চরচা ডেস্ক

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল। পাল্টা জবাব দিতে শুরু করে ইরানও। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানে নিহতের সংখ্যা তিন হাজার ১৮৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ২১০ জনই শিশু।
আজ শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। খবর বিবিসির।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় প্রাণ হারানোদের মধ্যে একটি বড় অংশই সাধারণ মানুষ। এখন পর্যন্ত এক হাজার ৩৯৪ জন বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে এইচআরএএনএ।
নিহতদের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে আরও দেখা গেছে, চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত এক হাজার ১৫৩ জন সামরিক সদস্য নিহত হয়েছেন। এছাড়া আরও ৬৩৯ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে, যাদের পরিচয় কিংবা মৃত্যুর ধরন এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সংস্থাটি এই মৃত্যুগুলোকে 'অমীমাংসিত' হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে।
এদিকে শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়ার বাস্তব ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ইসলামী প্রজাতন্ত্রের টিকে থাকা নেতৃত্ব আরও কঠোর ও সংঘাতমুখী বক্তব্য দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ইরান বারবারই তাদের আঘাত সহ্য করার সক্ষমতা, নেতৃত্বের আরও ক্ষয়ক্ষতিকে গুরুত্ব না দেওয়া এবং যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার স্পষ্ট ইচ্ছার কথা তুলে ধরছে। যা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল। পাল্টা জবাব দিতে শুরু করে ইরানও। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানে নিহতের সংখ্যা তিন হাজার ১৮৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ২১০ জনই শিশু।
আজ শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। খবর বিবিসির।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় প্রাণ হারানোদের মধ্যে একটি বড় অংশই সাধারণ মানুষ। এখন পর্যন্ত এক হাজার ৩৯৪ জন বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে এইচআরএএনএ।
নিহতদের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে আরও দেখা গেছে, চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত এক হাজার ১৫৩ জন সামরিক সদস্য নিহত হয়েছেন। এছাড়া আরও ৬৩৯ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে, যাদের পরিচয় কিংবা মৃত্যুর ধরন এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সংস্থাটি এই মৃত্যুগুলোকে 'অমীমাংসিত' হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে।
এদিকে শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়ার বাস্তব ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ইসলামী প্রজাতন্ত্রের টিকে থাকা নেতৃত্ব আরও কঠোর ও সংঘাতমুখী বক্তব্য দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ইরান বারবারই তাদের আঘাত সহ্য করার সক্ষমতা, নেতৃত্বের আরও ক্ষয়ক্ষতিকে গুরুত্ব না দেওয়া এবং যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার স্পষ্ট ইচ্ছার কথা তুলে ধরছে। যা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে।