চরচা ডেস্ক

পাকিস্তান ম্যাচ হারলেই তীব্র সমালোচনায় মুখর হয়ে ওঠেন দেশটির সাবেক ক্রিকেটাররা। আর এই তালিকায় শীর্ষেই থাকেন আহমেদ শেহজাদ। মিরপুর টেস্টে বাংলাদেশের কাছে পরাজয়ের পর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়াই জানিয়েছেন সাবেক এই ওপেনার। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড থেকে শুরু করে খেলোয়াড়–সবাইকেই রীতিমতো ধুয়ে দিয়েছেন। শেহজাদের আক্ষেপ, অবস্থা এতটাই খারাপ হয়ে গেছে যে, বাংলাদেশও এখন তাদের গোনায় ধরে না।
শেহজাদ যা বলেছেন, টেস্টের বাস্তবতায় সেটা ভুলও নয়। পাকিস্তানে গিয়ে পাকিস্তানকে টেস্ট সিরিজে হারানোর পর এবার দেশের মাটিতেও প্রথম টেস্টে জিতেছে নাজমুল হোসেনের দল। পঞ্চম দিনে গিয়ে তারা পায় ১০৪ রানের জয়। সম্প্রতি ওয়ানডে সিরিজেও বাংলাদেশের কাছে হেরে যায় পাকিস্তান।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের সঙ্গে আলাপচারিতায় তাই উত্তরসূরিদের একহাত নিয়েছেন শেহজাদ, “বাংলাদেশকে খাটো করছি না মোটেও। তাই বলে ঘরে-বাইরে তাদের কাছে টানা তিন টেস্ট হেরে যাবেন? খালি ফ্লুক বলে উড়িয়ে দেবেন? স্বীকার করুন যে, বাংলাদেশও এখন আপনাদের পাত্তা দেয় না। বাড়িতে ডেকে নিয়ে অপমান করে ছেড়ে দেয় বারবার। ওদের সেরা বোলার ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার গতিতে বল করে। তিন নম্বর পেসারেরও ঘণ্টায় ১৪০ কি.মি. গতি। আর আপনাদের শাহিন শাহ বল করে ঘণ্টায় ১৩২ কি.মি. গতিতে। চিন্তা করেন, আমরা কোথায় আছি আর বাংলাদেশ কোথায় চলে যাচ্ছে। কিছু তো লজ্জা হওয়া দরকার ভাই আপনাদের। কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন পাকিস্তানের ক্রিকেটকে? আপনারা ক্রিকেটের অভিজাত ফরম্যাটটা নিয়ে কেন এসব তামাশা করছেন?”
পেস বোলিংয়ের জন্য বরাবরই বিখ্যাত দেশ পাকিস্তান মিরপুর টেস্টে খেলেছিল তিন পেসার নিয়ে। একেবারে খারাপ করেননি তারা। মোহাম্মদ আব্বাস প্রথম ইনিংসে নেন ৫ উইকেট। দুই ইনিংসেই ভালো করেন শাহিন শাহ আফ্রিদি ও হাসান আলিও।
পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদকে নিয়েও বিরক্ত শেহজাদ, “শান মাসুদ ভালো ছেলে, কিন্তু ভালো অধিনায়ক কীভাবে? আপনারা ক্রিকেটের অভিজাত ফরম্যাটটা নিয়ে কেন এসব তামাশা করছেন? শুধু ইংরেজি বলাই কি অধিনায়ক হওয়ার একমাত্র যোগ্যতা? তাহলে আপনি ক্রিকেটার, ছোট বাচ্চাদের মায়েদের বলে দিন যাতে সবার আগে ইংরেজি শেখায়। ক্রিকেট খেলা শিখল কি শিখল না, সে সব একপাশে সরিয়ে রাখুন। ইংরেজি জানলেই অধিনায়ক হওয়া যাবে, এটা বলে দেন না!”
পেস বোলিংয়ের জন্য বরাবরই বিখ্যাত দেশ পাকিস্তান মিরপুর টেস্টে খেলেছিল তিন পেসার নিয়ে। একেবারে খারাপ করেননি তারা। মোহাম্মদ আব্বাস প্রথম ইনিংসে নেন ৫ উইকেট। দুই ইনিংসেই ভালো করেন শাহিন শাহ আফ্রিদি ও হাসান আলিও। তবে ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দেওয়া বাংলাদেশের পেসার নাহিদ রানার ধারেকাছেও ছিলেন না তারা। আব্বাসের কিছু ডেলিভারি ছিল মিডিয়াম পেস গতির।
পাকিস্তানি পেসারদের এই বেহাল দশা দেখে হতাশ শেহজাদ, “৬-৭ বছর ধরে তো ক্রিকেটটা আপনাদের হাতেই আছে। কী করছেন আপনারা? এই টেস্টে পিচটাও চিনতে ভুল করলেন। সাজিদ খানকে বাদ দিয়ে খেলালেন নোমান আলিকে, যে কাজেই আসেনি। আর পেসার? হায় আল্লাহ্, মনে হচ্ছে বাউন্ডারি লাইন থেকে দৌড়ে এসে স্পিন বোলিং হচ্ছে। শহিদ আফ্রিদি দুই পা দৌড়ে ১৩০ কি.মি. গতিতে বল করতে পারত। আর আপনাদের সেরা পেসারের গতি মাত্র ১৩২ কি.মি.। কীভাবে টেস্ট জিতবেন?”
পাকিস্তানের আরেক সাবেক ক্রিকেটার ও অধিনায়ক রশিদ লতিফও মনে করছেন, অবনতিই হচ্ছে শুধু তাদের। জিও নিউজকে তিনি বলেন, “শন টেইট, মুশতাক আহমেদ আমাদের কোচ ছিল। টনি হেমিং আমাদের পিচ কিউরেটর ছিল। এখন দেখেন, সবাই বাংলাদেশে চলে গেছে। মানে হলো, আমাদের ছেড়ে দিয়ে তারা ভালোই আছে। আর এটাই বলে দেয়, দিন দিন আমরা বাংলাদেশের চেয়েও পিছিয়ে যাচ্ছি।”

পাকিস্তান ম্যাচ হারলেই তীব্র সমালোচনায় মুখর হয়ে ওঠেন দেশটির সাবেক ক্রিকেটাররা। আর এই তালিকায় শীর্ষেই থাকেন আহমেদ শেহজাদ। মিরপুর টেস্টে বাংলাদেশের কাছে পরাজয়ের পর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়াই জানিয়েছেন সাবেক এই ওপেনার। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড থেকে শুরু করে খেলোয়াড়–সবাইকেই রীতিমতো ধুয়ে দিয়েছেন। শেহজাদের আক্ষেপ, অবস্থা এতটাই খারাপ হয়ে গেছে যে, বাংলাদেশও এখন তাদের গোনায় ধরে না।
শেহজাদ যা বলেছেন, টেস্টের বাস্তবতায় সেটা ভুলও নয়। পাকিস্তানে গিয়ে পাকিস্তানকে টেস্ট সিরিজে হারানোর পর এবার দেশের মাটিতেও প্রথম টেস্টে জিতেছে নাজমুল হোসেনের দল। পঞ্চম দিনে গিয়ে তারা পায় ১০৪ রানের জয়। সম্প্রতি ওয়ানডে সিরিজেও বাংলাদেশের কাছে হেরে যায় পাকিস্তান।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের সঙ্গে আলাপচারিতায় তাই উত্তরসূরিদের একহাত নিয়েছেন শেহজাদ, “বাংলাদেশকে খাটো করছি না মোটেও। তাই বলে ঘরে-বাইরে তাদের কাছে টানা তিন টেস্ট হেরে যাবেন? খালি ফ্লুক বলে উড়িয়ে দেবেন? স্বীকার করুন যে, বাংলাদেশও এখন আপনাদের পাত্তা দেয় না। বাড়িতে ডেকে নিয়ে অপমান করে ছেড়ে দেয় বারবার। ওদের সেরা বোলার ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার গতিতে বল করে। তিন নম্বর পেসারেরও ঘণ্টায় ১৪০ কি.মি. গতি। আর আপনাদের শাহিন শাহ বল করে ঘণ্টায় ১৩২ কি.মি. গতিতে। চিন্তা করেন, আমরা কোথায় আছি আর বাংলাদেশ কোথায় চলে যাচ্ছে। কিছু তো লজ্জা হওয়া দরকার ভাই আপনাদের। কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন পাকিস্তানের ক্রিকেটকে? আপনারা ক্রিকেটের অভিজাত ফরম্যাটটা নিয়ে কেন এসব তামাশা করছেন?”
পেস বোলিংয়ের জন্য বরাবরই বিখ্যাত দেশ পাকিস্তান মিরপুর টেস্টে খেলেছিল তিন পেসার নিয়ে। একেবারে খারাপ করেননি তারা। মোহাম্মদ আব্বাস প্রথম ইনিংসে নেন ৫ উইকেট। দুই ইনিংসেই ভালো করেন শাহিন শাহ আফ্রিদি ও হাসান আলিও।
পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদকে নিয়েও বিরক্ত শেহজাদ, “শান মাসুদ ভালো ছেলে, কিন্তু ভালো অধিনায়ক কীভাবে? আপনারা ক্রিকেটের অভিজাত ফরম্যাটটা নিয়ে কেন এসব তামাশা করছেন? শুধু ইংরেজি বলাই কি অধিনায়ক হওয়ার একমাত্র যোগ্যতা? তাহলে আপনি ক্রিকেটার, ছোট বাচ্চাদের মায়েদের বলে দিন যাতে সবার আগে ইংরেজি শেখায়। ক্রিকেট খেলা শিখল কি শিখল না, সে সব একপাশে সরিয়ে রাখুন। ইংরেজি জানলেই অধিনায়ক হওয়া যাবে, এটা বলে দেন না!”
পেস বোলিংয়ের জন্য বরাবরই বিখ্যাত দেশ পাকিস্তান মিরপুর টেস্টে খেলেছিল তিন পেসার নিয়ে। একেবারে খারাপ করেননি তারা। মোহাম্মদ আব্বাস প্রথম ইনিংসে নেন ৫ উইকেট। দুই ইনিংসেই ভালো করেন শাহিন শাহ আফ্রিদি ও হাসান আলিও। তবে ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দেওয়া বাংলাদেশের পেসার নাহিদ রানার ধারেকাছেও ছিলেন না তারা। আব্বাসের কিছু ডেলিভারি ছিল মিডিয়াম পেস গতির।
পাকিস্তানি পেসারদের এই বেহাল দশা দেখে হতাশ শেহজাদ, “৬-৭ বছর ধরে তো ক্রিকেটটা আপনাদের হাতেই আছে। কী করছেন আপনারা? এই টেস্টে পিচটাও চিনতে ভুল করলেন। সাজিদ খানকে বাদ দিয়ে খেলালেন নোমান আলিকে, যে কাজেই আসেনি। আর পেসার? হায় আল্লাহ্, মনে হচ্ছে বাউন্ডারি লাইন থেকে দৌড়ে এসে স্পিন বোলিং হচ্ছে। শহিদ আফ্রিদি দুই পা দৌড়ে ১৩০ কি.মি. গতিতে বল করতে পারত। আর আপনাদের সেরা পেসারের গতি মাত্র ১৩২ কি.মি.। কীভাবে টেস্ট জিতবেন?”
পাকিস্তানের আরেক সাবেক ক্রিকেটার ও অধিনায়ক রশিদ লতিফও মনে করছেন, অবনতিই হচ্ছে শুধু তাদের। জিও নিউজকে তিনি বলেন, “শন টেইট, মুশতাক আহমেদ আমাদের কোচ ছিল। টনি হেমিং আমাদের পিচ কিউরেটর ছিল। এখন দেখেন, সবাই বাংলাদেশে চলে গেছে। মানে হলো, আমাদের ছেড়ে দিয়ে তারা ভালোই আছে। আর এটাই বলে দেয়, দিন দিন আমরা বাংলাদেশের চেয়েও পিছিয়ে যাচ্ছি।”