চরচা প্রতিবেদক

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটকে ব্যবসা ও বিনিয়োগ সহায়ক হিসেবে আখ্যা দিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। তবে ঘোষিত অর্থনৈতিক সংস্কার বাস্তবায়ন এবং উচ্চাভিলাষী রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনই বাজেটের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছে ব্যবসায়ীদের এ সংগঠন।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাজেটের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, “বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩০ শতাংশের বেশি বাড়ানো বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। একইসঙ্গে বাজেট ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক ঋণের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের জন্য অনুকূল নাও হতে পারে।”
ঢাকা চেম্বার বলছে, ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবি অনুযায়ী উৎসে করকে ‘অগ্রিম কর’ হিসেবে গণ্য করার সিদ্ধান্ত বাজেটের অন্যতম ইতিবাচক দিক। পাশাপাশি শিল্পের কাঁচামালে উৎসে কর কমানো, ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে কম হারে উৎসে কর নির্ধারণ এবং আগামী পাঁচ বছরের কর কাঠামো আগাম ঘোষণার উদ্যোগ ব্যবসায়িক আস্থা বাড়াবে।
সংগঠনটি স্বাস্থ্যসেবা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও বৈদ্যুতিক যানবাহন খাতে কর ছাড়, ত্রৈমাসিক অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন এবং ক্যাশলেস লেনদেন উৎসাহিত করতে পিওএস মেশিন আমদানিতে শুল্ক কমানোর প্রস্তাবকেও স্বাগত জানিয়েছে।
ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য ঘোষিত প্রণোদনা এবং টার্নওভার করমুক্ত সীমা বৃদ্ধির সিদ্ধান্তও ইতিবাচক হিসেবে দেখছে ডিসিসিআই। তাদের মতে, এতে নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং ক্ষুদ্র ব্যবসার বিকাশে সহায়তা মিলবে। এছাড়া ইলেকট্রিক গাড়ি, প্রযুক্তিপণ্য ও স্থানীয় উৎপাদনমুখী শিল্পে কর-শুল্ক সুবিধা দেশীয় বিনিয়োগ বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সংগঠনটি। ডিসিসিআইর মতে, নতুন এডিপির আকার বড় হলেও বাস্তবায়ন দক্ষতা বাড়ানো না গেলে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া কঠিন হবে।
একইসঙ্গে উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রেক্ষাপটে ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা অপরিবর্তিত রাখা এবং সর্বোচ্চ আয়কর হার ৩৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাবে হতাশা প্রকাশ করেছে ঢাকা চেম্বার। সংগঠনটি করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ টাকায় উন্নীত করার দাবি জানিয়েছে।
ডিসিসিআইর মতে, বাজেটে ব্যবসা সহজীকরণে বেশ কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ থাকলেও এর প্রকৃত সফলতা নির্ভর করবে কার্যকর বাস্তবায়ন, প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নীতিগত ধারাবাহিকতার ওপর।

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটকে ব্যবসা ও বিনিয়োগ সহায়ক হিসেবে আখ্যা দিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। তবে ঘোষিত অর্থনৈতিক সংস্কার বাস্তবায়ন এবং উচ্চাভিলাষী রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনই বাজেটের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছে ব্যবসায়ীদের এ সংগঠন।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাজেটের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, “বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩০ শতাংশের বেশি বাড়ানো বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। একইসঙ্গে বাজেট ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক ঋণের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের জন্য অনুকূল নাও হতে পারে।”
ঢাকা চেম্বার বলছে, ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবি অনুযায়ী উৎসে করকে ‘অগ্রিম কর’ হিসেবে গণ্য করার সিদ্ধান্ত বাজেটের অন্যতম ইতিবাচক দিক। পাশাপাশি শিল্পের কাঁচামালে উৎসে কর কমানো, ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে কম হারে উৎসে কর নির্ধারণ এবং আগামী পাঁচ বছরের কর কাঠামো আগাম ঘোষণার উদ্যোগ ব্যবসায়িক আস্থা বাড়াবে।
সংগঠনটি স্বাস্থ্যসেবা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও বৈদ্যুতিক যানবাহন খাতে কর ছাড়, ত্রৈমাসিক অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন এবং ক্যাশলেস লেনদেন উৎসাহিত করতে পিওএস মেশিন আমদানিতে শুল্ক কমানোর প্রস্তাবকেও স্বাগত জানিয়েছে।
ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য ঘোষিত প্রণোদনা এবং টার্নওভার করমুক্ত সীমা বৃদ্ধির সিদ্ধান্তও ইতিবাচক হিসেবে দেখছে ডিসিসিআই। তাদের মতে, এতে নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং ক্ষুদ্র ব্যবসার বিকাশে সহায়তা মিলবে। এছাড়া ইলেকট্রিক গাড়ি, প্রযুক্তিপণ্য ও স্থানীয় উৎপাদনমুখী শিল্পে কর-শুল্ক সুবিধা দেশীয় বিনিয়োগ বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সংগঠনটি। ডিসিসিআইর মতে, নতুন এডিপির আকার বড় হলেও বাস্তবায়ন দক্ষতা বাড়ানো না গেলে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া কঠিন হবে।
একইসঙ্গে উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রেক্ষাপটে ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা অপরিবর্তিত রাখা এবং সর্বোচ্চ আয়কর হার ৩৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাবে হতাশা প্রকাশ করেছে ঢাকা চেম্বার। সংগঠনটি করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ টাকায় উন্নীত করার দাবি জানিয়েছে।
ডিসিসিআইর মতে, বাজেটে ব্যবসা সহজীকরণে বেশ কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ থাকলেও এর প্রকৃত সফলতা নির্ভর করবে কার্যকর বাস্তবায়ন, প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নীতিগত ধারাবাহিকতার ওপর।