চরচা ডেস্ক

চীনের কমিউনিস্ট পার্টির জাদুঘর ‘মিউজিয়াম অব দ্য কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়না’ পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাদুঘরটিতে চীনের ক্ষমতাসীন দলটির ইতিহাস ও বিকাশ তুলে ধরা হয়েছে।
স্থানীয় সময় আজ সকালে জাদুঘর পরিদর্শন করেন তিনি। বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
এর আগে বেইজিংয়ের ঐতিহ্যবাহী ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপলে’ চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন তারেক রহমান।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই শীর্ষ বৈঠকের মধ্য দিয়ে ঢাকা-বেইজিং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর হবে এবং দুই দেশের সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের উন্মোচন ঘটবে।
বৈঠক শেষে জাদুঘরে পৌঁছালে কিউরেটর প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান এবং তাকে জাদুঘর ঘুরে দেখান। পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
পরে জাদুঘর থেকে দিয়াওইউতাই রাষ্ট্রীয় অতিথিশালার উদ্দেশে রওনা হন। বিদায়ের সময় জাদুঘরের কিউরেটর তাকে বিদায় জানান।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন ও প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন প্রমুখ।

চীনের কমিউনিস্ট পার্টির জাদুঘর ‘মিউজিয়াম অব দ্য কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়না’ পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাদুঘরটিতে চীনের ক্ষমতাসীন দলটির ইতিহাস ও বিকাশ তুলে ধরা হয়েছে।
স্থানীয় সময় আজ সকালে জাদুঘর পরিদর্শন করেন তিনি। বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
এর আগে বেইজিংয়ের ঐতিহ্যবাহী ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপলে’ চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন তারেক রহমান।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই শীর্ষ বৈঠকের মধ্য দিয়ে ঢাকা-বেইজিং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর হবে এবং দুই দেশের সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের উন্মোচন ঘটবে।
বৈঠক শেষে জাদুঘরে পৌঁছালে কিউরেটর প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান এবং তাকে জাদুঘর ঘুরে দেখান। পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
পরে জাদুঘর থেকে দিয়াওইউতাই রাষ্ট্রীয় অতিথিশালার উদ্দেশে রওনা হন। বিদায়ের সময় জাদুঘরের কিউরেটর তাকে বিদায় জানান।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন ও প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন প্রমুখ।