চরচা প্রতিবেদক

১৬ ওভারে ৩৭ রানের বিনিময়ে ১ উইকেট–মিরপুর টেস্টের প্রথম দিনের চা বিরতিতে মোহাম্মদ আব্বাসের স্পেলটা দেখে শেষ ওভার বাদে বিশেষ কিছু মনে হওয়ার কথা নয়। তবে লাল বলের ক্রিকেটে সবসময় উইকেটই শেষ কথা নয়; অনেক সময় উইকেট না নিয়েও ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া যায়।
কিন্তু পাকিস্তানের এই পেসারকে সেটাও করতে না দিয়েই সফল হয়েছেন নাজমুল হোসেন ও মুমিনুল হক। এই উইকেটে যিনি হতে পারতেন পাকিস্তানের সবচেয়ে কার্যকর অস্ত্র, সেই আব্বাসকে দ্বিতীয় সেশন পর্যন্ত প্রায় নিষ্ক্রিয় রাখতে সমর্থ হয়েছে বাংলাদেশ। ভিন্ন ভিন্ন দক্ষতায় তাকে ‘অচল’ রেখে ইনিংস লম্বা করেছেন দুজনই।
মুমিনুল তার স্বভাবসুলভ ব্যাটিং করলেও নাজমুল আব্বাস বাদে অন্য বোলারদের খেলেছেন মেরিট অনুযায়ী। ইতিবাচক ব্যাটিংয়ের আদর্শ এক প্রদর্শনী দেখিয়ে আউট হয়েছেন সেঞ্চুরি (১০১) করে। টেস্টে সাম্প্রতিক সময়ে ভীষণ ধারাবাহিক বাংলাদেশ অধিনায়ক শেষ ৮ ইনিংসে করেছেন চতুর্থ শতক।
আর তাতে ভর করে বাংলাদেশ দাঁড়িয়ে গেছে শক্ত ভিতের ওপর। চা বিরতিতে স্বাগতিকদের স্কোর ৩ উইকেটে ২১২। মুমিনুল অপরাজিত আছেন ৬৪ রানে।
দারুণ সম্ভাবনা জাগিয়ে ৯ বছর আগে টেস্ট ক্রিকেটে পা রেখেছিলেন আব্বাস। অনেকেই সেই সময়ে তাকে তুলনা করেছিলেন সাবেক অস্ট্রেলিয়ান পেসার গ্লেন ম্যাকগ্রার সঙ্গে। গতি নয়, সুইংয়ের সঙ্গে টানা একই লাইন-লেন্থে বল করে যাওয়ার সহজাত সক্ষমতাই তার মূল শক্তির জায়গা। তবে সেই অনুযায়ী তার ক্যারিয়ার পরে আর এগোয়নি।
বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের আগে সবশেষ টেস্ট খেলেছিলেন ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে। ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়ে ফিরেছেন দলে। প্রথম টেস্টে তাকে একাদশে রাখার পেছনেও সেটাই রেখেছে বড় ভূমিকা। শাহিন শাহ আফ্রিদি ও হাসান আলি থাকলেও টেস্ট শুরুর আগে আব্বাসকেই বাংলাদেশের বড় হুমকি বলে ধরা হচ্ছিল।
সেটা মাথায় রেখেই নাজমুল ও মুমিনুল নেমেছিলেন বিশেষ পরিকল্পনা নিয়ে। প্রথম সেশন থেকেই আব্বাসকে মোকাবিলা করতে নাজমুল ব্যাট করেন ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে। যাতে করে সুইংটা কার্যকর না হয়। এই পদ্ধতি এতটাই কাজে দেয় যে, শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে কিপারকে সামনে এনে গতি কমিয়ে বোলিং করেন আব্বাস।
মুমিনুল ছিলেন আবার ব্যতিক্রম। তিনি ক্রিজের ভেতরে থেকেই অপেক্ষা করেছেন বল ব্যাটে আসার জন্য। ফলে দুই প্রান্তে দুই ব্যাটসম্যান সম্পূর্ণ আলাদা দক্ষতায় ব্যাটিং করায় আব্বাস পারেননি তার সেরা ছন্দ বজায় রাখতে।
যদিও শেষ পর্যন্ত বিরতির আগে শেষ ওভারে শান্তকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে উইকেটের দেখা পেয়েছেন আব্বাস। তবে তার আগেই বাংলাদেশ শক্ত অবস্থানে চলে গেছে। ব্যাটিংয়ের জন্য সহজ হয়ে যাওয়া উইকেটে মুমিনুল, মুশফিকুর রহিমদের দায়িত্ব এখন স্কোরটাকে যতটা সম্ভব বড় করা।

১৬ ওভারে ৩৭ রানের বিনিময়ে ১ উইকেট–মিরপুর টেস্টের প্রথম দিনের চা বিরতিতে মোহাম্মদ আব্বাসের স্পেলটা দেখে শেষ ওভার বাদে বিশেষ কিছু মনে হওয়ার কথা নয়। তবে লাল বলের ক্রিকেটে সবসময় উইকেটই শেষ কথা নয়; অনেক সময় উইকেট না নিয়েও ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া যায়।
কিন্তু পাকিস্তানের এই পেসারকে সেটাও করতে না দিয়েই সফল হয়েছেন নাজমুল হোসেন ও মুমিনুল হক। এই উইকেটে যিনি হতে পারতেন পাকিস্তানের সবচেয়ে কার্যকর অস্ত্র, সেই আব্বাসকে দ্বিতীয় সেশন পর্যন্ত প্রায় নিষ্ক্রিয় রাখতে সমর্থ হয়েছে বাংলাদেশ। ভিন্ন ভিন্ন দক্ষতায় তাকে ‘অচল’ রেখে ইনিংস লম্বা করেছেন দুজনই।
মুমিনুল তার স্বভাবসুলভ ব্যাটিং করলেও নাজমুল আব্বাস বাদে অন্য বোলারদের খেলেছেন মেরিট অনুযায়ী। ইতিবাচক ব্যাটিংয়ের আদর্শ এক প্রদর্শনী দেখিয়ে আউট হয়েছেন সেঞ্চুরি (১০১) করে। টেস্টে সাম্প্রতিক সময়ে ভীষণ ধারাবাহিক বাংলাদেশ অধিনায়ক শেষ ৮ ইনিংসে করেছেন চতুর্থ শতক।
আর তাতে ভর করে বাংলাদেশ দাঁড়িয়ে গেছে শক্ত ভিতের ওপর। চা বিরতিতে স্বাগতিকদের স্কোর ৩ উইকেটে ২১২। মুমিনুল অপরাজিত আছেন ৬৪ রানে।
দারুণ সম্ভাবনা জাগিয়ে ৯ বছর আগে টেস্ট ক্রিকেটে পা রেখেছিলেন আব্বাস। অনেকেই সেই সময়ে তাকে তুলনা করেছিলেন সাবেক অস্ট্রেলিয়ান পেসার গ্লেন ম্যাকগ্রার সঙ্গে। গতি নয়, সুইংয়ের সঙ্গে টানা একই লাইন-লেন্থে বল করে যাওয়ার সহজাত সক্ষমতাই তার মূল শক্তির জায়গা। তবে সেই অনুযায়ী তার ক্যারিয়ার পরে আর এগোয়নি।
বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের আগে সবশেষ টেস্ট খেলেছিলেন ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে। ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়ে ফিরেছেন দলে। প্রথম টেস্টে তাকে একাদশে রাখার পেছনেও সেটাই রেখেছে বড় ভূমিকা। শাহিন শাহ আফ্রিদি ও হাসান আলি থাকলেও টেস্ট শুরুর আগে আব্বাসকেই বাংলাদেশের বড় হুমকি বলে ধরা হচ্ছিল।
সেটা মাথায় রেখেই নাজমুল ও মুমিনুল নেমেছিলেন বিশেষ পরিকল্পনা নিয়ে। প্রথম সেশন থেকেই আব্বাসকে মোকাবিলা করতে নাজমুল ব্যাট করেন ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে। যাতে করে সুইংটা কার্যকর না হয়। এই পদ্ধতি এতটাই কাজে দেয় যে, শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে কিপারকে সামনে এনে গতি কমিয়ে বোলিং করেন আব্বাস।
মুমিনুল ছিলেন আবার ব্যতিক্রম। তিনি ক্রিজের ভেতরে থেকেই অপেক্ষা করেছেন বল ব্যাটে আসার জন্য। ফলে দুই প্রান্তে দুই ব্যাটসম্যান সম্পূর্ণ আলাদা দক্ষতায় ব্যাটিং করায় আব্বাস পারেননি তার সেরা ছন্দ বজায় রাখতে।
যদিও শেষ পর্যন্ত বিরতির আগে শেষ ওভারে শান্তকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে উইকেটের দেখা পেয়েছেন আব্বাস। তবে তার আগেই বাংলাদেশ শক্ত অবস্থানে চলে গেছে। ব্যাটিংয়ের জন্য সহজ হয়ে যাওয়া উইকেটে মুমিনুল, মুশফিকুর রহিমদের দায়িত্ব এখন স্কোরটাকে যতটা সম্ভব বড় করা।