ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন
চরচা ডেস্ক

তেহরানকে নতুন একটি পরমাণু চুক্তিতে বাধ্য করতে ইরানের ওপর প্রাথমিক ও সীমিত আকারে সামরিক হামলার পরিকল্পনা বিবেচনা করছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিষয়টির সাথে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
সংবাদমাধ্যমটি জানায়, এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো ইরানের ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করা, তবে এমন কোনো বড় মাপের আক্রমণ এড়ানো যা সরাসরি একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের সূত্রপাত ঘটাতে পারে।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, যদি প্রেসিডেন্ট এই হামলার অনুমোদন দেন, তবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ইরানের নির্দিষ্ট কিছু সামরিক বা সরকারি স্থাপনা লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হতে পারে। ট্রাম্প প্রশাসন আশা করছে, এই সীমিত আঘাত তেহরানকে আলোচনায় বসতে বাধ্য করবে।
তবে ইরান যদি এরপরও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করতে অস্বীকার করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র আরও বড় পরিসরে অভিযান শুরু করবে। সেক্ষেত্রে লক্ষ্য হবে ইরানের শাসনব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো ধ্বংস করা, যা শেষ পর্যন্ত বর্তমান সরকারের পতনও ঘটাতে পারে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সীমিত হামলার পরিকল্পনাটি ট্রাম্পের একটি বিশেষ কৌশল। তিনি সামরিক শক্তিকে শুধুমাত্র শাস্তি হিসেবে নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ অনুযায়ী একটি নতুন চুক্তি আদায়ের পথ হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছেন। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি এই বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেছেন, ‘‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত কী করবেন, তা কেবল তিনিই জানেন।’’
উল্লেখ্য যে, ২০১৮ সালে উত্তর কোরিয়ার ক্ষেত্রেও ট্রাম্প প্রশাসন সীমিত হামলার কথা ভেবেছিল, যদিও পরে তারা সরাসরি কূটনীতির পথ বেছে নিয়েছিল।

তেহরানকে নতুন একটি পরমাণু চুক্তিতে বাধ্য করতে ইরানের ওপর প্রাথমিক ও সীমিত আকারে সামরিক হামলার পরিকল্পনা বিবেচনা করছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিষয়টির সাথে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
সংবাদমাধ্যমটি জানায়, এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো ইরানের ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করা, তবে এমন কোনো বড় মাপের আক্রমণ এড়ানো যা সরাসরি একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের সূত্রপাত ঘটাতে পারে।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, যদি প্রেসিডেন্ট এই হামলার অনুমোদন দেন, তবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ইরানের নির্দিষ্ট কিছু সামরিক বা সরকারি স্থাপনা লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হতে পারে। ট্রাম্প প্রশাসন আশা করছে, এই সীমিত আঘাত তেহরানকে আলোচনায় বসতে বাধ্য করবে।
তবে ইরান যদি এরপরও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করতে অস্বীকার করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র আরও বড় পরিসরে অভিযান শুরু করবে। সেক্ষেত্রে লক্ষ্য হবে ইরানের শাসনব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো ধ্বংস করা, যা শেষ পর্যন্ত বর্তমান সরকারের পতনও ঘটাতে পারে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সীমিত হামলার পরিকল্পনাটি ট্রাম্পের একটি বিশেষ কৌশল। তিনি সামরিক শক্তিকে শুধুমাত্র শাস্তি হিসেবে নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ অনুযায়ী একটি নতুন চুক্তি আদায়ের পথ হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছেন। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি এই বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেছেন, ‘‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত কী করবেন, তা কেবল তিনিই জানেন।’’
উল্লেখ্য যে, ২০১৮ সালে উত্তর কোরিয়ার ক্ষেত্রেও ট্রাম্প প্রশাসন সীমিত হামলার কথা ভেবেছিল, যদিও পরে তারা সরাসরি কূটনীতির পথ বেছে নিয়েছিল।