চরচা ডেস্ক

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র চলমান যুদ্ধের মধ্যে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করার বিনিময়ে ২০ বিলিয়ন ডলারের ফ্রিজ করা (হিমায়িত) তহবিল ফিরে পেতে পারে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রশাসনের দুই কর্মকর্তা। সংবাদমাধ্যম এক্সিওসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, চলতি সপ্তাহেই আলোচনার অগ্রগতি হয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে এখনো সময় দরকার।
মার্কিন প্রশাসনের দুই কর্মকর্তার খবর অনুযায়ী, শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র মানবিক সহায়তার (খাদ্য ও ওষুধ) জন্য ৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়ের প্রস্তাব দিয়েছিল। বিপরীতে ইরান দাবি করেছিল ২৭ বিলিয়ন ডলার। বর্তমানে ২০ বিলিয়ন ডলারের একটি সমঝোতা প্রস্তাব নিয়ে দুই পক্ষ আলোচনা করছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রস্তাব করা হয়েছে।
এর মধ্যে একজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, “ইরান কিছুটা নমনীয় হয়েছে। কিন্তু তা যথেষ্ট নয়। তাদের আরও সামনে এগিয়ে নিতে ঠিক কী প্রয়োজন, তা আমরা দেখব।”
তিনি আরও বলেন, “ইরান স্পষ্টভাবেই ওই ২০ বিলিয়ন ডলার এবং আরও অনেক কিছু চায়। তারা চায় কোনো রকম নিষেধাজ্ঞা ছাড়াই মুক্ত বাজার দরে তেল বিক্রি করতে। তারা বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থায় অংশ নিতে চায়। কিন্তু একই সাথে তারা এই পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচিও ধরে রাখতে চায়। তারা হামাসের মতো সন্ত্রাসীদের অর্থায়ন করতে চায়। আমাদের দেওয়া প্রস্তাবগুলো গ্রহণ করার জন্য তারা এসব বিষয় ছাড়তে মোটেও প্রস্তুত নয়।”
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বৃহস্পতিবার জানিয়েছিলেন, চুক্তিটি চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে দুই দেশের প্রতিনিধিরা এই সপ্তাহের শেষেই দ্বিতীয় দফা বৈঠকে বসতে পারেন। ট্রাম্প বলেন, “আগামী রোববার পাকিস্তানের ইসলামাবাদে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”
ট্রাম্প প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য হলো ইরানের আন্ডারগ্রাউন্ড ফেসিলিটিতে থাকা প্রায় ২ হাজার কেজি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়ন্ত্রণ করা। এর মধ্যে আমেরিকার উদ্বেগের বিষয় হলো, ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ করা ৪৫০ কেজি ইউরেনিয়াম।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র চলমান যুদ্ধের মধ্যে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করার বিনিময়ে ২০ বিলিয়ন ডলারের ফ্রিজ করা (হিমায়িত) তহবিল ফিরে পেতে পারে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রশাসনের দুই কর্মকর্তা। সংবাদমাধ্যম এক্সিওসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, চলতি সপ্তাহেই আলোচনার অগ্রগতি হয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে এখনো সময় দরকার।
মার্কিন প্রশাসনের দুই কর্মকর্তার খবর অনুযায়ী, শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র মানবিক সহায়তার (খাদ্য ও ওষুধ) জন্য ৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়ের প্রস্তাব দিয়েছিল। বিপরীতে ইরান দাবি করেছিল ২৭ বিলিয়ন ডলার। বর্তমানে ২০ বিলিয়ন ডলারের একটি সমঝোতা প্রস্তাব নিয়ে দুই পক্ষ আলোচনা করছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রস্তাব করা হয়েছে।
এর মধ্যে একজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, “ইরান কিছুটা নমনীয় হয়েছে। কিন্তু তা যথেষ্ট নয়। তাদের আরও সামনে এগিয়ে নিতে ঠিক কী প্রয়োজন, তা আমরা দেখব।”
তিনি আরও বলেন, “ইরান স্পষ্টভাবেই ওই ২০ বিলিয়ন ডলার এবং আরও অনেক কিছু চায়। তারা চায় কোনো রকম নিষেধাজ্ঞা ছাড়াই মুক্ত বাজার দরে তেল বিক্রি করতে। তারা বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থায় অংশ নিতে চায়। কিন্তু একই সাথে তারা এই পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচিও ধরে রাখতে চায়। তারা হামাসের মতো সন্ত্রাসীদের অর্থায়ন করতে চায়। আমাদের দেওয়া প্রস্তাবগুলো গ্রহণ করার জন্য তারা এসব বিষয় ছাড়তে মোটেও প্রস্তুত নয়।”
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বৃহস্পতিবার জানিয়েছিলেন, চুক্তিটি চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে দুই দেশের প্রতিনিধিরা এই সপ্তাহের শেষেই দ্বিতীয় দফা বৈঠকে বসতে পারেন। ট্রাম্প বলেন, “আগামী রোববার পাকিস্তানের ইসলামাবাদে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”
ট্রাম্প প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য হলো ইরানের আন্ডারগ্রাউন্ড ফেসিলিটিতে থাকা প্রায় ২ হাজার কেজি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়ন্ত্রণ করা। এর মধ্যে আমেরিকার উদ্বেগের বিষয় হলো, ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ করা ৪৫০ কেজি ইউরেনিয়াম।