Advertisement Banner

যুক্তরাষ্ট্রে ‘নো-কিল’ পশু আশ্রয়কেন্দ্রে ১১৭ কুকুরের মরদেহ উদ্ধার

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রে ‘নো-কিল’ পশু আশ্রয়কেন্দ্রে ১১৭ কুকুরের মরদেহ উদ্ধার
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ফরচুনা শহরের প্রাণী হত্যা না করার (নো কিল) নীতি অনুসরণ করা একটি পশু আশ্রয়কেন্দ্রের প্রাঙ্গণ থেকেই ১১৭টি কুকুরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে অনেক কুকুরের শরীরে গুলির আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।

হামবোল্ট কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় জানিয়েছে, মিরান্ডাস রেসকিউ অ্যানিমেল স্যাংচুয়ারিয়ের খোলা মাঠ খনন করে এসব মরদেহ পাওয়া গেছে। সেখানে প্রায় ৬০০টি কুকুরের গলার বেল্টও (কলার) উদ্ধার করা হয়েছে।

এর আগে আশ্রয়কেন্দ্রটি থেকে শত শত প্রাণী নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা সামনে আসার পর সম্ভাব্য প্রতারণা ও প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতার অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছিলেন কর্মকর্তারা।

কুকুরের মরদেহ উদ্ধারের আগে আশ্রয়কেন্দ্রটির মালিক ও পরিচালনাকারী শ্যানন মিরান্ডা এক অনলাইন বিবৃতিতে বলেন, এ ঘটনায় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আশ্রয়কেন্দ্রটির অসম্পূর্ণ এবং কিছু ক্ষেত্রে ভুল চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। তবে চলমান তদন্তে শ্য্যানন মিরান্ডার বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো ফৌজদারি অভিযোগ আনা হয়নি।

হামবোল্ট কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় জানায়, গত এপ্রিল মাসে আশ্রয়কেন্দ্রটির বিরুদ্ধে প্রাণী নির্যাতন, প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতা, প্রতারণা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ সম্পর্কে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়ার পর তারা তদন্ত শুরু করে।

তদন্তে জানা গেছে, ২০২৫ সালের শুরুতে এই আশ্রয়কেন্দ্রে ৯০০টি প্রাণী আনা হয়েছিল। কিন্তু এর মধ্যে মাত্র ১১৬টি প্রাণী দত্তক দেওয়া হয়েছে। ফলে ৭০০টিরও বেশি প্রাণীর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি বলে জানান শেরিফ উইলিয়াম হনসাল।

আজ শুক্রবার শেরিফের কার্যালয় জানায়, উদ্ধার হওয়া ৭০টি কুকুরের দেহে এক্স-রে পরীক্ষা করে গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিক পরীক্ষায় দেখা গেছে, অনেক কুকুরের মৃত্যু গুলিবিদ্ধ হওয়ার কারণেই হয়েছে।

শেরিফের কার্যালয় আরও জানিয়েছে, মৃত কুকুরগুলোর বেশিরভাগের শরীরে মাইক্রোচিপ ছিল। এখন সেই মাইক্রোচিপের তথ্য পরীক্ষা করে কুকুরগুলোর পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

সম্পর্কিত