চরচা ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ চলাকালীন সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করেছিলেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। স্থানীয় সময় বুধবার তার কার্যালয় এই ‘গোপন’ সফরের দাবি করে। তবে এই সফরের দাবি অস্বীকার করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। খবর মিডল ইস্ট আইয়ের।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, ‘অপারেশন লায়ন’স রোর’ চলাকালে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গোপনে সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করেন এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এই সফরের মধ্য দিয়ে ইসরায়েল ও আমিরাতের সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
তবে নেতানিয়াহু আবুধাবিতে ‘গোপন সফর’ করেছেন বলে তার দপ্তরের দাবি নাকচ করে দিয়েছে আমিরাত। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর এ দাবিকে ‘ভিত্তিহীন’ উল্লেখ করে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাত স্পষ্ট জানাচ্ছে যে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আমিরাত সফর কিংবা দেশে কোনো ইসরায়েলি সামরিক প্রতিনিধিদল গ্রহণের খবরগুলো সঠিক নয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক প্রকাশ্য এবং তা সুপরিচিত ও দাপ্তরিকভাবে ঘোষিত ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’-এর কাঠামোর আওতায় পরিচালিত। এর বাইরে অস্বচ্ছ বা অনানুষ্ঠানিক কোনো ব্যবস্থার ভিত্তিতে এই সম্পর্ক নয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়া এ ধরনের অঘোষিত সফর বা গোপন চুক্তির যেকোনো দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়, গত ২৬ মার্চ নেতানিয়াহু ও শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ সাক্ষাৎ করেছিলেন। মূলত চলমান যুদ্ধের মধ্যে সামরিক পদক্ষেপের সমন্বয় করাই ছিল এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য। নেতানিয়াহুর দপ্তরের করা পোস্টের পর রয়টার্স এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
সূত্রটি আরও জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালে সামরিক সমন্বয়ের জন্য মোসাদের প্রধান অন্তত দু’বার সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করেছিলেন। গোয়েন্দা প্রধানের এই সফরের খবর প্রথম প্রকাশ করে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
এদিকে, নেতানিয়াহুর দপ্তরের এই দাবি এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি প্রকাশ করেছেন, ইরান যুদ্ধের চূড়ান্ত পর্যায়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে পরিচালনার জন্য ইসরায়েল তাদের ‘আয়রন ডোম’ ইন্টারসেপশন সিস্টেমের ব্যাটারি পাঠিয়েছিল।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ চলাকালীন সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করেছিলেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। স্থানীয় সময় বুধবার তার কার্যালয় এই ‘গোপন’ সফরের দাবি করে। তবে এই সফরের দাবি অস্বীকার করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। খবর মিডল ইস্ট আইয়ের।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, ‘অপারেশন লায়ন’স রোর’ চলাকালে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গোপনে সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করেন এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এই সফরের মধ্য দিয়ে ইসরায়েল ও আমিরাতের সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
তবে নেতানিয়াহু আবুধাবিতে ‘গোপন সফর’ করেছেন বলে তার দপ্তরের দাবি নাকচ করে দিয়েছে আমিরাত। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর এ দাবিকে ‘ভিত্তিহীন’ উল্লেখ করে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাত স্পষ্ট জানাচ্ছে যে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আমিরাত সফর কিংবা দেশে কোনো ইসরায়েলি সামরিক প্রতিনিধিদল গ্রহণের খবরগুলো সঠিক নয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক প্রকাশ্য এবং তা সুপরিচিত ও দাপ্তরিকভাবে ঘোষিত ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’-এর কাঠামোর আওতায় পরিচালিত। এর বাইরে অস্বচ্ছ বা অনানুষ্ঠানিক কোনো ব্যবস্থার ভিত্তিতে এই সম্পর্ক নয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়া এ ধরনের অঘোষিত সফর বা গোপন চুক্তির যেকোনো দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়, গত ২৬ মার্চ নেতানিয়াহু ও শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ সাক্ষাৎ করেছিলেন। মূলত চলমান যুদ্ধের মধ্যে সামরিক পদক্ষেপের সমন্বয় করাই ছিল এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য। নেতানিয়াহুর দপ্তরের করা পোস্টের পর রয়টার্স এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
সূত্রটি আরও জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালে সামরিক সমন্বয়ের জন্য মোসাদের প্রধান অন্তত দু’বার সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করেছিলেন। গোয়েন্দা প্রধানের এই সফরের খবর প্রথম প্রকাশ করে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
এদিকে, নেতানিয়াহুর দপ্তরের এই দাবি এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি প্রকাশ করেছেন, ইরান যুদ্ধের চূড়ান্ত পর্যায়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে পরিচালনার জন্য ইসরায়েল তাদের ‘আয়রন ডোম’ ইন্টারসেপশন সিস্টেমের ব্যাটারি পাঠিয়েছিল।