চরচা প্রতিবেদক

খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে হারিয়ে জামায়াতে ইসলামীর শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল বিজয়ী হয়েছেন।
খুলনার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আ স ম জামশেদ খোন্দকার বৃহস্পতিবার রাতে নির্বাচনের এই ফলাফল ঘোষণা করেন।
রাত পৌনে একটার দিকে এই আসনের মোট ১৫৮টি কেন্দ্রের সব কটির ভোট গণনা শেষ হয়।
জামায়াতের প্রার্থী মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৭৮৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু পেয়েছেন ৮৮ হাজার ১৯৭ ভোট। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আমানুল্লাহ হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছে ৭ হাজার ২৯৮ ভোট।
২০০৮ সালে খুলনার ছয়টি আসন থেকে একমাত্র বিএনপির প্রার্থী হিসেবে খুলনা-২ আসনে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
২০২১ সালের ডিসেম্বরে খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি পদ হারান নজরুল ইসলাম। ওই সময় আহ্বায়ক করা হয় শফিকুল আলম মনাকে এবং সদস্যসচিব করা হয় শফিকুল আলম তুহিনকে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মঞ্জুর অনুসারীরা খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। এরপরই মঞ্জুকে কেন্দ্রীয় বিএনপির খুলনা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ থেকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়।
গত নভেম্বর মাসে লন্ডন থেকে তারেক রহমান মঞ্জুকে এবারের প্রার্থী হিসেবে কাজ করার নির্দেশ দেন।
২০০১ সালে বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এই আসন থেকে জয়ী হন। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে এখানে জয়ী হন সাবেক স্পিকার শেখ রাজ্জাক আলী।

খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে হারিয়ে জামায়াতে ইসলামীর শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল বিজয়ী হয়েছেন।
খুলনার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আ স ম জামশেদ খোন্দকার বৃহস্পতিবার রাতে নির্বাচনের এই ফলাফল ঘোষণা করেন।
রাত পৌনে একটার দিকে এই আসনের মোট ১৫৮টি কেন্দ্রের সব কটির ভোট গণনা শেষ হয়।
জামায়াতের প্রার্থী মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৭৮৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু পেয়েছেন ৮৮ হাজার ১৯৭ ভোট। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আমানুল্লাহ হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছে ৭ হাজার ২৯৮ ভোট।
২০০৮ সালে খুলনার ছয়টি আসন থেকে একমাত্র বিএনপির প্রার্থী হিসেবে খুলনা-২ আসনে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
২০২১ সালের ডিসেম্বরে খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি পদ হারান নজরুল ইসলাম। ওই সময় আহ্বায়ক করা হয় শফিকুল আলম মনাকে এবং সদস্যসচিব করা হয় শফিকুল আলম তুহিনকে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মঞ্জুর অনুসারীরা খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। এরপরই মঞ্জুকে কেন্দ্রীয় বিএনপির খুলনা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ থেকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়।
গত নভেম্বর মাসে লন্ডন থেকে তারেক রহমান মঞ্জুকে এবারের প্রার্থী হিসেবে কাজ করার নির্দেশ দেন।
২০০১ সালে বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এই আসন থেকে জয়ী হন। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে এখানে জয়ী হন সাবেক স্পিকার শেখ রাজ্জাক আলী।