাবাদের হামলার কয়েক ঘণ্টা পরই তিনি এই মন্তব্য করেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
পাকিস্তান সরকারের অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া পোস্টে শেহবাজ বলেন, ‘‘যেকোনো আগ্রাসী উচ্চাকাঙ্ক্ষা গুঁড়িয়ে দেওয়ার পূর্ণ সক্ষমতা আমাদের বাহিনীর রয়েছে। পুরো জাতি পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।’’
গত বৃহস্পতিবার রাতে আফগান বাহিনী পাকিস্তানি সীমান্ত রক্ষীদের ওপর হামলা চালানোর পর পাকিস্তান আফগানিস্তানের কাবুল এবং কান্দাহারে বোমা হামলা চালায়। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সীমান্তে একাধিক হামলা ও সংঘর্ষের ধারাবাহিকতায় এই সর্বশেষ সহিংসতায় উভয় দেশই একে অপরের কয়েক ডজন সেনা হত্যার দাবি করেছে।
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা আসিফ তালেবান সরকারের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি এক্স-এ পোস্ট করেছেন, ‘‘আমাদের ধৈর্যের সীমা ছাড়িয়ে গেছে। এখন আমাদের এবং আপনাদের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধ শুরু হলো।’’
পাকিস্তানি সরকারের মুখপাত্র মোশাররফ জাইদি জানিয়েছেন, ১৩৩ জন আফগান তালেবান যোদ্ধা নিহত এবং ২০০-এর বেশি আহত হয়েছে। এছাড়া ২৭টি চৌকি ধ্বংস এবং ৯ জনকে বন্দি করার দাবি করেছেন তিনি।
অন্যদিকে, তালেবান মুখপাত্র জবিহুল্লাহ মুজাহিদ দাবি করেছেন যে, ৫৫ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত এবং ১৯টি চৌকি দখল করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, নানগারহারে ৮ জন তালেবান যোদ্ধা নিহত, ১১ জন আহত এবং ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন।
গত রোববার রাতভর নানগারহার ও পাক্তিকা প্রদেশে পাকিস্তানের হামলার পর এই নতুন উত্তেজনা তৈরি হয়। আফগানিস্তানে নিযুক্ত জাতিসংঘ মিশন জানিয়েছে, ওই হামলায় অন্তত ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছিল।
ইসলামাবাদ অভিযোগ করে আসছে যে, তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)-এর মতো গোষ্ঠীগুলো আফগানিস্তানের মাটি ব্যবহার করে পাকিস্তানে হামলা চালাচ্ছে, কিন্তু আফগান সরকার তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হচ্ছে।
তালেবান সরকার অবশ্য এই অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেছেন, তার দেশের সশস্ত্র বাহিনী আক্রমণকারীদের গুঁড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে আফগানিস্তানের প্রধান শহরগুলোতে ইসলামাবাদের হামলার কয়েক ঘণ্টা পরই তিনি এই মন্তব্য করেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
পাকিস্তান সরকারের অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া পোস্টে শেহবাজ বলেন, ‘‘যেকোনো আগ্রাসী উচ্চাকাঙ্ক্ষা গুঁড়িয়ে দেওয়ার পূর্ণ সক্ষমতা আমাদের বাহিনীর রয়েছে। পুরো জাতি পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।’’
গত বৃহস্পতিবার রাতে আফগান বাহিনী পাকিস্তানি সীমান্ত রক্ষীদের ওপর হামলা চালানোর পর পাকিস্তান আফগানিস্তানের কাবুল এবং কান্দাহারে বোমা হামলা চালায়। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সীমান্তে একাধিক হামলা ও সংঘর্ষের ধারাবাহিকতায় এই সর্বশেষ সহিংসতায় উভয় দেশই একে অপরের কয়েক ডজন সেনা হত্যার দাবি করেছে।
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা আসিফ তালেবান সরকারের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি এক্স-এ পোস্ট করেছেন, ‘‘আমাদের ধৈর্যের সীমা ছাড়িয়ে গেছে। এখন আমাদের এবং আপনাদের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধ শুরু হলো।’’
পাকিস্তানি সরকারের মুখপাত্র মোশাররফ জাইদি জানিয়েছেন, ১৩৩ জন আফগান তালেবান যোদ্ধা নিহত এবং ২০০-এর বেশি আহত হয়েছে। এছাড়া ২৭টি চৌকি ধ্বংস এবং ৯ জনকে বন্দি করার দাবি করেছেন তিনি।
অন্যদিকে, তালেবান মুখপাত্র জবিহুল্লাহ মুজাহিদ দাবি করেছেন যে, ৫৫ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত এবং ১৯টি চৌকি দখল করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, নানগারহারে ৮ জন তালেবান যোদ্ধা নিহত, ১১ জন আহত এবং ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন।
গত রোববার রাতভর নানগারহার ও পাক্তিকা প্রদেশে পাকিস্তানের হামলার পর এই নতুন উত্তেজনা তৈরি হয়। আফগানিস্তানে নিযুক্ত জাতিসংঘ মিশন জানিয়েছে, ওই হামলায় অন্তত ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছিল।
ইসলামাবাদ অভিযোগ করে আসছে যে, তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)-এর মতো গোষ্ঠীগুলো আফগানিস্তানের মাটি ব্যবহার করে পাকিস্তানে হামলা চালাচ্ছে, কিন্তু আফগান সরকার তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হচ্ছে।
তালেবান সরকার অবশ্য এই অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে।