চরচা ডেস্ক

ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজাই বলেছেন, তেহরান কোনো অবস্থাতেই সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে পাঠাতে রাজি নয় এবং এ ধরনের কোনো প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়নি।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে ইব্রাহিম রেজাই বলেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শূন্যে নামিয়ে আনা বা শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করার যেকোনো প্রস্তাব তেহরান ‘সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান’ করে। ইরান এটিকে তাদের কৌশলগত ‘রেড লাইন’ হিসেবে বিবেচনা করে।
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, গত বছর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিমান হামলার পর মাটির নিচে লুকানো সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে ইরান সম্মত হয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাইও ট্রাম্পের এই দাবি নাকচ বরেছেন। ইরানের গণমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে তিনি বলেন, “সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আমাদের কাছে ইরানের মাটির মতোই পবিত্র এবং কোনো অবস্থাতেই এটি অন্য কোথাও পাঠানো হবে না।”
এদিকে, একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে আগামী সোমবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফার উচ্চপর্যায়ের শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। আলোচনা সম্পর্কে অবগত ইরানি কর্মকর্তাদের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন।
কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, আলোচনা সামনে রেখে মার্কিন-ইরানি প্রতিনিধিদলগুলো আগামীকাল রোববার পাকিস্তানের রাজধানীতে পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
এর আগে গত সপ্তাহের শেষে ইসলামাবাদে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তবে তিনি কোনো অগ্রগতি ছাড়াই ফিরে যান।

ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজাই বলেছেন, তেহরান কোনো অবস্থাতেই সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে পাঠাতে রাজি নয় এবং এ ধরনের কোনো প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়নি।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে ইব্রাহিম রেজাই বলেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শূন্যে নামিয়ে আনা বা শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করার যেকোনো প্রস্তাব তেহরান ‘সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান’ করে। ইরান এটিকে তাদের কৌশলগত ‘রেড লাইন’ হিসেবে বিবেচনা করে।
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, গত বছর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিমান হামলার পর মাটির নিচে লুকানো সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে ইরান সম্মত হয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাইও ট্রাম্পের এই দাবি নাকচ বরেছেন। ইরানের গণমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে তিনি বলেন, “সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আমাদের কাছে ইরানের মাটির মতোই পবিত্র এবং কোনো অবস্থাতেই এটি অন্য কোথাও পাঠানো হবে না।”
এদিকে, একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে আগামী সোমবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফার উচ্চপর্যায়ের শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। আলোচনা সম্পর্কে অবগত ইরানি কর্মকর্তাদের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন।
কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, আলোচনা সামনে রেখে মার্কিন-ইরানি প্রতিনিধিদলগুলো আগামীকাল রোববার পাকিস্তানের রাজধানীতে পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
এর আগে গত সপ্তাহের শেষে ইসলামাবাদে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তবে তিনি কোনো অগ্রগতি ছাড়াই ফিরে যান।