নির্বাচনের পরিবেশ সন্তোষজনক: সিইসি

চরচা প্রতিবেদক
চরচা প্রতিবেদক
নির্বাচনের পরিবেশ সন্তোষজনক: সিইসি
সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন। ফাইল ছবি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। আজ সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রবেশের সময় আপিলের জন্য স্থাপিত বুথ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

সিইসি বলেন, সবার সহযোগিতা নিশ্চিত হলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত করা সম্ভব। বর্তমান নির্বাচন-সংক্রান্ত পরিবেশ ও পরিস্থিতিকে তিনি সন্তোষজনক বলেও উল্লেখ করেন।

এদিকে, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আজ থেকেই নির্বাচন কমিশনে আপিল আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে এসব আপিল আবেদনের ওপর পর্যায়ক্রমে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, মনোনয়নপত্র বাতিল বা গ্রহণের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ প্রার্থী কিংবা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবে। এক্ষেত্রে আবেদনের জন্য এক সেট মূল কাগজপত্র ও ছয় সেট ফটোকপি মেমোরেন্ডাম আকারে জমা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে কমিশন।

আপিল গ্রহণের সুবিধার্থে সারাদেশকে ১০টি অঞ্চলে ভাগ করে নির্বাচন কমিশনে পৃথক বুথ স্থাপন করা হয়েছে। রংপুর অঞ্চলের জন্য বুথ-১ (আসন ১-৩৩), রাজশাহী অঞ্চলের জন্য বুথ-২ (আসন ৩৪-৭২), খুলনা অঞ্চলের জন্য বুথ-৩ (আসন ৭৩-১০৮), বরিশাল অঞ্চলের জন্য বুথ-৪ (আসন ১০৯-১২৯), ময়মনসিংহ অঞ্চলের জন্য বুথ-৫ (আসন ১৩০-১৬৭), ঢাকা অঞ্চলের জন্য বুথ-৬ (আসন ১৬৮-২০৮), ফারিদপুর অঞ্চলের জন্য বুথ-৭ (আসন ২০৯-২২৩), সিলেট অঞ্চলের জন্য বুথ-৮ (আসন ২২৪-২৪২), কুমিল্লা অঞ্চলের জন্য বুথ-৯ (আসন ২৪৩-২৭৭) এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের জন্য বুথ-১০ (আসন ২৭৮-৩০০) নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে নির্ধারিত সিরিয়াল অনুযায়ী আপিলের শুনানি চলবে। ১০ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে এই শুনানি চলবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। তবে পরিস্থিতি ও আপিলের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে এ সময়সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে।

শুনানির সময় সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার বা তার প্রতিনিধি এবং আপিলকারীকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ উপস্থিত থাকতে হবে। শুনানি শেষে আপিলের ফলাফল তাৎক্ষণিকভাবে মনিটরে প্রদর্শন করা হবে এবং ই-মেইলের মাধ্যমে পিডিএফ কপি পাঠানো হবে।

এছাড়া নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী নির্বাচন ভবনের অভ্যর্থনা ডেস্ক থেকে রায়ের হার্ডকপি সংগ্রহ করা যাবে। ১০ থেকে ১২ জানুয়ারির রায় ১২ জানুয়ারি, ১৩ থেকে ১৫ জানুয়ারির রায় ১৫ জানুয়ারি এবং ১৬ থেকে ১৮ জানুয়ারির রায় ১৮ জানুয়ারি দেওয়া হবে।

সম্পর্কিত