বরিশাল প্রতিনিধি

বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই শিশু মারা গেছে। এ নিয়ে বিভাগে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ জনে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতাল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
মৃত দুই শিশুর একজন বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার পান্না খানের পাঁচ মাসের ছেলে ইমাম, অন্যজন বরগুনার আমতলী উপজেলার আবু বকরের নয় মাসের ছেলে আনু সালেহ।
এই সময়ে নতুন করে আরও ৩০ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। শেবাচিম হাসপাতালে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে মোট ৬৪ জন।
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আজ সকাল পর্যন্ত শেবাচিম হাসপাতালে মোট ৩০১ শিশু চিকিৎসা নিয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন মোট ১ হাজার ৮০ জন। এর মধ্যে ৬৩১ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র নিয়েছে। এছাড়া নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৭ জনে।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, হাম ছোঁয়াচে রোগ। এর বিস্তার রোধে সব হাসপাতালে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।

বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই শিশু মারা গেছে। এ নিয়ে বিভাগে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ জনে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতাল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
মৃত দুই শিশুর একজন বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার পান্না খানের পাঁচ মাসের ছেলে ইমাম, অন্যজন বরগুনার আমতলী উপজেলার আবু বকরের নয় মাসের ছেলে আনু সালেহ।
এই সময়ে নতুন করে আরও ৩০ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। শেবাচিম হাসপাতালে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে মোট ৬৪ জন।
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আজ সকাল পর্যন্ত শেবাচিম হাসপাতালে মোট ৩০১ শিশু চিকিৎসা নিয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন মোট ১ হাজার ৮০ জন। এর মধ্যে ৬৩১ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র নিয়েছে। এছাড়া নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৭ জনে।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, হাম ছোঁয়াচে রোগ। এর বিস্তার রোধে সব হাসপাতালে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।