চরচা প্রতিবেদক

আসরের অন্যতম ফেভারিট হিসেবেই ধরা হচ্ছে ইংল্যান্ডকে। বলার অপেক্ষা রাখে না, এর পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ অধিনায়ক হ্যারি কেইন। বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে স্বপ্নের এক মৌসুম পার করে বিশ্বকাপেও দুর্দান্ত সূচনা করেছেন ইংলিশ তারকা। গতবারের সেমিফাইনালিস্ট ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা ম্যাচে জিতেছে ইংল্যান্ডই।
‘এল’ গ্রুপের প্রথম ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে ইংল্যান্ড।
ম্যাচের ১২তম মিনিটে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন কেইন। দ্বিতীয় দফায় নেওয়া পেনাল্টি থেকে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। তবে ৩৬তম মিনিটে সমতা ফেরায় ক্রোয়েশিয়া। জালের দেখা পান মার্টিন বাতুরিনা।
প্রথমার্ধেই ফের টমাস টুখেলের দলকে এগিয়ে দেন কেইন। ডেকলান রাইসের কর্নার থেকে দুর্দান্ত এক হেডে ঠিকানা খুঁজে নেন অভিজ্ঞ এই স্ট্রাইকার। জমে ওঠা ম্যাচে যোগ করা সময়ে আরও একবার স্কোরলাইন সমান করে ক্রোয়াটরা। এবার দলটির হয়ে গোল করেন পেতার মুসা।
বিরতির পর গোছানো ফুটবল খেলে ম্যাচের লাগাম নিয়ে নেয় ইংল্যান্ড। সেই ধারায় ৬৪তম মিনিটে লিড এনে দেন রিয়াল মাদ্রিদ মিডফিল্ডার জুড বেলিংহ্যাম। আর ৮৫তম মিনিটে বদলি হিসেবে নেমে মার্কাস র্যাশফোর্ড কার্লিং শটে নিশ্চিত করেন দলের বড় জয়।
এই ম্যাচে জোড়া গোল করে বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা ১০-এ নিয়ে গেছেন কেইন। বিশ্বকাপে তিনি এখন যৌথভাবে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ গোলস্কোরার । ১৯৮৬ ও ১৯৯০ বিশ্বকাপে গ্যারি লিনেকারও করেছিলেন ১০ গোল।
আরেকটি ব্যক্তিগত কীর্তিও গড়েছেন ৩২ বছর বয়সী কেইন। ডেভিড বেকহামের পর মাত্র দ্বিতীয় ইংলিশ ফুটবলার হিসেবে তিনটি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করেছেন তিনি। এর মধ্যে ২০১৮ বিশ্বকাপে ছয় গোল করে জিতেছিলেন গোল্ডেন বুটও।
ঘানা ও পানামার মধ্যকার এই গ্রুপের অন্য ম্যাচেও ছিল রোমাঞ্চের ছোয়া। ম্যাচের অধিকাংশ সময় আধিপত্য ছিল পানামারই। তবে শেষ পর্যন্ত খালি হাতেই মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাদের। নিজেদের ইতিহাসে বিশ্বকাপে চার ম্যাচের চারটিতেই হেরে গেছে দলটি।
টেনেটুনে জিতলেও প্রথমার্ধে একেবারেই এলোমেলো ছিল ঘানা। ৪৫তম মিনিটে গিয়ে তারা প্রথমবারের মতো লক্ষ্যে একটি শট নিতে সক্ষম হয়। তবে বিরতির পর পাল্টে যায় চিত্র। আক্রমণে একাই প্রাণ ফেরান আন্তোয়ান সেমেনিয়ো, যিনি শেষ পর্যন্ত গড়ে দেন ব্যবধান।
ম্যাচের একদম অন্তিম সময়ে (৯৫ মিনিট) সেমেনিয়োর সূচনা করা আক্রমণ থেকেই গোল করে ঘানাকে উল্লাসে ভাসান ক্যালেব ইয়েরেঙ্কি।

আসরের অন্যতম ফেভারিট হিসেবেই ধরা হচ্ছে ইংল্যান্ডকে। বলার অপেক্ষা রাখে না, এর পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ অধিনায়ক হ্যারি কেইন। বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে স্বপ্নের এক মৌসুম পার করে বিশ্বকাপেও দুর্দান্ত সূচনা করেছেন ইংলিশ তারকা। গতবারের সেমিফাইনালিস্ট ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা ম্যাচে জিতেছে ইংল্যান্ডই।
‘এল’ গ্রুপের প্রথম ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে ইংল্যান্ড।
ম্যাচের ১২তম মিনিটে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন কেইন। দ্বিতীয় দফায় নেওয়া পেনাল্টি থেকে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। তবে ৩৬তম মিনিটে সমতা ফেরায় ক্রোয়েশিয়া। জালের দেখা পান মার্টিন বাতুরিনা।
প্রথমার্ধেই ফের টমাস টুখেলের দলকে এগিয়ে দেন কেইন। ডেকলান রাইসের কর্নার থেকে দুর্দান্ত এক হেডে ঠিকানা খুঁজে নেন অভিজ্ঞ এই স্ট্রাইকার। জমে ওঠা ম্যাচে যোগ করা সময়ে আরও একবার স্কোরলাইন সমান করে ক্রোয়াটরা। এবার দলটির হয়ে গোল করেন পেতার মুসা।
বিরতির পর গোছানো ফুটবল খেলে ম্যাচের লাগাম নিয়ে নেয় ইংল্যান্ড। সেই ধারায় ৬৪তম মিনিটে লিড এনে দেন রিয়াল মাদ্রিদ মিডফিল্ডার জুড বেলিংহ্যাম। আর ৮৫তম মিনিটে বদলি হিসেবে নেমে মার্কাস র্যাশফোর্ড কার্লিং শটে নিশ্চিত করেন দলের বড় জয়।
এই ম্যাচে জোড়া গোল করে বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা ১০-এ নিয়ে গেছেন কেইন। বিশ্বকাপে তিনি এখন যৌথভাবে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ গোলস্কোরার । ১৯৮৬ ও ১৯৯০ বিশ্বকাপে গ্যারি লিনেকারও করেছিলেন ১০ গোল।
আরেকটি ব্যক্তিগত কীর্তিও গড়েছেন ৩২ বছর বয়সী কেইন। ডেভিড বেকহামের পর মাত্র দ্বিতীয় ইংলিশ ফুটবলার হিসেবে তিনটি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করেছেন তিনি। এর মধ্যে ২০১৮ বিশ্বকাপে ছয় গোল করে জিতেছিলেন গোল্ডেন বুটও।
ঘানা ও পানামার মধ্যকার এই গ্রুপের অন্য ম্যাচেও ছিল রোমাঞ্চের ছোয়া। ম্যাচের অধিকাংশ সময় আধিপত্য ছিল পানামারই। তবে শেষ পর্যন্ত খালি হাতেই মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাদের। নিজেদের ইতিহাসে বিশ্বকাপে চার ম্যাচের চারটিতেই হেরে গেছে দলটি।
টেনেটুনে জিতলেও প্রথমার্ধে একেবারেই এলোমেলো ছিল ঘানা। ৪৫তম মিনিটে গিয়ে তারা প্রথমবারের মতো লক্ষ্যে একটি শট নিতে সক্ষম হয়। তবে বিরতির পর পাল্টে যায় চিত্র। আক্রমণে একাই প্রাণ ফেরান আন্তোয়ান সেমেনিয়ো, যিনি শেষ পর্যন্ত গড়ে দেন ব্যবধান।
ম্যাচের একদম অন্তিম সময়ে (৯৫ মিনিট) সেমেনিয়োর সূচনা করা আক্রমণ থেকেই গোল করে ঘানাকে উল্লাসে ভাসান ক্যালেব ইয়েরেঙ্কি।