চরচা প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতীক ধানের শীষ ভোট পেয়েছে প্রায় পৌনে চার কোটি। এই সংখ্যা প্রদত্ত ভোটের ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ। অর্থাৎ এককভাবে আসন অনেক বেশি পেলেও ভোটের হিসাবে এত বেশি এগিয়ে নেয় বিএনপি।
শতকরা হিসেবে ধানের শীষের পরেই রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী প্রতীক দাঁড়িপাল্লা। দলটি এবার সোয়া দুই কোটির বেশি ভোট পেয়েছে, যা মোট ভোটের ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ।
এবার ধানের শীষ প্রতীকে লড়াই করেছিলেন ২৯১ জন। ইতোমধ্যে দলটি ২০৯ আসন পেয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। আর বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী এ যাবৎ ভোট ও আসনের রেকর্ড গড়েছে; এবার দাঁড়িপাল্লা ৬৮টি আসন পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।
সংসদ ও গণভোট হয়েছে বৃহস্পতিবার। এর তিন দিন পর আজ রোববার নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে ভোটের হিসাব প্রকাশ করা হয়।
এ তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। ২৭৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী ভোট পেয়েছেন ৫.৭৯ শতাংশ। নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতীক শাপলা কলি পেয়েছে ৩.০৫ শতাংশ ভোট।
এর বাইরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা ২.৭০ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রিক্সা ২.০৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে।
এ ছাড়া ইসির তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) পেয়েছে ০ দশমিক ২৮ শতাংশ এবং আমজনতার দল পেয়েছে ০ দশমিক ০১ শতাংশ ভোট। ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ পেয়েছে ০ দশমিক ০৩ শতাংশ, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ ০ দশমিক ০৮ শতাংশ।
এবার ইসলামিক ঐক্য কোনো ভোট পায়নি। খেলাফত মজলিস পেয়েছে ০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। গণঅধিকার পরিষদ পেয়েছে ০ দশমিক ৩৩ শতাংশ। গণতন্ত্রী পার্টি ও গণফ্রন্ট কোনো ভোট পায়নি। গণফোরাম পেয়েছে ০১ শতাংশ এবং গণসংহতি আন্দোলন পেয়েছে ০ দশমিক ১৪ শতাংশ। জাকের পার্টি পেয়েছে ০ দশমিক ০২ শতাংশ ভোট।
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) কোনো ভোট পায়নি। জাতীয় পার্টি পেয়েছে ০ দশমিক ৮৯ শতাংশ এবং জাতীয় পার্টি (জেপি) পেয়েছে ০ দশমিক ০৪ শতাংশ ভোট। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) পেয়েছে ০ দশমিক ০২ শতাংশ এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) পায়নি কোনো ভোট। জনতার দল পেয়েছে ০ দশমিক ০৫ শতাংশ। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ পেয়েছে ০ দশমিক ৪৭ শতাংশ এবং ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) পেয়েছে ০ দশমিক ০১ শতাংশ ভোট।
নাগরিক ঐক্য পেয়েছে ০ দশমিক ০১ শতাংশ। বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) পেয়েছে ০ দশমিক ০২ শতাংশ। বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট পেয়েছে ০ দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং বাংলাদেশ কংগ্রেস পেয়েছে ০ দশমিক ০১ শতাংশ ভোট। বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি কোনো ভোট পায়নি। বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি কোনো ভোট পায়নি, আর বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) পেয়েছে ০ দশমিক ১৪ শতাংশ। বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি পেয়েছে ০ দশমিক ১৭ শতাংশ এবং বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি পেয়েছে ০ দশমিক ০১ শতাংশ ভোট।
বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) কোনো ভোট পায়নি। বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি পেয়েছে ০ দশমিক ০৪ শতাংশ। বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি-বিএমজেপি এবং বাংলাদেশ মুসলিম লীগ—উভয়েই পেয়েছে ০ দশমিক ০১ শতাংশ ভোট। বাংলাদেশ মুসলিম লীগ-বিএনএল কোনো ভোট পায়নি।
বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি) পেয়েছে ০ দশমিক ০২ শতাংশ, বাংলাদেশ লেবার পার্টি ০ দশমিক ০১ শতাংশ এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) ০ দশমিক ০৪ শতাংশ ভোট। বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টি (বিইপি) কোনো ভোট পায়নি। বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তি জোট (মুক্তিজোট) এবং বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি—উভয়েই পেয়েছে ০ দশমিক ০১ শতাংশ ভোট।
বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি পেয়েছে ০ দশমিক ০৪ শতাংশ। বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) পেয়েছে ০ দশমিক ০২ শতাংশ এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) পেয়েছে ০ দশমিক ০৫ শতাংশ। লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) পেয়েছে ০ দশমিক ৩৫ শতাংশ। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ ভোট।
২৯৯ আসনের এ নির্বাচনে ৬০টি নিবন্ধিত দলের মধ্যে ৫০টি দল অংশ নেয়। এর মধ্যে ২৯৭টি আসনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করেছে ইসি। চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফল ঘোষণা আদালতে মামলা নিষ্পত্তির পর দেওয়া হবে।
ইসির ঘোষিত ফল অনুযায়ী, ২৯৭টি আসনে ভোট পড়েছে ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ। আর গণভোটে ২৯৯ আসনে ভোটগ্রহণের হার ছিল ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পেয়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ ভোট এবং ‘না’ পেয়েছে ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ ভোট।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতীক ধানের শীষ ভোট পেয়েছে প্রায় পৌনে চার কোটি। এই সংখ্যা প্রদত্ত ভোটের ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ। অর্থাৎ এককভাবে আসন অনেক বেশি পেলেও ভোটের হিসাবে এত বেশি এগিয়ে নেয় বিএনপি।
শতকরা হিসেবে ধানের শীষের পরেই রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী প্রতীক দাঁড়িপাল্লা। দলটি এবার সোয়া দুই কোটির বেশি ভোট পেয়েছে, যা মোট ভোটের ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ।
এবার ধানের শীষ প্রতীকে লড়াই করেছিলেন ২৯১ জন। ইতোমধ্যে দলটি ২০৯ আসন পেয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। আর বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী এ যাবৎ ভোট ও আসনের রেকর্ড গড়েছে; এবার দাঁড়িপাল্লা ৬৮টি আসন পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।
সংসদ ও গণভোট হয়েছে বৃহস্পতিবার। এর তিন দিন পর আজ রোববার নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে ভোটের হিসাব প্রকাশ করা হয়।
এ তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। ২৭৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী ভোট পেয়েছেন ৫.৭৯ শতাংশ। নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতীক শাপলা কলি পেয়েছে ৩.০৫ শতাংশ ভোট।
এর বাইরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা ২.৭০ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রিক্সা ২.০৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে।
এ ছাড়া ইসির তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) পেয়েছে ০ দশমিক ২৮ শতাংশ এবং আমজনতার দল পেয়েছে ০ দশমিক ০১ শতাংশ ভোট। ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ পেয়েছে ০ দশমিক ০৩ শতাংশ, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ ০ দশমিক ০৮ শতাংশ।
এবার ইসলামিক ঐক্য কোনো ভোট পায়নি। খেলাফত মজলিস পেয়েছে ০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। গণঅধিকার পরিষদ পেয়েছে ০ দশমিক ৩৩ শতাংশ। গণতন্ত্রী পার্টি ও গণফ্রন্ট কোনো ভোট পায়নি। গণফোরাম পেয়েছে ০১ শতাংশ এবং গণসংহতি আন্দোলন পেয়েছে ০ দশমিক ১৪ শতাংশ। জাকের পার্টি পেয়েছে ০ দশমিক ০২ শতাংশ ভোট।
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) কোনো ভোট পায়নি। জাতীয় পার্টি পেয়েছে ০ দশমিক ৮৯ শতাংশ এবং জাতীয় পার্টি (জেপি) পেয়েছে ০ দশমিক ০৪ শতাংশ ভোট। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) পেয়েছে ০ দশমিক ০২ শতাংশ এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) পায়নি কোনো ভোট। জনতার দল পেয়েছে ০ দশমিক ০৫ শতাংশ। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ পেয়েছে ০ দশমিক ৪৭ শতাংশ এবং ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) পেয়েছে ০ দশমিক ০১ শতাংশ ভোট।
নাগরিক ঐক্য পেয়েছে ০ দশমিক ০১ শতাংশ। বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) পেয়েছে ০ দশমিক ০২ শতাংশ। বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট পেয়েছে ০ দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং বাংলাদেশ কংগ্রেস পেয়েছে ০ দশমিক ০১ শতাংশ ভোট। বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি কোনো ভোট পায়নি। বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি কোনো ভোট পায়নি, আর বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) পেয়েছে ০ দশমিক ১৪ শতাংশ। বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি পেয়েছে ০ দশমিক ১৭ শতাংশ এবং বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি পেয়েছে ০ দশমিক ০১ শতাংশ ভোট।
বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) কোনো ভোট পায়নি। বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি পেয়েছে ০ দশমিক ০৪ শতাংশ। বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি-বিএমজেপি এবং বাংলাদেশ মুসলিম লীগ—উভয়েই পেয়েছে ০ দশমিক ০১ শতাংশ ভোট। বাংলাদেশ মুসলিম লীগ-বিএনএল কোনো ভোট পায়নি।
বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি) পেয়েছে ০ দশমিক ০২ শতাংশ, বাংলাদেশ লেবার পার্টি ০ দশমিক ০১ শতাংশ এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) ০ দশমিক ০৪ শতাংশ ভোট। বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টি (বিইপি) কোনো ভোট পায়নি। বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তি জোট (মুক্তিজোট) এবং বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি—উভয়েই পেয়েছে ০ দশমিক ০১ শতাংশ ভোট।
বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি পেয়েছে ০ দশমিক ০৪ শতাংশ। বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) পেয়েছে ০ দশমিক ০২ শতাংশ এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) পেয়েছে ০ দশমিক ০৫ শতাংশ। লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) পেয়েছে ০ দশমিক ৩৫ শতাংশ। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ ভোট।
২৯৯ আসনের এ নির্বাচনে ৬০টি নিবন্ধিত দলের মধ্যে ৫০টি দল অংশ নেয়। এর মধ্যে ২৯৭টি আসনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করেছে ইসি। চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফল ঘোষণা আদালতে মামলা নিষ্পত্তির পর দেওয়া হবে।
ইসির ঘোষিত ফল অনুযায়ী, ২৯৭টি আসনে ভোট পড়েছে ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ। আর গণভোটে ২৯৯ আসনে ভোটগ্রহণের হার ছিল ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পেয়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ ভোট এবং ‘না’ পেয়েছে ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ ভোট।