চরচা প্রতিবেদক

বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অকটেনের দাম বেড়ে প্রতি লিটার ১৪০ টাকা এবং পেট্রোলের দাম ১৩৫ টাকা করা হয়েছে।
গতকাল শনিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। আজ রোববার থেকে এ দাম কার্যকর হবে।
নতুন দর অনুযায়ি ভোক্তা পর্যায়ে লিটার ডিজেল ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১৫ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪০, পেট্রোল ১১৬ টাকা বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩০ টাকা নির্ধারন করেছে সরকার।
এই মূল্যবৃদ্ধি এমন এক সময়ে এলো, যখন আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা আবারও বেড়েছে এবং ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার উচ্চ পর্যায়ে অবস্থান করছে।
জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, মধ্যপ্রাচ্যকে কেন্দ্র করে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের অনিশ্চয়তা পরিশোধিত জ্বালানির আমদানি ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে। এছাড়া গ্রীষ্ম ও সেচ মৌসুমে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে ডিজেল ও ফার্নেস অয়েলের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় জ্বালানির চাহিদা এখন ঊর্ধ্বমুখী।
একই সময়ে বিদ্যুৎ খাতে গ্যাস সরবরাহের সীমাবদ্ধতা থাকায় তরল জ্বালানির ওপর নির্ভরতা আরও বেড়েছে। ফলে আমদানি ব্যয়, ডলারের চাপ এবং চাহিদা—এই তিনটি কারণ একসঙ্গে সরকারের ওপর মূল্য সমন্বয়ের চাপ তৈরি করেছিলো বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।
তাদের ভাষ্য, অর্থনীতিতে এর প্রভাব বহুমাত্রিক হতে পারে। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার সরাসরি প্রভাব পড়ে পরিবহন ব্যয়ে, যা পরোক্ষভাবে নিত্যপণ্যের দামেও চাপ তৈরি করে। কৃষি খাতেও সেচের খরচ বাড়বে, বিশেষ করে বোরো মৌসুমে ডিজেলচালিত পাম্পের ওপর নির্ভরশীল এলাকাগুলোতে। শিল্পখাতেও উৎপাদন ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা সামগ্রিকভাবে মূল্যস্ফীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই মূল্যবৃদ্ধির পেছনে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) দীর্ঘদিনের সুপারিশও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক হিসেবে কাজ করে থাকতে পারে। ঋণ কর্মসূচির আওতায় জ্বালানি খাতে ভর্তুকি কমানো এবং আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে দামের সমন্বয় করার ওপর জোর দিয়ে আসছে সংস্থাটি। সরকার ধাপে ধাপে সেই নীতির দিকেই এগোচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যাতে বাজেটের ওপর ভর্তুকির চাপ কমানো যায় এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়।

বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অকটেনের দাম বেড়ে প্রতি লিটার ১৪০ টাকা এবং পেট্রোলের দাম ১৩৫ টাকা করা হয়েছে।
গতকাল শনিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। আজ রোববার থেকে এ দাম কার্যকর হবে।
নতুন দর অনুযায়ি ভোক্তা পর্যায়ে লিটার ডিজেল ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১৫ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪০, পেট্রোল ১১৬ টাকা বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩০ টাকা নির্ধারন করেছে সরকার।
এই মূল্যবৃদ্ধি এমন এক সময়ে এলো, যখন আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা আবারও বেড়েছে এবং ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার উচ্চ পর্যায়ে অবস্থান করছে।
জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, মধ্যপ্রাচ্যকে কেন্দ্র করে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের অনিশ্চয়তা পরিশোধিত জ্বালানির আমদানি ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে। এছাড়া গ্রীষ্ম ও সেচ মৌসুমে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে ডিজেল ও ফার্নেস অয়েলের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় জ্বালানির চাহিদা এখন ঊর্ধ্বমুখী।
একই সময়ে বিদ্যুৎ খাতে গ্যাস সরবরাহের সীমাবদ্ধতা থাকায় তরল জ্বালানির ওপর নির্ভরতা আরও বেড়েছে। ফলে আমদানি ব্যয়, ডলারের চাপ এবং চাহিদা—এই তিনটি কারণ একসঙ্গে সরকারের ওপর মূল্য সমন্বয়ের চাপ তৈরি করেছিলো বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।
তাদের ভাষ্য, অর্থনীতিতে এর প্রভাব বহুমাত্রিক হতে পারে। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার সরাসরি প্রভাব পড়ে পরিবহন ব্যয়ে, যা পরোক্ষভাবে নিত্যপণ্যের দামেও চাপ তৈরি করে। কৃষি খাতেও সেচের খরচ বাড়বে, বিশেষ করে বোরো মৌসুমে ডিজেলচালিত পাম্পের ওপর নির্ভরশীল এলাকাগুলোতে। শিল্পখাতেও উৎপাদন ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা সামগ্রিকভাবে মূল্যস্ফীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই মূল্যবৃদ্ধির পেছনে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) দীর্ঘদিনের সুপারিশও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক হিসেবে কাজ করে থাকতে পারে। ঋণ কর্মসূচির আওতায় জ্বালানি খাতে ভর্তুকি কমানো এবং আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে দামের সমন্বয় করার ওপর জোর দিয়ে আসছে সংস্থাটি। সরকার ধাপে ধাপে সেই নীতির দিকেই এগোচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যাতে বাজেটের ওপর ভর্তুকির চাপ কমানো যায় এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়।