চরচা ডেস্ক

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত চূড়ান্ত গেজেট অনুযায়ী, বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয়লাভ করেছে।
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট ৭৭টি আসন পেয়েছে।
নির্বাচন কমিশন ও সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১০টায় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন।
বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শপথ পাঠ করাবেন।
জাতীয় সংসদের একজন সদস্য (এমপি) মাসিক সম্মানীসহ নানা ভাতা পেয়ে থাকেন। ১৯৭৩ সালের একটি আইনের আওতায় তাদের জন্য এসব সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে এই আইন সংশোধন করে তাদের সম্মানী ও ভাতা বাড়ানো হয়েছে।
মেম্বারস অব পার্লামেন্ট (রেমুনেরেশন অ্যান্ড অ্যালাউয়েন্সেস)-১৯৭৩ সর্বশেষ সংশোধন করা হয় ২০১৬ সালে। ওই সময় এমপিদের সম্মানী ও ভাতা আগের চেয়ে দ্বিগুণ করা হয়।
ওই আইন অনুযায়ী সংসদ সদস্যরা মাসে ৫৫ হাজার টাকা হারে সম্মানী পান। পুরো দায়িত্বকাল জুড়েই এই সম্মানী পান তারা।
নির্বাচনী এলাকায় কাজ পরিচালনা, জনসংযোগ ও সাংগঠনিক তৎপরতার জন্য সংসদ সদস্যরা মাসে ১২ হাজার ৫০০ টাকা পান।
অতিথি আপ্যায়ন, সামাজিক যোগাযোগের জন্য মাসিক পাঁচ হাজার টাকা ভাতা নির্ধারণ করা আছে।
সংসদ সদস্যদের দায়িত্বকালীন একটি গাড়ি/জিপ/মাইক্রোবাস; কাস্টমস ডিউটি, ভ্যাট, ডেভেলপমেন্ট সারচার্জ ও আমদানি পারমিট ফি ছাড়া আমদানির সুযোগ পান। একটি গাড়ি আমদানির পাঁচ বছর পর একইভাবে এক জন সংসদ সদস্য আরেকটি নতুন গাড়ি আমদানির সুযোগ পান।

যাতায়াত, জ্বালানি, গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ও চালকের বেতন ইত্যাদির জন্য মাসিক ৭০ হাজার টাকা পরিবহন ভাতা পান একজন সংসদ সদস্য।
নির্বাচনী এলাকায় অফিস পরিচালনার জন্য মাসিক ১৫ হাজার টাকা ভাতা দেওয়া হয়।
প্রতি মাসে সংসদ সদস্যরা দেড় হাজার টাকা লন্ড্রি ভাতা এবং রান্নার সরঞ্জাম, লিনেন, টয়লেট্রিজ কেনার জন্য ছয় হাজার টাকা পান।
সংসদ অধিবেশন বা সংসদীয় কমিটির বৈঠকে অংশ নিতে বিমান/রেল/জাহাজে সর্বোচ্চ শ্রেণির ভাড়ার দেড়গুণ পর্যন্ত ভাতা এবং সড়কপথে ভ্রমণে কিলোমিটারপ্রতি ১০ টাকা হারে ভাতা পান একজন সংসদ সদস্য।
সংসদ অধিবেশন ও সংসদীয় কমিটির বৈঠকের জন্য দৈনিক ভাতা ৭৫০ টাকা এবং যাতায়াত বাবদ ভাতা ৭৫ থেকে ২০০ টাকা (উপস্থিতি রেকর্ডভিত্তিক) পান।
একজন সংসদ সদস্য বছরে এক লাখ ২০ হাজার টাকা ভ্রমণ ভাতা অথবা সমপরিমাণের নন-ট্রান্সফারেবল ট্রাভেল পাস পান।
সংসদ সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যরা প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তাদের সমান চিকিৎসা সুবিধা এবং মাসিক ৭০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা পান।
বাসভবনে সরকারি খরচে টেলিফোন সংযোগ এবং কল ও ভাড়া বাবদ মাসিক সাত হাজার ৮০০ টাকা পান।
দায়িত্বকালীন দুর্ঘটনায় মৃত্যু বা স্থায়ী পঙ্গুত্বের ক্ষেত্রে ১০ লাখ টাকার বীমা সুবিধা পান।
জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয়ের জন্য বছরে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা বরাদ্দ পান।
এসব ভাতা ভাতাগুলো আয়করমুক্ত।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত চূড়ান্ত গেজেট অনুযায়ী, বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয়লাভ করেছে।
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট ৭৭টি আসন পেয়েছে।
নির্বাচন কমিশন ও সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১০টায় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন।
বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শপথ পাঠ করাবেন।
জাতীয় সংসদের একজন সদস্য (এমপি) মাসিক সম্মানীসহ নানা ভাতা পেয়ে থাকেন। ১৯৭৩ সালের একটি আইনের আওতায় তাদের জন্য এসব সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে এই আইন সংশোধন করে তাদের সম্মানী ও ভাতা বাড়ানো হয়েছে।
মেম্বারস অব পার্লামেন্ট (রেমুনেরেশন অ্যান্ড অ্যালাউয়েন্সেস)-১৯৭৩ সর্বশেষ সংশোধন করা হয় ২০১৬ সালে। ওই সময় এমপিদের সম্মানী ও ভাতা আগের চেয়ে দ্বিগুণ করা হয়।
ওই আইন অনুযায়ী সংসদ সদস্যরা মাসে ৫৫ হাজার টাকা হারে সম্মানী পান। পুরো দায়িত্বকাল জুড়েই এই সম্মানী পান তারা।
নির্বাচনী এলাকায় কাজ পরিচালনা, জনসংযোগ ও সাংগঠনিক তৎপরতার জন্য সংসদ সদস্যরা মাসে ১২ হাজার ৫০০ টাকা পান।
অতিথি আপ্যায়ন, সামাজিক যোগাযোগের জন্য মাসিক পাঁচ হাজার টাকা ভাতা নির্ধারণ করা আছে।
সংসদ সদস্যদের দায়িত্বকালীন একটি গাড়ি/জিপ/মাইক্রোবাস; কাস্টমস ডিউটি, ভ্যাট, ডেভেলপমেন্ট সারচার্জ ও আমদানি পারমিট ফি ছাড়া আমদানির সুযোগ পান। একটি গাড়ি আমদানির পাঁচ বছর পর একইভাবে এক জন সংসদ সদস্য আরেকটি নতুন গাড়ি আমদানির সুযোগ পান।

যাতায়াত, জ্বালানি, গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ও চালকের বেতন ইত্যাদির জন্য মাসিক ৭০ হাজার টাকা পরিবহন ভাতা পান একজন সংসদ সদস্য।
নির্বাচনী এলাকায় অফিস পরিচালনার জন্য মাসিক ১৫ হাজার টাকা ভাতা দেওয়া হয়।
প্রতি মাসে সংসদ সদস্যরা দেড় হাজার টাকা লন্ড্রি ভাতা এবং রান্নার সরঞ্জাম, লিনেন, টয়লেট্রিজ কেনার জন্য ছয় হাজার টাকা পান।
সংসদ অধিবেশন বা সংসদীয় কমিটির বৈঠকে অংশ নিতে বিমান/রেল/জাহাজে সর্বোচ্চ শ্রেণির ভাড়ার দেড়গুণ পর্যন্ত ভাতা এবং সড়কপথে ভ্রমণে কিলোমিটারপ্রতি ১০ টাকা হারে ভাতা পান একজন সংসদ সদস্য।
সংসদ অধিবেশন ও সংসদীয় কমিটির বৈঠকের জন্য দৈনিক ভাতা ৭৫০ টাকা এবং যাতায়াত বাবদ ভাতা ৭৫ থেকে ২০০ টাকা (উপস্থিতি রেকর্ডভিত্তিক) পান।
একজন সংসদ সদস্য বছরে এক লাখ ২০ হাজার টাকা ভ্রমণ ভাতা অথবা সমপরিমাণের নন-ট্রান্সফারেবল ট্রাভেল পাস পান।
সংসদ সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যরা প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তাদের সমান চিকিৎসা সুবিধা এবং মাসিক ৭০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা পান।
বাসভবনে সরকারি খরচে টেলিফোন সংযোগ এবং কল ও ভাড়া বাবদ মাসিক সাত হাজার ৮০০ টাকা পান।
দায়িত্বকালীন দুর্ঘটনায় মৃত্যু বা স্থায়ী পঙ্গুত্বের ক্ষেত্রে ১০ লাখ টাকার বীমা সুবিধা পান।
জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয়ের জন্য বছরে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা বরাদ্দ পান।
এসব ভাতা ভাতাগুলো আয়করমুক্ত।