প্রথমার্ধ শেষের প্রতিবেদন
চরচা ডেস্ক

৮ মিনিটের মধ্যেই দুই দলের একটি করে গোল বাতিল! দুটিই অফসাইডের কারণে। ৫ মিনিটে দারুণ শটে বল জালে জড়ানোর আগে মেসি যে অফসাইড ছিলেন, তা ধরেছেন মাঠের সহকারী রেফারিই। ৮ মিনিটে আলজেরিয়ার প্রথম আক্রমণেই বল আর্জেন্টিনার জালে! তরুণ সেনসেশন ইব্রাহিম মাজার অসাধারণ থ্রু ধরে বল জালে জড়ান ফারেস শাইবি, কিন্তু ভিএআর জানাল, শাইবি অফসাইড ছিলেন।
কিন্তু ১৭ মিনিটে গোলটাতে ভিএআর বা সহকারী রেফারির কিছু বলার সুযোগই রাখলেন না মেসি! আর্জেন্টিনা ১-০ আলজেরিয়া।
আর্জেন্টিনার খেলার ধরনের সঙ্গে পরিচয় থাকলে গোলটার বর্ণনা আপনার চেনা। বল যখন আর্জেন্টিনার অর্ধে, হাঁটতে হাঁটতেই আলজেরিয়া মিডফিল্ডের পেছনে পাস নেওয়ার মতো জায়গায় চলে গেলেন মেসি। আর্জেন্টিনার অর্ধ থেকেই এক কাঁটা কম্পাসে মাপা পাস চলে গেল তার কাছে আলজেরিয়ার অর্ধে - আলজেরিয়ার মিডফিল্ড কিছু বুঝতেই পারল না! এরপর আর কী, গত ২০ বছরে এমন কিছু আপনি অনেক দেখেছেন - বার্সেলোনায়, পিএসজিতে, মায়ামিতে, আর্জেন্টিনায়। মেসি বল পেলেন, এক দৌড়ে বল নিয়ে কিছুটা এগোতেই তিনি আলজেরিয়ার বক্সের মাথায়। সেখান থেকে বাঁ পায়ের অসাধারণ বাঁকানো শট! আলজেরিয়ার গোলকিপার লুকা জিদান - জিনেদিন জিদানের ছেলে - লাফিয়ে বলে আঙুল ছোঁয়াতে পারলেন বটে, তাতে বলের গতিপথ একটু বদলালেও ঠিকানা বদলাল না। বল জালে!
এর আগে-পরে প্রেসিংয়েও মেসিকে অনেক ক্ষিপ্র দেখা গেছে। দেখে বোঝারই উপায় নেই তার বয়স আর সাত দিন পর ৩৯ হচ্ছে! তার সঙ্গে এক মুহূর্তের এই জাদুতে তৈরি করা গোলে মেসি বুঝিয়ে দিলেন, তাকে নিয়ে প্রশ্নগুলো অমূলক। বোঝালেন, আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতুক না জিতুক, ছেড়ে কথা বলবে না।
ওই গোলের পর আর্জেন্টিনা আরও নির্ভার হয়ে খেলেছে। মিডফিল্ডে পাসের জাল বুনে আলজেরিয়ার পোস্টের কাছে - অ্যাটাকিং থার্ডে - গিয়ে গতি বাড়িয়েছে। আলজেরিয়া নিজেদের অর্ধেই আটকে ছিল অনেকটা সময়। তবে হাইড্রেশন ব্রেকের পর আলজেরিয়াও প্রেসিংয়ে গতি বাড়িয়েছে, বিরতির আগে মিনিট দশেকে ম্যাচে তাদের নিয়ন্ত্রণ বেড়েছে, কয়েকটা শটও নিয়েছে।
তবে সেসব আর্জেন্টিনার উদ্বেগ বাড়ালেও আর্জেন্টিনার বড় পরীক্ষা নিতে পারেনি।

৮ মিনিটের মধ্যেই দুই দলের একটি করে গোল বাতিল! দুটিই অফসাইডের কারণে। ৫ মিনিটে দারুণ শটে বল জালে জড়ানোর আগে মেসি যে অফসাইড ছিলেন, তা ধরেছেন মাঠের সহকারী রেফারিই। ৮ মিনিটে আলজেরিয়ার প্রথম আক্রমণেই বল আর্জেন্টিনার জালে! তরুণ সেনসেশন ইব্রাহিম মাজার অসাধারণ থ্রু ধরে বল জালে জড়ান ফারেস শাইবি, কিন্তু ভিএআর জানাল, শাইবি অফসাইড ছিলেন।
কিন্তু ১৭ মিনিটে গোলটাতে ভিএআর বা সহকারী রেফারির কিছু বলার সুযোগই রাখলেন না মেসি! আর্জেন্টিনা ১-০ আলজেরিয়া।
আর্জেন্টিনার খেলার ধরনের সঙ্গে পরিচয় থাকলে গোলটার বর্ণনা আপনার চেনা। বল যখন আর্জেন্টিনার অর্ধে, হাঁটতে হাঁটতেই আলজেরিয়া মিডফিল্ডের পেছনে পাস নেওয়ার মতো জায়গায় চলে গেলেন মেসি। আর্জেন্টিনার অর্ধ থেকেই এক কাঁটা কম্পাসে মাপা পাস চলে গেল তার কাছে আলজেরিয়ার অর্ধে - আলজেরিয়ার মিডফিল্ড কিছু বুঝতেই পারল না! এরপর আর কী, গত ২০ বছরে এমন কিছু আপনি অনেক দেখেছেন - বার্সেলোনায়, পিএসজিতে, মায়ামিতে, আর্জেন্টিনায়। মেসি বল পেলেন, এক দৌড়ে বল নিয়ে কিছুটা এগোতেই তিনি আলজেরিয়ার বক্সের মাথায়। সেখান থেকে বাঁ পায়ের অসাধারণ বাঁকানো শট! আলজেরিয়ার গোলকিপার লুকা জিদান - জিনেদিন জিদানের ছেলে - লাফিয়ে বলে আঙুল ছোঁয়াতে পারলেন বটে, তাতে বলের গতিপথ একটু বদলালেও ঠিকানা বদলাল না। বল জালে!
এর আগে-পরে প্রেসিংয়েও মেসিকে অনেক ক্ষিপ্র দেখা গেছে। দেখে বোঝারই উপায় নেই তার বয়স আর সাত দিন পর ৩৯ হচ্ছে! তার সঙ্গে এক মুহূর্তের এই জাদুতে তৈরি করা গোলে মেসি বুঝিয়ে দিলেন, তাকে নিয়ে প্রশ্নগুলো অমূলক। বোঝালেন, আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতুক না জিতুক, ছেড়ে কথা বলবে না।
ওই গোলের পর আর্জেন্টিনা আরও নির্ভার হয়ে খেলেছে। মিডফিল্ডে পাসের জাল বুনে আলজেরিয়ার পোস্টের কাছে - অ্যাটাকিং থার্ডে - গিয়ে গতি বাড়িয়েছে। আলজেরিয়া নিজেদের অর্ধেই আটকে ছিল অনেকটা সময়। তবে হাইড্রেশন ব্রেকের পর আলজেরিয়াও প্রেসিংয়ে গতি বাড়িয়েছে, বিরতির আগে মিনিট দশেকে ম্যাচে তাদের নিয়ন্ত্রণ বেড়েছে, কয়েকটা শটও নিয়েছে।
তবে সেসব আর্জেন্টিনার উদ্বেগ বাড়ালেও আর্জেন্টিনার বড় পরীক্ষা নিতে পারেনি।